কালকিনিতে বিক্রি করা জমি ফের বিক্রি , দুই গ্রুপের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের সম্ভবনা

0

সংঘর্ষ-songshoso_91564আশরাফুর রহমান কালকিনি(মাদারীপুর) প্রতিনিধি
মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার এনায়েতনগর এলাকার কালাই সরদারের চর জে.এল-১০৭নং মৌজায় ৩৬৯নং ও ১৭২নং দাগে ১৯৫৯ সালে পিতার বিক্রিকরা ২৬শতাংশ জমি তথ্য গোপন করে ফের এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কাছে বিক্রি করেছে পুত্ররা। পিতার কাছ থেকে জমি ক্রয়কারীরা জমিতে বাড়ি ঘর তৈরি করে ভোগদখল করে আসলেও নব্য ক্রয়কারীরা তাদের গৃহহারা করার পায়তারা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এনিয়ে এলাকায় দুই গ্রুপের মধ্যে চরম উত্তেজনা চলছে এবং কয়েক দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আর বিষয়টির ন্যায় বিচারের আশায় ভূক্তভোগী অসহায় পরিবার অবশেষে মাদারীপুর জেলা রেজিষ্টারের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছে।
উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রী অফিস ও ভূক্তভোগী পরিবার জানায়, ১৯৫৯ সালে উক্ত জমির মালিক মরহুম আমির হোসেন হাওলাদার সাব-কবলা মূলে প্রতিবেশী নশাই হাওলাদারের কাছে বিক্রি করে। আর বিক্রির পরে উক্ত জমি নশাই হাওলাদার ভোগ দখল করে আসলেও পরে সে আঃ মান্নান হাওলাদারের কাছে বিক্রি করে। আর ক্রয়কৃত জমিতে আঃ মান্নান হাওলাদার বাড়িঘর নির্মান করে পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করে আসছে। কিন্তু এলাকার দলাদলিকে কেন্দ্রকরে জমির ক্রয়কৃত মালিক মান্নান হাওলাদারকে হয়রানি করতে ষড়যন্ত্রমূলক উক্ত জমির তথ্য গোপন করে দলিল ও মাঠ পর্চা এড়িয়ে গিয়ে উপজেলা সাব-রেজিষ্টার ও দলিল লেখককে ম্যানেজ করে ৫৬বছর আগে পিতার বিক্রিকরা জমি ফের বিক্রি করে ছেলে মোবারক গং ও হারুন হাওলাদার গংরা। আর শুধু মাত্র সমস্যা সৃষ্টির লক্ষে বর্তমানে জমি ক্রয় করে এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি খবির তালুকদার ও আনোয়ার হাওলাদার। কিন্তু এনিয়ে এলাকায় চরম মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে উভয় পক্ষ। আর জমি দখলকে কেন্দ্র করে উভয় গ্রুপের মধ্যে কয়েক দফা সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়েছে।
এব্যাপারে উপজেলা সাব-রেজিষ্টার শাহীন আলম বলেন ‘ দলিল লেখক মামুন বেপারী তথ্য গোপন করে উক্ত দলিল সম্পাদন করেছে। তাই রেজিষ্ট্রেশন আইন অনুযায়ি এব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।’

Leave A Reply