সরকারি রাজস্ব ফাঁকির মহোৎসব ! দেখার কেউ নেই ?

0

 গরুর খাঁটাল

সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ

গরুর খাঁটাল দীর্ঘ দিন যাবত বন্ধ হলেও থেমে নেই  সাতক্ষীরা গাজীপুর সীমান্তের চোরাকারবারী । চোরাই পথে গরু দেশের অভ্যান্তরে প্রবেশ করিয়ে সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী বিজিবিসহ  আইন প্রয়োগকারী  সংস্থার চোখ ফাঁকি দিয়ে, সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে  প্রতিদিন  গরু দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করাচ্ছে ।

পাশা পাশি  গাজীপুর সিমান্ত দিয়ে  বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করিয়ে মাদক চোরাচালানের প্রধান রুট হিসেবে ব্যাবহার করা হচ্ছে গাজীপুর  সীমান্তকে।

সীমান্ত এলাকার একাধিক সুত্র জানায় , সাতক্ষীরা গাজীপুর সীমান্তের চোরাকারবারীরা  চোরাকারকারীতে তৎপর হয়ে উঠেছে। বিজিবি ও পুলিশ প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে দেদারছে চোরাকারকারীরা চালিয়ে যাচ্ছে তাদের কার্যক্রম ।

সাতক্ষীরা গাজীপুর সীমান্ত  দিয়ে উক্ত চোরাকারকারীদের হোতা গাজীপুরের শ্রী মংলা সরকারের  পুত্র  নীলকান্তের নেতৃত্বে তার সহযোগীরা দিনে দুপুরে ও গভীর রাতে রসুন সহ বিভিন্ন ধরনের পন্য পার্শ্ববর্তী  দেশে পাঠাচ্ছে ,পাশাপাশী তারা ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন প্রকার মাদকদ্রব্য , কলকব্জা ও যেীন উত্তেজক ট্যাবলেটসহ  বিভিন্ন প্রকার পন্য দেশে ঢোকাচ্ছে। এদিকে এই নীলকান্তের নেতৃত্বে ভারত থেকে আসা গরু নকল কাগজপত্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো  হয় বলে অভিযোগ উঠেছে ।

ইতোপূর্বে তার বিরুদ্ধে এসকল অপকর্মের জন্য কয়েকটি পত্র পত্রিকায় অনেক লেখালেখি হয়েছে । কিন্তু প্রশাসন তার বিরুদ্ধে তদন্ত পুর্বক এলাকাবাসির আশানুরুপ কোন ব্যবস্থা গ্রহন করতে পারেনি।

এ সকল অবৈধ্য কর্মকান্ডের বিষয়ে সাতক্ষীরার মোঃ মফিজুল ইসলাম , সিনিয়ার সচিব সরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়, বরাবর-সাতক্ষীরা জেলার সদর থানার অন্তর্গত গাজীপুর খাঁটালের আড়াল দিয়ে চোরাকারবারী নীলকান্ত সরকারি বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার বিষয় পুনঃ তদন্তের জন্য আবেদন জানান। আবেদন পত্রটি সরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় থেকে জেলা প্রশাসকের কার্যলয় হয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এর মাধ্যমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর নিকট প্রদান করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিস থেকে উক্ত পত্রের নির্দেশনা অনুযায়ী আবেদনকারী জনাব মোঃ মফিজুল ইসলামের আবেদনে উল্লিখিত বিষয়সমুহ এবং এই সাথে সংযুক্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় কর্তৃক গত ২২/০৯/১৪ তারিখে ১১৩ নং প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জারীকৃত নীতিমালার ৪(ঘ) উপআনুচ্ছেদ অনুসারে সকল বিষয় পুনঃতদন্ত করে সুস্পষ্ট মতামতসহ প্রতিবেদন প্রদানের জন্য সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ এর নিকট  পত্রটি পেরণ করেছেন ।

এলাকাবাসী জানান  প্রশাসন এখনও যদি এই ধরনের চোরাকারবারীদের  বিরুদ্ধে সচেতন হয়ে কঠোর ব্যাবস্থা  গ্রহন না করে তাহলে মাদক এবং নেশা জাতিয় জিনিসে আমাদের যুব সমাজ যেমন ধ্বংসের দ্বরপ্রন্তে চলে যাবে তেমনি সরকারও প্রচুর পরিমানে রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত  হবে ।

 তার নামে কয়েকটি মামলা বিচারাধিন আছে । নীলকান্ত সহ অন্যান্য  চোরাকারবারীর হাত থেকে যুবসমাজ ও এলাকাবাসী রক্ষা পাওয়ার জন্য প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপ প্রয়োজন ।

বাংলাদেশের পত্র. কম /এডিএমএম

Leave A Reply

Pinterest
Print