Connect with us

ঢাকা

কে শুনবে আমার আর্তনাদ বলে কান্নায় বিলাপে ভেঙ্গে পড়ল গার্মেন্টস কর্মী -রাশেদা বেগম

Avatar photo

Published

on

_DSC0059

মশিউর রহমান, আশুলিয়া (ঢাকা)ঃ শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার পলাশবাড়ী এলাকায় সড়ক দূর্ঘটনায় আহত গার্মেন্টস কর্মী রাশেদা বেগম-২৬ সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ষ্ঠ তলার ৬১০ নম্বর কেবিনে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। জানা যায় যে, রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি থানাধীন খালকোলা এলাকায় রাশেদার গ্রামের বাড়ি। বাবা আব্দুর রব একজন দিনমজুর আর মা মমতাজ বেগম পরের বাসায় ঝিঁয়ের কাজ করেন। এক ভাই ও এক বোনের মধ্যে রাশেদাই বড়। ৭ম শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া করার পরে অভাব আর অনাটণের কারণে তার বাবা তাকে একজন দিনমজুরের সাথে বিয়ে দিয়ে দেয়। সেখানেও তাকে অভাব আর অনটণকে সঙ্গী করে নিতে হলো। একদিকে বাবা-মা আর ছোট ভাই, অন্যদিকে স্বামীর সংসরের বোঝা তাকেই বহন করে নিতে হলো। তাদের মূখে দু’মুঠো  অণ্য তুলে দেওয়ার জন্য অবশেষে তাকে ঢাকাতে পাড়ি জমাতে হলো। সেখানে আশুলিয়ার পলাশবাড়ী এলাকার উলিয়াম সোয়েটার লিমিটেড নামে মেন্ডিং অপারেটর পদে চাকুরী নেয়। দু’বছর পূর্বে তার স্বামী তাকে ছেড়ে পরপারে পাড়ি জমান। নিয়তির কাছে সে কি অপরাধ করেছিল? সেওতো আর দশ জনের মত দু’মুঠো খেয়ে-পড়ে সুন্দরমত বাঁচতে চেয়েছিল। ২৩ শে অক্টোবর কাজের শেষে সে যখন কারখানা থেকে বাসায় ফিরছিল তখন সন্ধ্যা ৭ টা ৩০ মিনিট সময় হঠাৎ পিছন থেকে একটি দ্রুতগমী ট্রাকের ছোঁবলে পড়ে। পরে শিল্প শ্রমিকদের  সহায়তায় তাকে হাবিব ক্লিনিেিক নিলে তার প্রচুর রক্ত খনন হওয়ায় সেখান থেকে তাকে এনাম মেডিকেলে স্থানান্তর করা হয়। তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে সেখানের আইসিইউ’তে ৭ দিন ধরে রাখার পরে পরপর ৬টি অপারেশন করা হলে তার শাররীক অবস্থা কিছুটা উন্নতি হয়। এতে তার মেডিকেল বিল আসে ৬ লক্ষ ২৩ হাজার টাকা। এ পর্যন্ত দয়াবানদের সাহায্যের বিনময়ে ৮০ কোনমতে হাজার টাকা সংগ্রহ করে মেডিকেলের বিল দেওয়া হয়। ৩ মাস পরে তার আর একটি অপারেশন করতে হবে এই টাকা এবং মেডিকেলের বাকি টাকা কোথায় পাবে এ চিন্তায় অসুস্থ রাশেদা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। হাত-পা ও মাজা ভেঙ্গে যাওয়া বর্তমানে সে মেডিকেলে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। একদিকে স্বামী হারানো কষ্ট অন্যদিকে বৃদ্ধ বাবা-মা এবং নিজের চিকিৎসার টাকার যোগান কোথায় পাবে এবং কে দেবে তার অর্থের যোগান? এই চিন্তায় সে ভেঙ্গে পড়ল। সরেজমিনে মেডিকেলে তাকে দেখতে গেলে কে শুনবে আমার আর্তনাদ এই বলে সে কান্নায় বিলাপে সাথে অসুস্থ রাশেদা বল্ল, ভাই এই মেডিকেলে ২ মাস ৭ দিন ধরে আমার চিকিৎসা চলছে এতে আমার ৬ লক্ষ ২৩ হাজার টাকা বিল হয়েছে। আর ৩ মাস পর আর একটি অপারেশন করতে হবে এতো টাকা আমি কোথায় পাব? অনেক হৃদয়বান ব্যক্তি অছেন, আপনারা যদি আমাকে একটু সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন তাহলে আপনাদের এই দান-দাক্ষিণায় হয়তো আমি একটি সুন্দর জীবন ফিরে পাবো বলে রাশেদা জানায়।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঢাকা

১৬নং ওয়ার্ডের সফল কাউন্সিলর মোসলেম উদ্দিন চৌধুরী মুসা

Avatar photo

Published

on

আশিকুর রহমান:
এলাকার জনসাধারণের সেবা সুনিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে আসছেন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের পরপর দুইবারের নির্বাচিত ১৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ মোসলেম উদ্দিন চৌধুরী মুসা। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের তৃতীয় ধাপের নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থী তিনি। বিগত দিনেও সফলতার সাথে ওয়ার্ডবাসীর সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন সফল কাউন্সিলর মোঃ মোসলেম উদ্দিন চৌধুরী মুসা। জনসেবায় নিজেকে আত্মনিয়োগে কুড়িয়েছেন জনসাধারণের অকৃত্রিম ভালোবাসা।

এলাকার সার্বিক উন্নয়ন অর্থাৎ জনসাধারণের চলাচলের অনুপযুক্ত রাস্তাঘাটা মেরামত, নির্মাণ ও প্রশস্তকরণ, ইউএনডিপি কর্তৃক কাজ বাস্তববায়ন, ড্রেন নির্মাণ, কবরস্থান নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ, দূর্যোগকালীন ব্যবস্থাপনা, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধিদের ভাতা প্রদান, ঈদগাহ মাঠের উন্নয়ন, নগর মাতৃ সদন হাসপাতাল স্থাপন, নিজস্ব অর্থায়নে বিভিন্ন নিচু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাটি ভরাট, মসজিদ-মাদ্রাসা ও বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনুদান, বৃক্ষ রোপন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উৎসাহ প্রদানে শিক্ষা উপকরণ প্রদান, সুবিধা বঞ্চিত দরিদ্র জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন কার্যক্রমসহ জনকল্যাণমুখী নানাবিধ উন্নয়ন কার্মকান্ড বাস্তবায়ন করেন কাউন্সিলর মোঃ মোসলেম উদ্দিন চৌধুরী মুসা।

এলাকায় উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করতে গিয়ে নানা ধরনের ষড়যন্ত্রের মুখের পড়তে হয়েছে তাকে। ষড়যন্ত্রকারীদের সকল বাঁধা উপেক্ষা করে ওয়ার্ডকে সুন্দর, বাসযোগ্য ও ডিজিটাল করণের মাধ্যমে মোসলেম উদ্দিন চৌধুরী মুসা জনসাধারণের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। এলাকায় উন্নয়ন কর্মকান্ড চলমান রাখতে স্থানীয় জনগণ ভোটের মাধ্যমে মোসলেম উদ্দিন চৌধুরী মুসাকে জয়ী করার কথা জানান।

১৬নং ওয়ার্ডের স্থানীয় জনগণ জানায়, পরিচ্ছন্ন ও পরিশ্রমী ব্যক্তির দ্বারাই সমাজ পরিবর্তন হয়ে থাকে। সমাজ বা এলাকাকে পরিচ্ছন্ন রাখতে একজন পরিচ্ছন্ন ব্যক্তির কোন বিকল্প নেই। ব্যক্তি হিসেবে কাউন্সিলর মোসলেম উদ্দিন চৌধুরী মুসাকে পরিচ্ছন্ন মনের অধিকারী হিসেবে আখ্যায়িত করেন স্থানীয়রা। কর্মঠ, পরিশ্রমী, দক্ষ, সৎ, মেধাবী জনপ্রতিনিধি হিসেবে পুনরায় তাকে নির্বাচিত করতে চান তারা। তারা বলেন, বিগত দিনগুলোতে তার পরিশ্রমের কথা ভুলার নয়। আগে ৩নং ওয়ার্ডের রাস্তাঘাট খানাখন্দে ছিল ভরা, চলাচলের জন্য একেবারেই ছিল অনুপযোগী। যার কারণে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। কাউন্সিলর মোসলেম উদ্দিন চৌধুরী মুসার দিন-রাত পরিশ্রমের ফলে এখন আর সেই ভোগান্তি নেই। তিনি অতি অল্প সময়ে রাস্তা নির্মাণ ও মেরামত করে চলাচলে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছেন। তারা বলেন, রাস্তাঘাট ছাড়াও তার উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডগুলো চোখে পড়ার মত। একজন জনপ্রতিনিধির সকল গুণাবলি তার মধ্যে রয়েছে।

ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোসলেম উদ্দিন চৌধুরী মুসা, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ১৬নং ওয়ার্ডকে আধুনিকায়ন, সুন্দর ও বাসযোগ্য একটি ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তোলাই ছিল তার ধ্যান, জ্ঞান ও স্বপ্ন। সেই লক্ষ্যে তিনি সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচনের কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেব বিপুল ভোটে জয়যুক্ত হন। পরবর্তী দ্বিতীয় নির্বাচনেও জনসাধারণ ভোটের মাধ্যমে তাকে কাউন্সিলর হিসেবে সাদরে গ্রহণ করে নেন।

তিনি বলেন, দুইবারের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে ১৬নং ওয়ার্ডের লক্ষাধিক জনগণের নিরাপত্তা, চলাচলের জন্য রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন, অসহায়কে সহায়তাদান, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা, কবরস্থান নির্মাণ, নিরাপদে ঘরে ফেরার ব্যবস্থাসহ আরও নানারকম উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করতে গিয়ে এলাকার জনসাধারণ উৎসাহ, সহযোগিতা ও পরামর্শ পেয়েছি। তাদেরকে আমি পাশে পেয়েছি। দেশের একজন সুনাগরিক ও জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমার লক্ষ ও উদ্দেশ্যই ছিল, আমার নিজ এলাকার উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের সেবক হয়ে তাদের পাশে থাকার।

Continue Reading

ঢাকা

গাজীপুরে বিলুপ্তপ্রায় দু’টি ধনেশ পাখি উদ্ধার, গ্রেফতার ১

Avatar photo

Published

on

গাজীপুর প্রতিনিধি:
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিলুপ্তপ্রায় ০২টি ধনেশ পাখি উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার গাজীপুর মহানগরের সদর থানাধীন পূর্ব চালনা এলাকার মোঃ হারুন রশিদ এর বাসা থেকে বিলুপ্তপ্রায় এ দুটি পাখি উদ্ধার করে মহানগরের সদর থানা পুলিশ।

পাখি উদ্ধার অভিযানে পুলিশের সাথে বন্যপ্রাণী অধিদপ্তরের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বন্যপ্রাণী রিফাত নামের এক যুবকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত আলতাফ হোসেন রিফাত (২৩) সদর থানাধীন পূর্ব চান্দনার মো. আ. রশিদের ছেলে।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সদর থানাধীন মো. হারুনের বাসায় বিলুপ্তপ্রায় দু’টি ধনেশ পাখি আছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গাজীপুর মহানগর সদর থানা ও বন্যপ্রাণী অধিদপ্তরের সদস্যসহ ওই বাসায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান পরিচালনাকালে ওই বাসার ৩য় তলার বারান্দায় কার্টুনের মধ্যে বিশেষভাবে রক্ষিত অবস্থায় পাখি দু’টিকে উদ্ধার করে পুলিশ। এসময় বাসার মালিক মো. হারুনের ছেলে রিফাতকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত রিফাত জানায়, বন্যপ্রাণী ক্রয় করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ তা জেনেও, অনলাইন পেজের মাধ্যমে সে পাখি দু’টিকে ক্রয় করে।

সদর থানা পুলিশ জানায়, এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এবং উদ্ধারকৃত বিলুপ্তপ্রায় দু’টি পাখি বন্যপ্রাণী অধিদপ্তরের প্রতিনিধিদের বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।

Continue Reading

ঢাকা

জন্মনিবন্ধন করলেই মিলছে নতুন পোশাক উপহার

Avatar photo

Published

on

শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:
গাজীপুরের শ্রীপুরে তেলিহাটি ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে শিশু জন্মের ১ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে জন্মনিবন্ধন করলেই উপহার তুলে দিচ্ছেন নতুন পোশাক এ কাজটি করছেন ইউপি সদস্য তারেক হাসান বাচ্চু।

৪নং তেলিহাটি ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য তারেক হাসান বাচ্চু ব্যক্তিগতভাবে প্রতি শিশুর জন্য নতুন জামা কাপড় উপহার দিচ্ছেন। তার দেওয়া এ উপহার পেয়ে খুশি নবজাতক শিশুর বাবা-মা।

ইউপি সূত্রে জানা যায়, নাগরিকদের শিশুর জন্মনিবন্ধনে উদ্বুদ্ধ করতে মেম্বার নিজস্ব অর্থায়নে উপহার দেওয়ার ঘোষণা দেন। এলাকায় বাসিন্দারাও তাতে সাড়া দিয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সন্তানের জন্মনিবন্ধন করাচ্ছেন। তারেক হাসান বাচ্চু গত ২ বছরে জন্মনিবন্ধন শেষে প্রায় দুইশত দম্পতির হাতে এ উপহার তুলে দেন।

উপহার পেয়ে ডোমবাড়িচালার বাসিন্দা নবজাতক শিশুর পিতা মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান, আমার সন্তানের জন্মনিবন্ধন মেম্বার নিজে করিয়ে দিয়ে আমার বাড়িতে এসে জন্ম নিবন্ধন ও বাচ্চার জন্য নতুন পোশাক দিয়েছেন। তার পক্ষ থেকে নতুন জামা উপহার পেয়ে বেশ ভালো লাগছে।

আবদার দক্ষিণপাড়া এলাকার নবজাতকের মা মাসুরা আক্তার বলেন, মেম্বার সাহেব আমার বাচ্চা জন্মের পর পরই জন্ম নিবন্ধন করে নতুন পোশাক নিজে এসে বাড়ি দিয়ে গেছেন, আমার পরিবারের সকলেই খুব খুশি হয়েছি। আমাদের মহল্লায় তাকে যেকোন কাজে সব সময় কাছে পায় এতেই আমরা খুশি।

আবদার ঢালীপাড়া এলাকার নবজাতকের অভিভাবক তারেক হাসান রানা বলেন, সে আমাদের এলাকার মেম্বার হওয়ার পর থেকে মাদক রাস্তাঘাটের ব্যাপক উন্নয়ন করছে। সে কোনো ঝামেলা ছাড়াই জন্ম নিবন্ধন সনদ আমাদের বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছেন। এতে আমরা সবাই খুব খুশি।

ইউপি সচিব হান্নান খান বলেন,তার এ প্রচেষ্টায় অভিভাবকরা প্রতিদিনই তাদের সন্তানদের জন্ম নিবন্ধন করাতে আসছেন। জন্মনিবন্ধন কার্ডের সঙ্গে উপহার পেয়ে তারা খুশি মনে বাড়ি ফিরছেন। তার এমন কাজকে আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে সাধুবাদ ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।

৪নং তেলিহাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল বাতেন সরকার বলেন, মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও জনগনের প্রতি ভালোবাসা আছে বলেই আমার এই ইউপি সদস্য তারেক হাসান বাচ্চু তার ওয়ার্ডে শতভাগ জন্মনিবন্ধন ও মৃত্যু সনদ পৌঁছে দিচ্ছেন। এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই।

ইউপি সদস্য তারেক হাসান বাচ্চু বলেন, আমার এলকার রাস্তাঘাট ও এলাকাকে মাদক মুক্ত ও আধুনিক ওয়ার্ড গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে আমি নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলাম। বর্তমানে আমি আমার নির্বাচনী ইশতেহারের সেসব প্রতিশ্রুতি পূরণ করার জন্য সর্বোচ্চ কাজ করছি। আর জন্ম নিবন্ধনের উপহারের পোশাক বড় কিছু না, শুধু সাধারণ মানুষকে উৎসাহিত করতেই এ উপহার দিচ্ছি।

Continue Reading