বাঘায় ঈদকে সামনে রেখে পশুর দাম বেশি; হাটে ক্রেতাদের উপচে পড়া

0
58

 ভিড়!বাঘা প্রতিনিধি, রাজশাহী:
কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে রাজশাহীর বাঘা উপজেলাসহ বিভিন্ন এলাকার পশুর হাটেই গরু, ছাগল ও ভেড়ার আমদানি বাড়ছে। ঈদ ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে বাড়ছে ক্রেতাদের ভিড়ও। ঈদের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি, ক্রেতারা সামর্থ্যানুযায়ী পশু কেনার জন্য চষে বেড়াচ্ছেন বিভিন্ন হাটে। বিক্রেতারাও কাক্সিক্ষত দাম পাওয়ার আশায় পশু নিয়ে ছুটছেন হাটগুলোতে।
জানা যায়, প্রতি বছরের ন্যায় ঈদ-উল-আযহাকে সামনে রেখে রাজশাহীর বাঘা সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করতো ভারতীয় গরু; কিন্তু এবার এখন পর্যন্ত গরু প্রবেশ করেনি। এর ফলে সীমান্তবর্তী বাঘা উপজেলার প্রধান দুইটি পুশু হাট রুস্তমপুর ও চণ্ডিপুরসহ পুঠিয়ার-বানেশ্বর, নাটোর জেলার তেবাড়ি ও গোপালপুর এবং পাবনার অরণ কোলায় পশুর দাম অনেক বেশি।
স্থানীয় ক্রেতারা জানান, রাজশাহী, নাটোর ও পাবনার একটি অংশ নিয়ে সপ্তাহ জুড়ে এই অঞ্চলে গরুর হাট বসে। এর মধ্যে রাজশাহীর সিটি হাটসহ পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বরের হাট বসে প্রতি শনিবার, বাঘার রুস্তমপুরে বুধবার এবং চণ্ডিপুরে হাট বসে শুক্রবার। অপর দিকে নাটোর জেলার তেবাড়িতে হাট বসে প্রতি রবিবার ও গোপালপুরে সোমবার। এ ছাড়াও পাবনার অরণ কোলায় হাট বসে প্রতি শুক্র ও মঙ্গলবার।
সরেজমিন গত শুক্রবার বাঘার চন্ডিপুর গরুহাট ঘুরে দেখা গেছে, বেচা-বিক্রি ভালই জমে উঠেছে। সকাল থেকে গরু-ছাগল আসতে শুরু করছে হাটে। এরপর একটানা বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলে অসংখ্য গরু-ছাগলের আমদানি ও বেচা-বিক্রি। বিক্রেতারা বলছেন, এ বছর পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে গরু আমদানি না হওয়ায় এবার পশুর দাম বাড়লেও চাহিদা পূরণ করছে উপজেলার পদ্মার চরাঞ্চলে পোষা দেশি গরু। তাদের মতে, যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল হওয়ায় রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ক্রেতা-বিক্রেতা আসছেন এই হাটে।
বাঘা মোজাহার হোসেন মহিলা ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মো. মোখলেছুর রহমান এবং উপজেলার মনিগ্রাম এলাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. দুলাল হোসেন মোল্লা বলেন, কোরবাণির পশু পরীক্ষা করার জন্য হাটে সরকারিভাবে ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। এদিকে হাট বাজারগুলোতে পশুর রোগ পরীক্ষায় স্থানীয় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তেমন কোনো তৎপরতা চোখে পড়েনি। এবার ভারতীয় গরুর না থাকায় দেশি গরুর ব্যাপক কদর বেড়েছে। এদিকে সুযোগ নিয়েছেন বিক্রেতারা। দাম হাঁকছেন ইচ্ছেমতো। কিন্তু এবার ক্রেতারাও বেশ সচেতন। বিক্রেতাদের হাঁকা দামে তারা সাড়া দিচ্ছেন না। এছাড়াও বাজার সুবিধাজনক অবস্থা না থাকলেও ঈদের সাত দিন আগে থেকে পশু কেনার ধুম পড়বে বলে আশা করছেন বিক্রেতারা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here