Connect with us

Highlights

গাবতলীতে হেযবুত তওহীদের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত

Avatar photo

Published

on

রাজশাহী ব্যুরোঃ
সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও মাদকের বিরুদ্ধে সনসচেতনতা সৃষ্টির বিকল্প নেই শীর্ষক এক কর্মিসভা করেছে জেলা হেযবুত তওহীদ। আজ শনিবার সকাল সারে ১১টায় জেলার দুর্গাহাটা বাজারে স্হানীয় কার্যালয়ে এ সভার আয়োজন করা হয়। সভায় বগুড়ার সকল স্তরের নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ও সুধিজন উপস্হিত ছিলেন। এতে মূখ্য আলোচক হিসাবে উপস্হিত থেকে দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাশেদুল হাসান। কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ও বগুড়া জেলা হেযবুত তওহীদের সভাপতি যোবায়ের আহম্মেদ নুহুর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সালজার রহমান সাবু এর আমন্ত্রনে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্হিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আজহার আলী, দৈনিক দেশেরপত্র পত্রিকার রাজশাহী বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান পি এম রতন, বগুড়া জেলা প্রতিনিধি ও সাপ্তাহীক ইন্তেজার জেলা ব্যুরো প্রধান মিজানুর রহমান হিরা, বাংলাদেশেরপত্র.কম এর জেলা প্রতিনিধি রুহুল আমিন শাহিন, দৈনিক বজ্রশক্তি ও বিডি লাইভ টিভি’র গাবতলী উপজেলা প্রতিনিধি ছামিউল ইসলাম শামিম, উপজেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোবারক আলী, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ খলিলুর রহমান, উপজেলা জাতীয় পার্টি নেতা মোঃ সোলায়মান আলী প্রাং প্রমূখ। সভায় মূখ্য আলোচক তার বক্তব্যে বলেন, আজ বিশ্বজুরে মুসলিম জাতির করুন অবস্থার পেছনের মুল কারণ হচ্ছে অনৈক্য। পৃথিবীর যে প্রান্তেই তাকাবেন শুধুমাত্র মুসলিম জাতিই উদ্বাস্তু জীবন যাপন। বিশ্ব মানবতা আজ হাহাকার করছে। নিরিহ মানুষের রক্তে পৃথীবির মাটি আজ ভেজা, বায়ু দূষিত করেছে, পানি দুষিত করেছে, প্রকৃতিকের উপর আঘাত এনেছে এই সভ্যতা। এমতাবস্থায় আমাদের আমাদের করণীয় কি ? যদি আমরা প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশকে নিরাপদ রাখতে চাই ? আমাদের ভবির্শদ প্রজন্মকে নিরাপদ একটি দেশ উপহার দিতে চাই৷? তাহলে দল, মত, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল শ্রেণী পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়া ছাড়া বিকল্প কোন পথ নেই। সেই ইসপাত কঠিন ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান করে যাচ্ছে- মানবতার কল্যানে নিবেদিত অরাজনৈতিক আন্দলন হেযবুত তওহীদ। প্রধান আলোচক আরো বলেন, আজ দুনিয়াময় এক আদর্শের সংকট চলছে। সেই আদর্শ হলো প্রকৃত এসলাম। কিন্তু বর্তমান ইসলামের নামে যে সমস্ত কর্মকান্ড চলছে, যা আল্লাহ ও তার রসূলের নামে চালানো হচ্ছে। এসব কর্মকান্ড আপনারা প্রকৃত এসলামের সঙ্গে মিল করুন ? আপনাদের চখের সামনে দিনের আলোর মতো পরিস্কার হয়ে যাবে যে এ ইসলাম আল্লাহ ও তার রসূলের প্রকৃত ইসলাম নয়। মোঃ রাশেদুল হাসান বলেন, যে এসলাম শত্রুকে ভাই বানিয়েছে, ভক্ষককে রক্ষক বানিয়াছে, অন্ধকারের যুগকে স্বর্ণ যুগ বানিয়াছে সেই এসলাম দির্ঘ ১৩ শত বছর আগেই হারিয়ে গেছ। এই প্রকৃত এসলামের রুপ মানব জাতীর সামনে তুলে ধরেছেন ঐতিহ্যবাহী পন্নী জমিদার পরিবারের সন্তান এমামুজ্জামান জনাব মোহাম্মাদ বায়াজিদ খান পন্নী। তিনি আরো বলেন, এমামুজ্জামান ১৯৯৫ সালে করটিয়া টাংগাইলের দাউদ মহলে হেযবুত তওহীদ প্রতিষ্টার মাধ্যমে চলমান সংকট মোকাবেলার আদর্শিক লড়াইয়ের আন্দলন গড়ে তোলেন। আমরা এমামুজ্জামানের আদর্শে উৎজিবিত হয়ে চলমান এই সংকট মোকাবিলায় সারা দেশ ব্যাপী আদর্শিক লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি এবং সবাইকে এই আদর্শিক লড়ায়ে অংশগ্রহণের আববান জানান মূখ্য আলোচক। দুপুরে মধ্যহৃ ভোজের মাধ্যমে সভার সমাপ্তী ঘটে।


Highlights

দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশ ১২তম অবস্থানে

Avatar photo

Published

on

বাংলাদেশে দুর্নীতি বেড়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১২তম। আগের বছর ছিল ১৩তম। মানে এক ধাপ অবনমন হয়েছে। দুর্নীতির ধারণা সূচক ২০২২ -এ এ তথ্য উঠে এসেছে।

মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডিতে টিআইবি কার্যালয়ে এ প্রতিবেদন তুলে ধরেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।

জার্মানির বার্লিনভিত্তিক আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই)-এর প্রতিবেদনে বিশ্বের ১৮০টি দেশের মধ্যে সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১২তম বলে উল্লেখ করা হয়েছে। গত বছরের তুলনায় দুর্নীতি ধারণাসূচকে বাংলাদেশের স্কোর ও অবস্থানে এক ধাপ অবনমন হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ২০২২ সালের এ সূচক অনুযায়ী ১০০ এর স্কেলে বাংলাদেশে দুর্নীতির স্কোর ২৫, যা এর আগের বছর ২০১৪ ও ২০১৫ সালের অনুরূপ। যা গত বছরের তুলনায় ১ পয়েন্ট অবনমন। তালিকার নিম্নক্রম অনুযায়ী বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে ১২তম অবস্থানে রয়েছে গিনি ও ইরান।

Continue Reading

Highlights

সাবেক ইউরেনিয়ামের খনিতে বনায়নের উদ্যোগ

Avatar photo

Published

on

সাবেক ইউরেনিয়াম খনিতে পরিমাপের কাজ চলছে। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মাইক্রোবায়োলজিস্ট হিসেবে এরিকা কোটে কিছু স্বেচ্ছাসেবী মানুষের সঙ্গে মিলে সেখানে প্রায় ২০০ অ্যাল্ডার, বার্চ এবং উইলো গাছ পোঁতেন।

মাটিতে হেভি মেটাল থাকা সত্ত্বেও তাঁরা সেই কাজ করেন। গাছগুলি স্বাভাবিকভাবে বড় হলে কয়েক বছর পর সেগুলির কাঠ কেটে আগুন জ্বালানো যাবে বলে আশা করা হয়েছিল। তবে এমন মাটিতে সেটা আদৌ সম্ভব কিনা, সে বিষয়ে সংশয় ছিল। এরিকা কোটে জায়গাটিকে ঠিক মাটি বলতেই প্রস্তুত নন। তার মতে, বেড়ে ওঠা জমি একেবারে অন্যরকম দেখতে।

শাকসবজি বা ফল চাষের প্রশ্নই ওঠে না, যদিও ইউরেনিয়াম খনি বন্ধ হবার পর এই জমির সংস্কার করে সেখানে দূষণহীন মাটি ঢালা হয়েছে। ইয়েনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতাত্ত্বিক টর্স্টেন শেফারব বলেন, ‘‘যেমনটা দেখছেন, এই হ্রদকে ঘিরে উদ্ভিদ জগত শিকড় ছড়িয়েছে। অর্থাৎ গাছপালা এই অংশকে ভালোভাবে গ্রহণ করেছে। আরও নীচের দিকে দেখলে বালুময় উপাদান পাওয়া যাবে। সর্বশেষ তুষার যুগে এই স্তর গড়ে উঠেছিল। এখানে প্রায় কোনো শিকড়ের চিহ্ন পাওয়া যাবে না। এখানকার পিএইচ ভ্যালুও অত্যন্ত কম। মোটকথা গাছপালা এই এলাকা পছন্দ করে না।”

পিএইচ ভ্যালু কম হবার অর্থ জমিতে অম্ল রয়েছে। যে সব ধাতু সাধারণ অবস্থায় শক্ত থাকে, সেগুলি এখানে গলে গিয়ে জমির মধ্য দিয়ে ভূগর্ভস্থ পানির সঙ্গে মিশে যায়। এভাবে সেগুলি গাছপালার মধ্যেও প্রবেশ করে। টর্স্টেন শেফার বলেন, ‘‘সে কারণে আমরা আমাদের পরীক্ষার আওতায় এমন মাটির মিশ্রণ সৃষ্টি করি, যার মধ্যে সামান্য চুনও থাকে। চুন পিএইচ বাফার হিসেবে কাজ করে, যাতে গাছপালা বেড়ে ওঠার পরিবেশ শুধু আদর্শ নয়, বরং আরও উন্নত হতে পারে।”

অর্থাৎ জমি অম্লমুক্ত করা হচ্ছে। কিন্তু ইয়েনার গবেষকরা শুধু তাতেই সন্তুষ্ট নন। মাটি থেকে ধাতু আলাদা করতে তাঁরা সেই ধাতুকে আবার শক্ত করতে চান। ছত্রাক নাকি সেই কাজ করতে পারে। ইয়েনা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজিস্ট এরিকা কোটে বলেন, ‘‘ছত্রাক প্রকৃতির মধ্যে এমনিতেই সিম্বায়োসিসের মাধ্যমে পানি ও ধাতব উপাদান গাছের মধ্যে টানে বলে সেটি কিছুটা ফিল্টার হিসেবেও কাজ করে। ছত্রাক যে উপাদান গাছে চালান করে না, গাছ তা গ্রহণও করে না। অর্থাৎ ছত্রাক না থাকলে গাছে আরও বেশি হেভি মেটাল প্রবেশ করতো।”

সেখানকার মাটিতে জীবাণুর কার্যকলাপ তরান্বিত করতে বিজ্ঞানীরা প্রতি বছর বিশেষ ধরনের মাইক্রোঅরগ্যানিজম যোগ করেন। এরিকা কোটে বলেন, ‘‘জঙ্গলে বিশেষ গাছের নীচে বিশেষ ছত্রাক থাকে। লার্চ বোলেটাস বা বার্চ মাশরুমের নাম শুনলেই তা স্পষ্ট বোঝা যায়। লার্চ বা বার্চ গাছের কোলে সেগুলি পাওয়া যায়। অর্থাৎ আমাদের এমন ছত্রাকের সন্ধান করতে হবে, যেগুলি নির্দিষ্ট গাছের সঙ্গে সংলাপ চালাতে পারে।”

এখনো পর্যন্ত সাবেক ইউরেনিয়াম খনির জমিতে আল্ডার গাছ পুঁতে সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়া গেছে। বার্চ গাছ কিছুটা এবং তৃণভূমি সামান্য সাফল্য এনেছে। আগামী বছরগুলিতে পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে। সে কারণে গবেষকরা পরীক্ষার কাজ চালিয়ে যেতে চান। তবে জমিতে ব্যাকটিরিয়া ও ছত্রাক যোগ করে যে লাভ হয়, সে বিষয়ে তাঁদের মনে কোনো সংশয় নেই। এরিকা কোটে বলেন, ‘‘জমি ফেলে রাখলে সেখানে আবার ঘাস গজায়। প্রাকৃতিক ঘাসজমির মতো জীবাণু জগত সৃষ্টি হতে প্রায় ৪০ বছর সময় লাগে। অর্থাৎ আমরা এখানে জীবাণু যোগ করে কার্যত ৪০ বছর সময় বাঁচিয়ে দিচ্ছি। তাই নতুন ইকোসিস্টেমের সঙ্গে সেই জীবাণুর মানিয়ে নিতে সময় লাগছে না।”

তবে সেই এলাকার বিষমুক্ত ছত্রাকও খাবার যোগ্য নয়। কারণ মাটির হেভি মেটাল সেগুলিতে জমা হচ্ছে। একমাত্র পচে যাবার পরই সেই ধাতু আবার বেরিয়ে আসে। তবে সেই ধাতুর পরিমাণ এতই কম, যে গাছের কোনো ক্ষতি হয় না।

Continue Reading

Highlights

বুরকিনা ফাসোতে দুই হামলায় নিহত ২৮

Avatar photo

Published

on

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসোতে দুটি হামলার ঘটনায় সেনা ও বেসামরিকসহ অন্তত ২৮ জন নিহত হয়েছেন। সশস্ত্র হামলাকারীরা রোববার ও সোমবার এসব হামলা চালিয়েছে বলে সোমবার পৃথক বিবৃতিতে জানিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী ও একজন আঞ্চলিক গভর্নর।

নিজেদের বিবৃতিতে সেনাবাহিনী জানিয়েছে, দেশের উত্তরাঞ্চলে নাইজার সীমান্তের কাছে ফালানগৌতৌতে সামরিক বাহিনীর একটি কমব্যাট ইউনিট ইউনিট হামলার মুখে পড়ে, এতে ১০ সেনা, স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর দুই যোদ্ধা ও এক বেসামরিক নিহত হয়।

হামলার ঘটনা শেষ হওয়ার পর ঘটনাস্থলে ১৫ হামলাকারীর মৃতদেহ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে তারা। সোমবার পৃথক আরেক বিবৃতিতে বুরকিনা ফাসোর দক্ষিণাঞ্চলীয় ক্যাসকেডস অঞ্চলের গভর্নর কর্নেল জ্য চার্লস দিত ইয়েনাপোনো সোম জানিয়েছেন, রোববার এক হামলার পর ১৫ জনের মৃতদেহ পাওয়া গেছে, নিহতরা সবাই বেসামরিক।

গভর্নর জানান, সশস্ত্র ব্যক্তিরা দুটি যাত্রীবাহী গাড়ি থামায়, সেগুলোতে আটজন নারী ১৬ জন পুরুষ ছিলেন। নারীদের এবং শুধু একজন পুরুষকে মুক্তি দেওয়া হয়, বাকি সবাইকে মেরে ফেলা হয়েছে। বিবৃতিতে গভর্নর সোম বলেছেন, “এই ৩০ জানুয়ারি নিহতদের মৃতদেহ লিঙ্গুয়েকোরো গ্রামের কাছে পাওয়া গেছে, তাদের শরীরে গুলির ক্ষত ছিল।”

পশ্চিম আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলের দেশ বুরকিনা ফাসো এবং এর প্রতিবেশী মালি ও নাইজার আল কায়েদা ও ইসলামিক স্টেটের (আইএস) সঙ্গে সম্পর্কিত জঙ্গিদের সঙ্গে লড়াই করছে। জঙ্গিরা দেশটির অনুর্বর ও প্রধানত গ্রামীণ উত্তরাঞ্চলের বহু অঞ্চল দখল করে নিয়ে শত শত গ্রামবাসীকে হত্যা করেছে। তাদের তাণ্ডবের কারণে ওই অঞ্চলের প্রায় ২০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। জঙ্গিরা বহু গ্রাম ও শহর অবরুদ্ধ করে রেখেছে, এতে খাদ্য সংকট ক্রমেই তীব্র আকার ধারণ করছে।

Continue Reading