মারাত্মক দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা

0

মারাত্মক দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে

কেফায়েত উল্লাহঃ

পিরোজপুরের জিয়ানগরে উপজেলায় ২০ টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একাডেমি ভবন পাঠদানের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। তার মধ্য প্রায় ১০টিভবন অতি ঝুঁকিপূর্ণ  হওয়ায় সেখানে পাঠদান করা হয় না। চার বছর ধরে কাগজে কলমে ঝূকিপূর্ণ ভবনের তালিকা তাকলেও সংস্কার  কিংবা নতুন ভবন নির্মাণে  প্রশাসন কোনো উদ্যোগ নেয়নি ।

দুর্ঘটনার  আশংস্কায় রয়েছে কয়েক হাজার শিক্ষার্থী। উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়সূত্রে জানা গেছে  ঝুঁকিপূর্ণ  বিদ্যালয়গুলো সংস্কার না হলে  যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশংকা রয়েছে । ইতিমেধ্য দায়িত্বপাপ্ত উপজেলার শিক্ষা কর্মর্কতা সব গূলো প্রাথমিক বিদ্যালয় পরির্দশন করে তালিকা তৈরী করেছেন।

যে সব বিদ্যায়ের ভবন ঝুকিপুর্ণ হওয়ায় পাঠ দান প্রায় বন্ধের  পথে সে গুলো হল  রামচন্দপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়,  উওর ভবানীপুর সরকারী প্রাথমিকবিদ্যালয়, পাড়েরহাট উমেদপুর  সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, উওর চন্ডিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,  উওর ছাপাখানা প্রাথমিক বিদ্যালয়, মধ্য কলারন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়,পশ্চিম চাড়াখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, মধ্যকালাইয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিন ইন্দুরকানী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিন কালাইয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়  সহ ২০টি বিদ্যালয় ভবন ঝূকি পূর্ন রয়েছে।

17

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রধান শিক্ষক জানান , ঝুকিপূর্ণ বিদ্যালয়ের সংস্কারের জন্য ডাকযোগে কর্তৃপক্ষের বরাবরে আবেদন পাঠানো হয়েছে। ইতি পূর্বে সরাসরি আবেদন পত্র দিলেও তার কোন সাড়া মিলেনি।

সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, একাধীক বিদ্যালয়ে তাবুটানিয়ে ক্লাস নিচ্ছেন  শিক্ষকবৃন্দ । আবার কয়েকটি বিদ্যালয় ক্লাস রুম ঝূকিপূর্ণ  থাকায় বিদ্যালয়ের আশে পাশে অন্যত্রস্থানে পাঠদান  করানো হচেছ। বিদ্যালয়ে দরজা ছাড়া টিনের চালায়  চলছে পাঠদান । সেখানে বিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়ে রয়েছে। এছাড়াও অনেক বিদ্যালয়ের দরজা-জানালা  কিছুই নাই।

এ ব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী জানান, ঝুকিপূর্ণ স্কুলগুলো আমরা পর্যায়ক্রমে পরিদর্শন করছি। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট লিখিত ও মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার পূরবী রাণী জানায়, উপজেলা ৬৯টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে দেখা যায় অনেক গুলো ঝূকি পূর্ন রয়েছ । আমরা আগে ঝূকিপূর্ণ তালিকা দিয়েছি আবারও আমরা কয়েকটি বিদ্যালয়ের নাম পাঠিয়েছি সংস্কার ও পূর্ণ নির্মানের জন্য। বরাদ্দ পেলেই সংস্কারের কাজ করা হবে।

বাংলাদেশেরপত্র. কম /এডিএমএম  

Leave A Reply

Pinterest
Print