লালপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানীর প্রতিনিধিদের আনাগুনা

0

                              চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন রোগীরা

লালপুর( নাটোর) প্রতিনিধি : সরকারী নিয়ম তোয়াক্কা না করে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তার উদাসিনতার কারনে বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানীর প্রতিনিধিদের ( রিপেজিন্টিপ) আনাগুনার কারণে ও চিকিৎসকরা নিয়মিয়ত কর্মস্থানে না থাকার জন্য রোগীরা চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে । হাসপাতালে টিউবয়েলের অভাবে জন্য পানির সংকটে পড়চ্ছে রোগীরা । জানা যায়, সকাল নয় (৯) টা থেকে দুপুর দুই(২)টা পর্যন্ত রোগী দেখার রির্ধারিত সময় হলেও চিকিৎসকরা রোগী না দেখে উৎকোচের বিনিময়ে ঔষধ কোম্পানীর প্রতিনিধিদের ( রিপেজিন্টিপ) সঙ্গে সময় দিচ্ছেন । এতে রোগীরা চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে । বিষয় গুলো হাসপালের স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ আজমেরী বেগম জানলেও এ বিষয়ে কোন প্রকার প্রদক্ষেপ গ্রহন করছে না । তার উদাসিনতার কারণে হাসপাতালে চিকিৎসকরা নিয়মিয়ত কর্মস্থানে উপস্থিত থাকেনা । দিন দিন ঔষধ কোম্পানীর প্রতিনিধিদের আনাগুনায় মুখরিত হয়ে উঠছে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকা । সরজমিনে রবিবার সকাল আনুমানিক ১০ টা ১৫ মিনিটে হাসপাতালে সহকারী সার্জন ডাঃ মমতাজুল হাসান, সহকারী সার্জন ( আই এমও) ডাঃ তারজিনা হান্নান ফ্লোরা,সহকারী সার্জন পাথলজিষ্ট ডাঃ অনামিকা দাস, দুড়দুড়িয়া ইউনিয়ন কমিনিটি সেন্টার সহকারী সার্জন ডাঃ মাহামুদ ইকবাল হাফিজ, আড়বাব ইউনিয়ন কমিনিটি সেন্টার সহকারী ডাঃ জ্যোতির্ময় চৌধুরী কে কর্মস্থানে দেখা যায়নি । সরকারী ভাবে চিকিসকদের নিজ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ কর্মস্থান দিয়েছেন । জেন গ্রাম পর্যায়ে অসহায় মানুষরা চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত না হয় । কিন্তু চিকিৎসকরা নিজ এলাকার উপজেলা কমপ্লেক্সে এসে সঠিক ভাবে রোগীদের চিকিৎসা সেবা না দিয়ে বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানী প্রতিনিধিদের নিকট থেকে উৎকচ নিয়ে তাদের সঙ্গে সময় দিচ্ছেন । স্থানীয় এক ইট ভাটার ব্যবসায়ী ও আওয়ামীলীগের নেতার পুত্র উপজেলা কমপেলেক্সের একজন চিকিৎসক। তিনি রোগীদের সঙ্গে প্রভাব ও হুমকি ধমক দিয়ে বলে তোরা ইচ্ছা হলে হাসাপাতালে আসবি । আমার যখন ইচ্ছা হবে আমি রোগী দেখব । চিকিৎসক ও নার্সদের জন্য হাসপাতালে আবাসিক ব্যবস্থা থাকলেও বেশীর ভাগ চিকিৎসক ও নার্সরা নিজ বাড়ীতে থাকে । চিকিৎসক ও নার্সদের থাকার কক্ষ গুলি জরার্জিন ও খালি অবস্থায় পড়ে আছে । এতে সরকার রাজস্ব আয় থেকে বাঞ্চত হচ্ছে । হাসপাতালের মহিলা ও পুরুষ কক্ষের পায়খানার পানি নিস্কাসন ব্যবস্থা নাজুক থাকায় রোগীরা পায়খানা ব্যবহার করতে বিগ্ন ঘটচ্ছে । সরকার থেকে আসা বিভিন্ন প্রকারের ঔষধ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে রোগীরা । এসব সম্যসার জন্য রোগীদের মাঝে হতাশা দেখা দিয়েছে । হাসপাতালে রোগীদের সঙ্গে কথা বলে তারা জানান, আপনরা হাসপাতালের সঠিক চিত্র পত্রিকায় তুলে ধরুন । আমরা যেন চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত না হয় । এব্যাপারে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ আজমেরী বেগম বলেন, হাসপাতালের যে সকল সম্যসা গুলি আছে আমরা খুব শিঘ্রয় কাটিয়ে উঠব ।

এব্যাপারে সিভিল সার্জন ডাঃ নিলুফার ইয়াসমিন বলেন, আমি বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানীর প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে প্রদক্ষেপ গ্রহনের জন্য লালপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্ত নিকট লিখিত চিঠি দিয়েছি । এব্যাপারে এখন তিনি ব্যবস্থা নিবেন । অনান্য সম্যমা গুলি তিনি দেখবেন ।

Leave A Reply

Pinterest
Print