সাটুরিয়ায় ২৭ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই

0

download (3)সাটুরিয়া(মানিকগঞ্জ)প্রতিনিধি:  মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার নয়টি ইউনিয়ন এলাকার ২৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এ ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার ৩২ জন সহকারী শিক্ষকের পদও শূন্য। উপজেলায় ৮০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে। এসব বিদ্যালয়ের ২০-২৫জন শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রধান শিক্ষকসহ সহকারী শিক্ষক সংকটের কারণে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। অথচ আর কয়েক দিন পরই প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা। এর প্রভাব বিদ্যালয়গুলোর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফলাফলে পড়বে।

উপজেলার এ আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল বাশার বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ৩জন সহকারী শিক্ষক না থাকায় খুব সমস্যায় পড়েছেন তাঁরা। প্রশাসনিক বিভিন্ন কাজে প্রধান শিক্ষককে প্রায়ই বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয় তখন সমস্যা আরও প্রকট হয় বলে তাঁরা জানান। একই ধরনের কথা বলেন, কালিকা বাড়ি সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোশারফ হোসেন। তাঁরাবাড়ি ফেরাজি পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির পাঁচজন শিক্ষার্থী জানায়, প্রধান শিক্ষক না থাকায় ঠিকমতো ক্লাস হয় না।

উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩২ জন সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। উপজেলার বরাইদ ইউনিয়নের চকমধুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হাতিম আলী বলেন, ২১০ জন শিক্ষার্থীর এ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ থাকলেও গত জানুয়ারী ২০১৩ থেকে তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্বে আছেন, তিনি আরো জানান, আমাদের বিদ্যালয়টি ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই আমি প্রধান শিক্ষক হিসেবে ছিলাম। কিন্তু সরকার আমাদের বিদ্যালয়টি ২০১৩ সালে জাতীয়করণ করার পর আমাদের বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য করেছেন।

সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মুহাম্মদ রোকনুজ্জামান বলেন, বদলি ও অবসর গ্রহণের কারণে প্রধান শিক্ষকের ২৭টি ও সহকারী শিক্ষকের ৩২টি পদ খালি রয়েছে।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সাবেরা সুলতানা বলেন, প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি ও সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হলে এ সমস্যার সমাধান হবে। তিনি আরো বলেন, সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করতে শূন্যপদগুলোর তালিকা আমরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠিয়ে দিয়েছি।

Leave A Reply

Pinterest
Print