বজ্রপাতে চার জেলায় ৭ জনের মৃত্যু

0

ডেস্ক রিপোর্ট:

বজ্রপাতে বুধবার দুপুরে নাটোর, সিরাজগঞ্জ, গাইবান্ধা ও বগুড়ায় সাত জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে নাটোরের এক স্কুলছাত্র ও এক কৃষক, গাইবান্ধার এক যুবক, সিরাজগঞ্জের এক কিশোর ও এক নারী এবং বগুড়ার এক শিশু ও এক নারী ।

নাটোর: নাটোরে মৃতরা হলেন লালপুর উপজেলার জোতগাড়ি গ্রামের হাসান আলীর ছেলে সেলিম হোসেন (৮) ও সিংড়ার শালিকা গ্রামের কৃষক আহম্মদ আলী। সিংড়ায় আহত হয়েছে দুই কৃষক। সংশ্লিষ্ট থানার দুই ওসি পৃথকভাবে এসব মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করেন। এলাকাবাসী জানান, দুপুরে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে লালপুর উপজেলার জোতগাড়ি সেলিম হোসেন  বজ্রপাতে আহত হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লে¬ক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। সিংড়া উপজেলার শালিকা গ্রামের কৃষক আহম্মদ আলী, আব্দুল হালিম ও জাহিদুল ইসলাম বাড়ির পাশের জমিতে পাট কাটছিলেন। এ সময় বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলে আহম্মদ আলীর মৃত্যু হয়। আহত হন আব্দুল হালিম ও জাহিদুল ইসলাম। আহত হালিম ও জাহিদুলকে নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গাইবান্ধা: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় মৃত শফিক মিয়া (৩২) চর চরিতাবাড়ি গ্রামের আব্দুস সোবহান মিয়ার ছেলে। হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোজাহারুল ইসলাম বলেন, শফিক বৃষ্টিতে ভিজে বাড়ির উঠানে সাংসারিক কাজ করছিলেন। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার।

সিরাজগঞ্জ: উল্লাপাড়ায় ফুটবল খেলার সময় বজ্রপাতে এক কিশোরসহ দুইজনের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয় আরো দুইজন। মৃতরা হলেন উল্লাপাড়ার কয়রাদত্তপাড়া গ্রামের পল্লী চিকিৎসক আব্দুস সামাদের স্ত্রী সুন্দরী বেগম (৪৫) ও  সলপ ইউনিয়নের শাহীকোলা গ্রামের আব্দুল আউয়ালের ছেলে সোহাগ (১৪)। উল্লাপাড়া মডেল থানার ওসি তাজুল হুদা জানান,  দুপুরে পঞ্চক্রোশী আলী আহমদ দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী বৃষ্টিতে ভিজে বিদ্যালয়ের মাঠে ফুটবল খেলছিল। এসময় আকস্মিক বজ্রপাত সোহাগ ঘটনাস্থলেই মারা যায়। উপজেলা সদরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান সুন্দরী। বাকিদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

বগুড়া: বগুড়ায় মৃতরা হলেন শেরপুর উপজেলার হাপুনিয়া গ্রামের ইশারতের স্ত্রী রাহেলা (৫০) ও ফুলবাড়ি গ্রামের কামরুল ইসলামের মেয়ে শিশু তামান্না(৮) ।আহতরা শিশুরা হলো ফুলবাড়ি গ্রামের জাকারিয়া (১২), তাওহিদুল ইসলাম (১৬), শাপলা (৭) ও ববি খাতুন (১০)। শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নাজমা আক্তার জানান, হাসপাতালে আনার পথে তামান্না মারা যায়। আহত অন্য শিশুদের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। শেরপুরের হাপুনিয়া গ্রামের চারুমিয়া জানান, ঘরের বারান্দায় কাজ করার সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই রাহেলার মৃত্যু হয়।

Leave A Reply

Pinterest
Print