Connect with us

দেশজুড়ে

অব্যবস্থাপনা ও নজরদারির অভাব খুঁড়িয়ে চলছে ঠাকুরগাঁয়ে আনন্দ স্কুলের কার্যক্রম

Avatar photo

Published

on

 ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:
অব্যবস্থাপনা আর নজরদারির অভাবে ঠাকুরগাঁও জেলায় এক প্রকার চলছে আনন্দ স্কুলের শিক্ষা কার্যক্রম। দেশের সুবিধাবঞ্চিত হত দরিদ্র ঝড়ে পড়া শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে ২০০৪ সালে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে চালু করা হয় রিচিং আউট অব স্কুল চিলড্রেন (রস্ক) প্রকল্প। এই প্রকল্পের আওতায় দেশের প্রায় সবকটি উপজেলায় চালু করা হয়েছে আনন্দ স্কুল। এরই ধারাবাহিকতায় ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রতিষ্ঠা করা হয় ২৯৩টি স্কুল। আনন্দ স্কুল ২’শ ৯৩ জন শিক্ষক ও প্রায় ৮ হাজার ৭শ’ ৯০ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে। শুরুর দিকে ভালোভাবে চললেও এখন আর আগের মতো লেখাপড়া হয়না এসব স্কুলে। কারণ হিসেবে নামমাত্র সম্মানি, অবকাঠামোগত অসুবিধা, যথাযথ সুন্দর পরিবেশের অভাব, একজনমাত্র শিক্ষক, কর্তৃপক্ষের নজরদারির অভাব ও নানা অনিয়মকেই দায়ী করছেন বিশ্লেষকরা। আর এসব কারণেই বিদ্যালয়গুলোতে দিন দিন কমছে শিক্ষার্থীর সংখ্যা। বিদ্যালয়গুলোতে সংখ্যায় মাত্র একজন হলেও কঠোর পরিশ্রম করে ঝড়ে পড়া শিশুদের শিক্ষিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন শিক্ষকরা। শিক্ষকদের এই নিরলস পরিশ্রমের ফলে শিক্ষা কার্যক্রম ১ম শ্রেণি থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত উন্নীত করা সম্ভব হয়েছে। শুরুতে শিক্ষকদের সম্মানি দেওয়া হতো মাত্র ২ হাজার টাকা, বিগত জানুয়ারি মাস থেকে তা বাড়িয়ে করা হয়েছে ৩ হাজার টাকা।
স্কুলগুলোতে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াটি এলাকা ভিত্তিক কমিটির মাধ্যমে হওয়ার কারণে দেখা দেয় স্বজনপ্রীতি। ফলে কিছু অযোগ্য ব্যক্তিও এখানে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান। অযোগ্য এসব শিক্ষক নিয়ম বহির্ভূতভাবে সুবিধা লাভ করার চেষ্টা করে। এর অংশ হিসেবে তারা কিছু ভুয়া ছাত্র-ছাত্রী দেখিয়ে বিভিন্ন এলাকায় স্কুলের অনুমোদন নেয়। কিন্তু দেরিতে হলেও এ বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসলে ৩৯টি স্কুল বন্ধ করে দেয়া হয়। বর্তমানে ঠাকুরগাঁও জেলায় ২৫৪টি স্কুলে পাঠ দানের কাজ চলছে। এই স্কুলগুলোতে প্রায় ৩ হাজার ৮শ’ জন ছাত্র-ছাত্রী লেখাপড়া করছে। বর্তমানে স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি লাল-সবুজ রঙের ইউনিফর্ম ও উপবৃত্তির জন্য তিনমাস পর পর ৩০০ টাকা করে বছরে মোট ১ হাজার ২০০ টাকা প্রদান করা হয়। কিন্তু এখানেও শোনা যাচ্ছে দুর্নীতি আর অনিয়মের অভিযোগ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আনন্দ স্কুলের শিক্ষক জানান, শিক্ষার্থীদের জন্য যে পরিমাণ বরাদ্দ সরকার থেকে দেয়া হয়, তার যথাযথ ব্যবহার করা হয় না। এ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়মিত আত্মসাৎ করছে একটি মহল।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার লিয়াকত আলী সরকার জানান, অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি। প্রমাণ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি আরো বলেন, পূর্বে শিক্ষকদের কোন প্রশিক্ষণ ছাড়াই চলছিল স্কুলের সকল কার্যক্রম। কিন্তু এ বছর শিক্ষকদের জন্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বর্তমানে ৭ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুরা পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করার সুযোগ পাচ্ছে আনন্দ স্কুলে। এসব স্কুলের শিক্ষার্থীরা এবার সমাপনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

গাজীপুর

মাদক দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগ কোনাবাড়ি থানার এএসআইয়ের বিরুদ্ধে

Avatar photo

Published

on

গাজীপুর প্রতিনিধি :

ঘুষ না দেয়ায় মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) কোনাবাড়ি থানা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে। তিনি কোনাবাড়ির বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক অন্যায় করে বেড়াচ্ছেন। তার বিরুদ্ধে রয়েছে বেশকিছু অভিযোগ।

এ সংক্রান্ত বিষয়ে নিয়ে ওই এএসআই রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীর দাদা মোঃ লাল মিয়া (৬২) নামে এক ব্যক্তি গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসি অপরাধ (উত্তর) বিভাগে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য লিখিত অভিযোগ করেছেন। তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এএসআই রুহুল আমিন।

লিখিত অভিযোগে লাল মিয়া জানায়, গেল ৪-ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা অনুমান সাড়ে ৫টার দিকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন কোনাবাড়ি থানা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এসএআই) রুহুল আমিন ও তার সঙ্গী ফর্মা (সোর্স) মিলে লাল মিয়ার নাতী ইমনকে আমবাগ লালঘাট ব্রিজের কাছে থেকে আটক করে।

পরে তাকে ধরে নিয়ে মিতালী ক্লাব সংলগ্ন ভুক্তভোগীর বর্তমান ঠিকানার ভাড়াবাসায় এসে মাদকদ্রব্যের কথা বলে ঘরে প্রবেশ করেন ওই দারোগা এবং তার সোর্স মোঃ শরিফ মিয়া। এ সময় তাদের ঘরে থাকা বিভিন্ন আসবাবপত্র বিছানা, আলমারি, সুকেশ তল্লাশি করেন তারা। তল্লাশিরকালে ইমনদের বাসায় মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত কোনো কিছুই পায়নি ওই পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক।

এ পর্যায়ে তাদের ঘর তল্লাশি শেষে কিছু না পেয়ে এএসআই রুহুল আমিন ও তার সঙ্গে ফর্মা (সোর্স) ঘরে থাকা স্টিলের আলমারি থেকে নগদ তিন হাজার টাকা, সুকেশ এর ড্রয়ার থেকে আট আনা স্বর্ণের একটি চেইন, আট আনা ওজনের একজোড়া স্বর্ণের কানের দুল, তিন আনা ওজনের একটি আংটি এবং ব্যবহৃত অপ্পো ব্রান্ডের পুরাতন মোবাইল সেট নিয়ে নেয়।

পরে পুলিশের সঙ্গে থাকা সোর্স শরিফ এবং চাঁন মিয়া অভিযোগকারীর নাতী ইমনকে মারধর করে এবং টাকা দিতে বলে। টাকা না দিলে মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়া হবে বলে ইমনের মাকে হুমকী দিয়ে ইমনকে নিয়ে চলে যায়।

লিখিত অভিযোগকারী ইমনের দাদা লাল মিয়া বলেন, এরপর ৫-ফেব্রুয়ারি অনুমানিক রাত দেড়টার দিকে এএসআই রুহুল তার সোর্স মোঃ শরিফ (২০বাসায় পাঠায় এবং ১নং আসামি ইমনের মা রাশেদা বেগমের কাছে (৫০) পঞ্চাশ হাজার টাকা দিতে বলে। ৫০ হাজার টাকা দিলে থানা থেকে তার ছেলে ইমনকে ছেড়ে দেয়া হবে।

অভিযোগকারী লাল মিয়া জানায়, তার ছেলে নুর আলম নাতী ইমনসহ পরিবার নিয়ে বর্তমান ঠিকানায় দুই বছর যাবৎ বসবাস করছেন। ইমনের বাবা নুর আলম নছের মার্কেট এলাকায় ভিভিন্ন ঝুটগুদামে ডেইলী লেবারের কাজ করেন। আর নাতী ইমন বাসায় থেকে সুইং মেশিন চালিয়ে প্যান্ট ও গেঞ্জির কাজ করে সংসার চালিয়ে আসছে। আমি এবং আমার পরিবারের কেউই কখনো মাদকদ্রব্য সেবন, গ্রহণ এবং ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে সম্পৃত্ততা নেই এমন কি এলাকার কেউ বলতে পারবে না যে, আমার নাতী ইমন মাদকের সংঙ্গে জড়িত।
অথচ দারোগা রুহুল সন্দেহ বশত্ব রাস্তা থেকে আমার নাতীকে গ্রেপ্তার করেন। ওই পুলিশ কর্মকর্তা টাকা চেয়েছিল, মূলত টাকা না দেয়ার কারণে আমার নাতিকে মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দিয়ে জেলে প্রেরণ করেছেন রুহুল দারোগা। এই বিষয়ে সত্যতা যাচাইয়ের জন্য আমার বর্তমান ঠিকানা ভাড়া বাসার সামনে স্থাপনকৃত সিসি ক্যামেরায় সংরক্ষিত সব ভিডিও ফুটেজ রয়েছে। ওই ভিডিও ফুটেজে এএসআই রুহুল আমিনসহ সোর্সদের দেখা গেছে ইমনের বাসায় ঢুকতে। ভিডিও ফুটেজে ইমনকে মারপিট করার শব্দও শোনা গেছে।

ইমনের বাবা নুর আলম বলেন, আমার ছেলে ইমনের সঙ্গে মিতালী ক্লাব উত্তরপাড়া এলাকার নয়ন (১৯) কেও গ্রেপ্তার করে হয়। নয়নকে ১৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট আর আমার ছেলেকে ২৫পিস ইয়াবা চালান করা হয়েছে।

তিনি বলেন, রুহুল নয়নের পরিবারের কাছ থেকে ৪০ হাজার টাকা নিয়ে নয়নকে ১৫পিস ট্যাবলেট দিয়েছে।

ইমনের বাবা বলেন, আমি গরীব মানুষ বিভিন্ন ঝুট-গুদামে লেবারের কাজ করে কোনো মতে সংসার চালায়। আমার ছেলেকে যেদিন গ্রেপ্তার করা হয় সেদিন বরিশালে পীরের দরবারে ছিলাম। বাসায় এসে শুনি আমার ছেলে ইমনকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার করে জেলে দেয়া হয়েছে। আমি মেয়ের জন্য আস্তে আস্তে কিছু স্বর্ণের জিনিস করেছিলাম সেগুলোও ওই পুলিশ নিয়ে গেছেন। সোর্স ওবায়দুল ওই গয়না গুলো খুলে নেন। টাকা দিতে পারিনি বিধায় আমার ছেলেকে মাদক মামলায় জড়ানো হয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, ইমনকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর পরে তারা খুব মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছে। এর প্রতিকার চেয়ে দারোগা রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে বর্ণিত বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্তের দাবী করে লিখিত অভিযোগ করেছি।

তবে এসব অভিযোগ এএসআই রুহুল আমিন অস্বীকার করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে তারা মিথ্যা অভিযোগ করছেন।

জিএমপি কোনাবাড়ি থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ মহিউদ্দিন ফারুক জানান, অন্যায় করতে পছন্দ করি না, কেউ যদি অন্যায় করে সমর্থনও করি না, পুলিশের কেউ যদি এমন অপরাধ করে থাকে তাহলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আছেন তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নিবে।

Continue Reading

গাজীপুর

গাজীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় শ্রমিকের মৃত্যু, মহাসড়ক অবরোধ-গাড়ি ভাংচুর

Avatar photo

Published

on

গাজীপুর মহানগরীর কুনিয়া তারগাছ এলাকায় মহাসড়ক পার হওয়ার সময় গাড়ির ধাক্কায় এক নারী পোশাক শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ ও ভাঙচুর করছেন অন্যান্য শ্রমিকরা।

শনিবার সকাল ৮টায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক এ ঘটনা ঘটে। জিএমপির উপ পুলিশ কমিশনার (অপরাধ-দক্ষিণ) মো. ইব্রাহিম খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহত শ্রমিকের নাম মোসাম্মৎ মনিরা বেগম (৩৫)। তিনি শরীয়তপুর জেলার সখিপুর থানার তালিতাকান্দি গ্রামের রুহুল আমিনের স্ত্রী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত ওই নারী শ্রমিক স্থানীয় লিজ কমপ্লেক্স গার্মেন্টসে কাজ করতেন। তিনি পরিবার নিয়ে মহানগরীর তারগাছ এলাকায় রড ফ্যাক্টরি সংলগ্ন হাশেমের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। তিনি এক সন্তানের জননী।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, শনিবার সকালে গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানাধীন কুনিয়া তারগাছ এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক পার হওয়ার সময় গাজীপুর সিটি করপোরেশনের একটি ময়লার গাড়ি ওই নারীকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় শ্রমিক নিহতের খবর ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের বিভিন্ন পোশাক শ্রমিকেরা উত্তেজিত হয়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে। এ সময় মহাসড়কে বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়। এ ঘটনায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ওই এলাকায় ঘটনাস্থলের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে।

জিএমপির উপ পুলিশ কমিশনার (অপরাধ-দক্ষিণ) মো. ইব্রাহিম খান বলেন, মহাসড়ক পার হওয়ার সময় সিটি করপোরেশনের ময়লার গাড়ির চাপায় এক নারী শ্রমিক নিহত হয়েছেন। আমরা মরদেহ উদ্ধার করেছি। ঘটনার পর স্থানীয় শ্রমিকেরা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেছে। তারা কয়েকটি যানবাহন ভাঙচুর করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করছে।

Continue Reading

গাজীপুর

মহান শহীদ দিবস উপলক্ষ্যে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বাংলাদেশ ইয়ুথ ইউনিটির পুষ্পস্তবক অর্পণ

Avatar photo

Published

on

নুরে আলম, গাজীপুর :
মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ ইয়ুথ ইউনিটির পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। একুশের প্রথম প্রহরে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি মাসুদ রানা এরশাদ, সাধারণ সম্পাদক মো. আহসান উল্লাহ বিপ্লব, সহ-সভাপতি মো. সাব্বির হোসেন, ত্রাণ ও দুর্যোগ সম্পাদক মেরাজুল ইসলাম ভুঁইয়া, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সবুজ মিয়া, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয় সম্পাদক মেহরাব হোসেন, সহ-দপ্তর সম্পাদক মো. রাকিবুল ইসলাম, তানভির সিকদার, সহ-যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মৃদুল চন্দ্র সরকার, সাহিত্য ও পাঠাগার সম্পাদক হিমেল মোল্লা, সহ-সাহিত্য ও পাঠাগার সম্পাদক সোহরাব হোসেন সেতু, সহ-ত্রাণ ও দুর্যোগ সম্পাদক, সদস্য নাঈম হোসেন, হাসান, মিশকাত, রাব্বি প্রমুখ।

Continue Reading