পীরগাছায় আ’লী- ৬ : বিএনপি-১ : জাপা-১

0

1457526889

৪র্থ পর্বে রংপুরের পীরগাছা উপজেলার ৮ ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন শনিবার অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে আওয়ামীলীগ সমর্থিত ৬, বিএনপি সমর্থিত ১, জাপা সমর্থিত ১ প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হন। শনিবার সন্ধায় উপজেলা নির্বাচন অফিস কন্ট্রোল র্বম থেকে বে-সরকারিভাবে তাদের বিজয়ী ঘোষনা করা হয়।

নির্বাচিতরা হলেন:

পার্বল ইউনিয়ন পরিষদ থেকে আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ খাঁন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ।

ইটাকুমারী ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জাতীয় পার্টি সমর্থিত প্রার্থী আব্দুল কাদের প্রধান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী আশরাফুল আলম।

অন্নদানগর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী আমিনুল ইসলাম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন আওয়ামীলীগ বিদ্রোহী প্রার্থী আনোয়ার হোসেন।

ছাওলা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী শাহ আব্দুল হাকিম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী নাজির হোসেন।

তাম্বুলপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী রওশন জমির রবু সরদার। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন জামায়াত সমর্থিত প্রাথী বজলুর রশীদ মুকুল।

পীরগাছা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আলহাজ্ব মোস্তাফিজার রহমান রেজা। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন জাতীয় পার্টি সমর্থিত প্রার্থী শাহ রঞ্জু মিয়া।

কৈকুড়ী ইউনিয়ন পরিষদ থেকে আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী শফিকুল ইসলাম লেবু মন্ডল। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন জাতীয় পার্টির বিদ্রোহী প্রার্থী বাবুল আখতার।

কান্দি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী নজর্বল ইসলাম খান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আব্দুল কাদের সুজা মন্ডল।

উপজেলার ৮ ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ থেকে ৮, বিদ্রোহী ৫ জন। বিএনপি থেকে ৬, বিদ্রোহী ৩ জন। জাতীয় পার্টি থেকে ৭, বিদ্রোহী ১ জন। জামায়াত থেকে ০৩ জন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে ১ জন। বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল থেকে ১ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ১৩ জন চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এছাড়াও সংরৰিত মহিলা সদস্য পদে ১০২ ও সাধারন সদস্য পদে ৩২২ জন ভোট যুদ্ধে অংশগ্রহন করেন।

উপজেলা নির্বাচন অফিসার এটিএম সেলিম জানান, ১’শ ১১টি ভোট কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নিরবিচ্ছিন্ন ভোট গ্রহন করা হয়। রংপুরের জেলা প্রশাসক রাহাত আনোয়ার উপজেলার বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। ভোট গ্রহন চলাকালে কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

Leave A Reply

Pinterest
Print