আট বছর ধরে বন্ধ জিয়ানগরের কলারণ সন্যাসী ফেরী

0

jiকেফায়েত উল্লাহ, জিয়ানগর থেকে : জিয়ানগরের কলারণ সন্যাসী ফেরী চালু হওয়ার পর বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আট বছর ধরে সুন্দরবনের সাথে সরাসরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে । দক্ষিনাঞ্চরের পিরোজপুর জেলার জিয়ানগর উপজেলা ও বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ উপজেলার সিমানায় বলেশ্বর নদীর উপর কলারণ সন্যাসী ফেরীটি জোট সরকারের আমলে ২০০৬ সালের ৪ আগষ্ট চালু হওয়ার ১ বছর পর সরকার পরিবর্তন হওয়ায় ফেরীটি সড়ক ও জনপথ বিভাগ নিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে । পরে ২০০৭ সালের সিডরে কলারণ প্রান্তে ফেরী ঘাটের পন্টুনটি স্রোতে ভাসিয়ে নিয়ে যায় ও চরে আটকে পড়ে । ৮ বছর ধরে চরে পন্টুনটি আটকে থাকলেও তা উদ্ধার করা বা ঐ ঘাটে পুনঃ স্থাপন করার কোন ব্যবস্থা করেনি কর্তৃপক্ষ । এই ফেরীটি চালু থাকলে সরাসরি ঢাকা থেকে জিয়ানগর হয়ে শরনখোলা উপজেলা ও সুন্দর বনে পর্যটকসহ সাধারন মানুষ যাতায়াত করতে পারত । অপরদিকে সুন্দরবনের আহরিত মধু, কাঠসহ অন্যান্য কাচামাল এবং বঙ্গোপসাগর থেকে জেলেদের ধরা মাছ কম খরচে কম সময় বাংলাদেশের যে কোন স্থানে পাঠানো সম্ভব হত। এছাড়া সড়ক পথে সুন্দরবন থেকে সরাসরি ঢাকাসহ বাংলাদেশের যে কোন স্থানে যাত্রী পরিবহনসহ মালামাল সরবরাহ সহজ হত । এই জনগুরুত্বপূর্ন কলারণ সন্যাসি ফেরীটি চালু হলে দক্ষিনাঞ্চলের মানুষের সীমাহিন দুর্ভোগ লাগব হত অথচ সেদিকে সড়ক ও জনপথ বিভাগের কোন দৃষ্টি নেই ।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ফেরী ঘাটের পন্টুনটি চরে আটকে রয়েছে তেমনি ঘাটটি জড়াজির্ন অবস্থায় পড়ে থাকায় যাত্রীরা অতি কষ্ট করে ট্রলার যোগে ঐ নদীটি পাড় হচ্ছে। এ বিষয়ে পিরোজপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে একাধিক বার যোগাযোগ করলে তাকে মোবাইল ফোনে পাওয়া যায়নি । উপজেলা চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী জানান এ ফেরীটি চালু হলে দক্ষিনাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধান হত । এ ফেরীটি চালু থাকলে এলাকার মানুষের বিভিন্ন প্রকারের মালামাল বহন ও চলাচলে অনেক সহজ হবে ।

Leave A Reply