Connecting You with the Truth
প্রিমিয়াম ওয়েব হোস্টিং + ফ্রি ডোমেইন
সাথে পাচ্ছেন ফ্রি SSL এবং আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ!
অফারটি নিন »

- Advertisement -

উলফা নেতা রঞ্জন ও প্রদীপের যাবজ্জীবন

images (13)ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন উলফার ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা মেজর রঞ্জন ও তার সহযোগী প্রদীপ মারাককে যাবজ্জীবন সাজা ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করেছেন আদালত।

বুধবার কিশোরগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মাহবুব উল ইসলাম এ রায় প্রদান করেন। রায় ঘোষণাকালে দুই আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাদের কড়া নিরাপত্তায় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

অস্ত্র ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের দুই মামলায় মেজর রঞ্জনের এই সাজার আদেশ হয়েছে। অস্ত্র মামলায় খালাস পেলেও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাজা হয় প্রদীপ মারাকের।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, গত ২০১০ সালের ১৭ জুলাই উলফার ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা মেজর রঞ্জন ও তার এ দেশীয় সহযোগী প্রদীপ মারাক কিশোরগঞ্জে আটক হন। ওই দিন ভোর পৌনে ৫টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৯ ভৈরব ক্যাম্পের একটি দল ভৈরব উপজেলায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে লক্ষ্মীপুর এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালের সামনে থেকে তাদের আটক করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে চার রাউন্ড গুলিসহ একটি বিদেশি রিভলবার, একটি নাইন এমএম বিদেশি পিস্তল, চারটি হাতবোমা ও বিপুল পরিমাণ বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

আটকের পরপরই তাদেরকে ঢাকার র‌্যাব সদর দপ্তরে নিয়ে ইন্টেলিজেন্স উইং শাখায় ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে মেজর রঞ্জন নিজেকে উলফার নেতা হিসেবে স্বীকার করেন। সেই সঙ্গে উলফার সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সীমান্তবর্তী শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতিতে অবস্থান এবং স্থানীয় সাবিত্রি দ্রুমকে বিয়ের কথা জানান।

এ ঘটনায় র‌্যাব-৯ ভৈরব ক্যাম্পের উপসহকারী পরিচালক মো. করিম উল্লাহ বাদী হয়ে অনুপ্রবেশ, সন্ত্রাস দমন আইন, অস্ত্র আইন ও বিস্ফোরক আইনে আটক দুজনকে আসামি করে ভৈরব থানায় পৃথক চারটি মামলা দায়ের করেন। এর মধ্যে সন্ত্রাস দমন আইনে দায়েরকৃত মামলায় ২০১০ সালের সেপ্টেম্বর এবং অস্ত্র আইনের মামলায় একই বছরের ২৬ আগস্ট চার্জশিট প্রদান করা হয়। দুটি মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ভৈরব থানার উপপরিদর্শক হুমায়ুন কবির।

মামলাটি পরিচালনা করেন রাষ্ট্রপক্ষে পাবলিক প্রসিকিউটর শাহ্ আজিজুল হক এবং আসামিপক্ষে মিজানুর রহমান।

Leave A Reply

Your email address will not be published.