মেয়ের জন্য গৃহশিক্ষক কতটুকু নিরাপদ?

0

রকমারি ডেস্ক:
পুরুষের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পিছিয়ে নেয় আজকের নারী। জ্ঞান-শিক্ষা চর্চায় সমান অবদান রাখতেও সক্ষম। আর কেনই বা পারবে না- নারীর আছে ইচ্ছা, যোগ্যতা আর একনিষ্ঠতা। কখনো কখনো এগিয়ে চলার এ যাত্রায় পড়ে যায় ছেদ। কর্মব্যস্ত বাবা-মা হয়তো সব সময় মেয়েটিকে সঙ্গ দিতে পারেন না। তাই স্কুলে যাওয়া-আসা আর গৃহশিক্ষকের কাছে পড়ার সব সময়ই তাকে থাকতে হয় অরক্ষিত। আর এই সুযোগে হয়তো পাঠদানের মতো মহান পেশায় নিয়োজিত শিক্ষকই করে ফেলেন কোনো অঘটন। খবরের কাগজগুলোতে প্রায়ই দেখা যায় এমন কিছু খবর যা তাক লাগার মতোই। ক্লাস টু থেকে শুরু করে এস.এস.সি বা এইচ.এস.সি সব লেভেলেই ধর্ষণের মতো জঘন্ন পরিনতিতে পড়ছে ভাগ্যহত মেয়েগুলি। অনেকের হয়তো জীবন প্রদীপ নিভে যাচ্ছে এখানেই। কেউ কেউ কলঙ্কময় জীবন নিয়ে বড় হচ্ছে।যা সুশীল সমাজের কারোরই কাম্য নয়। আসলে এই রকম দুর্ঘটনা কখন, কার দ্বারা ঘটে বলা খুব মুশকিল। খুব বিশ্বস্ত মানুষও করে ফেলে অনেক অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য কাজটি। সমাজ যত আধুনিক হচ্ছে, ততই এসব জঘন্য কাজও বেড়ে যাচ্ছে। অথচ মুখে বলা হচ্ছে ছেলে মেয়ের কোন ভেদাভেদ নাই। এ ব্যাপারে কয়েকজন অবিভাবকের সঙ্গে কথা বলা হয়। আজিমপুর ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণি পড়–য়া কেয়া। তার মা সুলতানা আহমেদ বলেন, ‘কর্মজীবী বাবা মায়েরা বাসায় ফেরার আগেই হয়ত তাদের বাচ্চাটিকে গৃহশিক্ষক পড়াতে আসেন। তাই সচেতনতা অবলম্বন করা উচিত। আদৌ তাদের সন্তানটি সেই গৃহশিক্ষক দ্বারা, শারীরিক, মানসিক বা যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছে কিনা জানা দরকার’। বাস্তবে এমন ঘটনা সব পেশার মা-বাবার সন্তানের ক্ষেত্রেই হতে পারে। তবে চাকরিজীবীদের সন্তানের ক্ষেত্রে বেশি দেখা যায়। তাই সচেতন থাকা চায় সবারই। একটা বয়সের পর মেয়েদের জন্য পুরুষ গৃহশিক্ষক রাখা ঝুঁকিপূর্ণ। আর এখন তো মেয়েরাও বাসায় গিয়ে পড়ায়। এছাড়া ছোটবেলা থেকেই ছেলে-মেয়েদের আÍ-রক্ষা করার ব্যাপারটা বুঝাতে হবে। বিশেষ করে মেয়ের সঙ্গে মা বন্ধুর মতো স¤পর্ক গড়ে তুলতে পারেন। তাকে আগে থেকেই সব ধারণা দিয়ে সাবধান রাখতে পারেন। ধীরে ধীরে তাদের পৃথিবীর এই নোংরা দিক স¤পর্কে জানাতে হবে। কারণ, এই বিষয় গুলো প্রতি নিয়তই দেশের কোথাও না কোথাও হচ্ছে।চাইলে বাচ্চাদের কারাটে শিখানো যেতে পারে। এর ফলে বাচ্চাটি আÍবিশ্বাসী হবে। সে বিশ্বাস করতে পারবে যে ছোট হলেও সে নিজের আÍ রক্ষা করতে পারবে। এছাড়া সব সময় যে ভাল মহিলা গৃহশিক্ষক পওয়া যাবে তাও নয়। তাই শিক্ষক নির্বাচনে কিছু বিষয় মেনে চলা উচিৎ..
– গৃহশিক্ষক নির্বাচনের ক্ষেত্রে সময় নিন। ভাল ইন্টার্ভিউ নিন। গৃহশিক্ষককে বোঝার চেষ্টা করুন।
– আপনার বাড়ি ফেরার সময় এডজাস্ট না করতে পারলে, শিক্ষকেরটা এমনভাবে এডজাস্ট করুন যাতে এরকম পরিস্থিতি না হয়।

Leave A Reply

Pinterest
Print