কালকিনি পৌরসভা নির্বাচনের মনোনয়ন পেতে আ.লীগের তোরজোড়, সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় বিএনপি:

0

24.10.2015pআশরাফুর রহমান কালকিনি(মাদারীপুর) প্রতিনিধি :
তফসিল ঘোষণা না হলেও আসন্নপৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে কালকিনিতে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী ব্যাপক প্রচার প্রচারনা শুরু করেছেন। পৌরসভার অলিগলি তাদের ব্যানার-ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে। বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে মেয়র প্রার্থীরা অংশ গ্রহণের পাশাপাশি ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে বিভিন্ন ধর্মীয় তৎপরতাসহ দলীয় মনোনয়নের আশায় জেলা ও কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন। প্রার্থীদের এমন তৎপরতার ফলে ভোটারদের মাঝে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। ডিসেম্বরের প্রথম ধাপে ২৪৫টি পৌরসভা নির্বাচন হবার কথা রয়েছে। প্রথম ধাপে নির্বাচনে কালকিনি পৌরসভাও রয়েছে। সরকার ইতিমধ্যে ঘোষণা দিয়েছে এই নির্বাচন দলীয় প্রতীকের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে। তাই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীরা গণসংযোগ শুরু করেছেন। এবং দলীয় মনোনয়ন লাভের আশায় নেতাদের কাছে ধর্না দিচ্ছেন। কে পাবেন দলীয় মনোনয়ন সেটি চূড়ান্ত না হলেও সকল প্রার্থী দলীয় মনোনয়ন লাভের আশায় নির্বাচনি মাঠে প্রচার প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন। এখন পর্যন্ত আ.লীগের ৬ জন প্রার্থী গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে নির্বাচন কমিশন কতৃক জামাযেতের নিবন্ধন বাতিল হওয়ায় তারা দলীয়ভাবে নির্বাচন করতে পারবেন না। কিন্তু স্বতন্ত্র হিসেবে অংশ নিতে পারলেও প্রচার প্রচারনায় এখন পর্যন্ত কাউকে দেখা যায়নি। এক সময়ে এই উপজেলায় জাতীয় পার্টির ঘাটি শক্ত থাকলেও বর্তমানে অবস্থা নাজুক। আ.লীগের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে কালকিনি উপজেলা আ.লীগ ও মাদারীপুর জেলা আ.লীগের নির্বাহী কমিটির সদস্য,সমাজ সেবক, কালকিনি পৌর সভার প্রতিষ্ঠাতা ও সফল পৌর প্রশাসক আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা ইমারাত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সরদার লোকমান হোসেন , বর্তমান পৌর মেয়র এনায়েত হোসেন হাওলাদার , কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় আ.লীগের উপ-কমিটির সহ সম্পাদক সোহেল রানা মিঠু, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মশিউর রহমান সবুজ ও স্বর্ণ পদক প্রাপ্ত পৌর কাউন্সিলর মুক্তিযোদ্ধা মো. মজিবুর রহমান। বিএনপি-র প্রসÍুত সম্পর্কে উপজেলা সভাপতি মো. ফজলুল হক বেপারী বললেন দলীয় প্রতীক ও দলীয় সিদ্ধান্তে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সরকারের একতরফা সিদ্ধান্ত। আর এ বিষয়ে দলের হাই কমান্ডের নির্দেশ না আশা পর্যন্ত কিছুই বলা যাবে না। তবে বিএনপি-র নেতা কর্মী ও সমর্থকদের নির্দেশের আশায় ধৈর্য ধারণ করে ত হবে। সম্ভাব্য এসব প্রার্থীকে নিয়ে পাড়া-মহল্লায় এবং চায়ের দোকানে চলছে বিচার-বিশ্লেষণ। এদের মাঝে কে হবেন পৌর পিতা। কোন দল থেকে শেষ পর্যন্ত কে পাবেন মনোনয়ন- এসব বিষয় নিয়ে এখন আলোচনার ঝড় বইছে ।

Leave A Reply