আশা জাগিয়েও পারল না বাংলাদেশ

0

নিজেদের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় টার্গেট নিয়ে টি-টোয়েন্টি জয়ের স্বপ্নটা দেথছিলই বাংলাদেশ। ১৯৬ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে ৯ ওভার পর্যন্ত সমর্থকদের সেই আশার আলোই দেখাচ্ছিলেন যেন সৌম্য সরকার। কিন্তু সৌম্যের বিদায়ের পরই পথ হারাল বাংলাদেশ। মাঝপথে এলোমেলো ব্যাটিংয়ে শেষ পর্যন্ত ৯ ওভারে ১৭৫ রান করে থামল সাকিব বাহিনী। টি-টোয়েন্টিতে এটি দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ।

ইমরুল কায়েসকে সঙ্গে নিয়ে ওপেনিংয়ে সৌম্যের শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। অবশ্য ইনিংসের প্রথম বলেই ডেন প্যাটারসনকে মিড অফের ওপর দিয়ে বাউন্ডারি মেরে ইতিবাচক শুরুর প্রথম ইঙ্গিতটা দিয়েছিলেন ইমরুল। কিন্তু দুজনের জুটি টিকেছে ৩.৫ ওভার। ইমরুলকে তুলে নেন হেনড্রিকস। এরপর আউট হওয়ার আগ পর্যন্ত সৌম্য অনেকটা একাই টেনেছেন দলকে।

ইমরুল আউট হওয়ার পর সৌম্যর সঙ্গে জুটি বাঁধেন অধিনায়ক সাকিব। কিন্তু বাংলাদেশ অধিনায়ক বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ৮ বলে ১৩ রান করে অভিষিক্ত রবি ফ্রাইলিঙ্কের প্রথম শিকার হন সাকিব। ৭ ওভারে ২ উইকেটে ৬৪ রান নিয়ে তখনো জয়ের পথে ছিল বাংলাদেশ। তৃতীয় উইকেটে মুশফিক-সৌম্যর ১৩ বলে ২৮ রানের জুটি জয়ের আশাটা আরও উজ্জ্বল করেছিল। কিন্তু ৯.১ ওভারে আন্দিলে ফিকোয়ার বলে সৌম্য এলবিডব্লু হওয়ার পর থেকেই ফিকে হতে শুরু করে জয়ের আশা।

প্রথম ১০ ওভারে ৩ উইকেটে ৯৭ রান তোলা বাংলাদেশ শেষ ১০ ওভারে করেছে ৬ উইকেটে ৭৮। সৌম্যর আউটটাই যেন গড়ে দিল ম্যাচের পার্থক্য। ২ ছক্কা ও ৫ বাউন্ডারিতে ৩১ বলে ৪৭ রানের ইনিংস খেলেন সৌম্য।
সৌম্য ফেরার বাকি ব্যাটসম্যানরা আর টেনে নিতে পারলেন না ইনিংসকে| দুই ওভারের ব্যবধানে ৯ রানের মধ্যে ফিরে ‍যান মুশফিক-মাহমুদউল্লাহ। ৫২ বলে ৯৫ রানের সমীকরণটা মেলাতে উইকেটে ছিলেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও সাব্বির রহমান। ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে এ দুজন যোগ করেন ২৩ রান। সাব্বির ২ ছক্কায় ১৬ বলে ১৯ রান করে আউট হয়ে যান| সাব্বির ফিরে যাওয়ার পরই কার্যত জয়ের আশা শেষ হয়ে যায়।

পরাজয়ের ব্যবধানটা যা একটু কমিয়েছেন সাইফউদ্দিন। ১ ছক্কা ও ৩ বাউন্ডারিতে ২৭ বলে ৩৯ রান করে অপরাজিত ছিলেন তরুণ এ পেস বোলিং অলরাউন্ডার। বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত করতে পেরেছে ৯ উইকেটে ১৭৫।

Leave A Reply

Pinterest
Print