কচুয়া পৌর বাজারকে শহরে রূপান্তরিত করা হবে-সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

0

kachua-photo-03মফিজুল ইসলাম বাবুল, চাঁদপুর: চাঁদপুরের কচুয়া পৌর বাজার হচ্ছে সকল যোগাযোগের প্রাণ কন্দ্রে। পূর্ব থেকেই পরিকল্পনামাপিক এমনভাবে রাস্তা নির্মান করা হয়েছে যাতে করে এবাজারটি সার্বিক যোগাযোগ সূবিধা পায়। এ পৌর বাজারকে শহরে রূপান্তরিত করা হবে। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষে আমরা চাই বাজার ব্যবসায়ীরা সকল সূবিধা পেয়ে তাদের ব্যবসা কার্যক্রম পরিচালনা করুক। ব্যবসায়ীক কার্যক্রমের পথকে সুগম করে তুলতে ও বাজারটিকে শহরে রূপান্তরিত করার লক্ষে শিল্প বণিক সমিতি গড়ে তুলতে হবে। এ কাজে ব্যবসায়ীদেরকে সম্মেলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে। ব্যবসায়ীকদের সহযোগীতা নিয়ে শিল্প বণিক সমিতিকে জেলা পর্যায়ের শিল্প বণিক সমিতির সমর্যাদায় নিয়ে এসে কচুয়া বাজারকে ব্যবসা বানিজ্যের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করতে চাই। তিনি আজ শুক্রবার বিকেলে কচুয়া উপজেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে পৌরবাজার ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
পৌর মেয়র ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি নাজমুল আলম স্বপনের সভাপতিত্বে ও পৌর আওয়ামীলীগের আহবায়ক ও সুলতান ভূইয়া কমপ্লেক্সের অন্যতম স্বত্বাধিকারী মোঃ আকতার হোসেন সোহেল ভূইয়ার পরিচালনায় ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি আরো বলেন- কচুয়া থানা ভবনের পশ্চিম পাশের্^ যে দীঘিটি আছে, এটির সংস্কার করে দর্শনীয় স্থান হিসেবে গড়ে তোলা হবে। দীঘিটির চর্তুরপাড়ে এমনভাবে লেক নির্মান করা হবে যা হবে দৃষ্টি নন্দন। একইভাবে কচুয়া মাদ্রাসার পুকুর পাড় লেক নির্মান করা হবে। বাজারের পশ্চিমপাশ ঘেষে যে খালটি প্রবাহিত, এখালের অংশ বিশেষ যারা অবৈধভাবে দখল করে নিয়েছে-সেই অবৈধ দখল মুক্ত করে খালটিকেও লেক হিসেবে গড়ে তোলা হবে। কচুয়া বাজারে ইতিপূর্বে যারা চাঁদাবাজি করেছেন তাদের অনেক ঘটনা আমার কানে এসেছে। যারা চাঁদাবাজির সাথে জড়িত আছেন তারা অবশ্যই চাঁদাবাজির অবস্থান থেকে সরে এসে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠে ব্যবসায়ীক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। কোন ধরনের চাঁদাবাজি সরকারের তরফ থেকে সহ্য করা হবে না। কচুয়ায় যে কেহ চাঁদাবাজির সাথে জড়িত থাকুক না কেনো তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কচুয়া বাজারকে চাঁদাবাজ মুক্ত বাজার হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে অতিসত্ত¡র নির্বাচনের মাধ্যমে একটি সমিতি গঠন করা দরকার। এ কাজটি বাস্তবায়নের জন্য উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এর উপর এ দায়িত্ব ন্যাস্ত করা হলো। কচুয়ায় যথ জড়াজীর্ণ রাস্তা আছে সেগুলোকে ৬ মাসের মধ্যে সংস্কার করা হবে। ইতোমধ্যে আমরা কচুয়া পেীর এলাকায় একটি স্টেডিয়াম নির্মানের যে প্রদক্ষেপ গ্রহণ করেছি যা যথাযথ কর্তৃপক্ষ গ্রহন করেছে। আপনারা দেখেছের সম্প্রতি কচুয়ায় আমরা একটি কলেজ সরকারি করণ করেছি এবং অচিরেই আরো একটি কলেজ ও স্কুলকে সরকারি করণ করা হবে। উক্ত মতবিনিময় সভায় বাজার ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন- আলহাজ¦ হারুন অর রশিদ। এ মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ শাহজাহান শিশির, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আইয়ুব আলী পাটওয়ারী, সাধারণ সম্পাদক সোহরাব হোসেন চৌধুরী সোহাগ, সহযুগ্ম সম্পাদক মোতাহার হোসেন দুলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান হাতেম, অর্থ সম্পাদক নাজমুল হক মিঠু, সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মজিবুর রহমান, তরিক মুন্সি, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সালমা শহীদ, সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কামরুন্নাহার ভূইয়া, উপজেলা আওয়ামীলীগের মহিলা সম্পাদিকা রওনক আরা রত্না, মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন সিকদার, উপজেলা পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহবায়ক সাদেক মুন্সি, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সৈয়দ রবিউল ইসলাম রাসেল ও সাধারণ সম্পাদক হাবীব মুজমদার জয় প্রমুখ। একই দিন ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর উপজেলা আওয়ামীলীগের দলীয় কার্যালয়ে দলের বর্ধিত সভায় এবং সাচার ডিগ্রি কলেজ মিলনায়তনে ১ থেকে ৫নং ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন।

Leave A Reply

Pinterest
Print