Connect with us

ঠাকুরগাঁও

ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবে ৬ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে হেযবুত তওহীদ

Avatar photo

Published

on

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

দেশব্যাপী সীমাহীন অপপ্রচার, হত্যার হুমকি, হামলার উস্কানি ও ফতোয়া দিয়ে দাঙ্গা সৃষ্টির ষড়যন্ত্রকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের ৬ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ঠাকুরগাঁও জেলা হেযবুত তওহীদ।

বুধবার বেলা ১১টায় ঠাকুরগাঁ প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি সহ ৬ দফা দাবিতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের জেলা সভাপতি নূর আলম সবুজ।

এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন হেযবুত তওহীদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আশেক মাহমুদ।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ঠাকুরগাঁ প্রেসক্লাবের সভাপতি মনসুর আলী, সাধারণ সম্পাদক ও এটিএন বাংলার প্রতিনিধি লুৎফর রহমান, এসটিভি বাংলার প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম, জিটিভির এমদাদুল হক, চ্যানেল ২৪ এর প্রতিনিধি ফাতেমাতুজ জোহরা, দৈনিক ইনকিলাব প্রতিনিধি রুবাইয়া সুলতানা, চ্যানেল নাইনের প্রতিনিধি মাসুদ রানা পলক, দৈনিক দেশেরপত্রের প্রতিনিধি আব্দুল আউয়াল, ভোরের কাগজের এন এম নুরুল ইসলাম, দৈনিক সকালের সময়ের প্রতিনিধি কামরুল হাসান, দৈনিক লাখো কণ্ঠের প্রতিনিধি রেজওয়ানুল হক, নয়া দিগন্ত প্রতিনিধি রফিক সরকার, একুশে টিভির প্রতিনিধি এস এম জসিম, দৈনিক খবরের প্রতিনিধি শাহিন, মাইটিভির প্রতিনিধি রফিকুল ইসলাম, এশিয়ান টিভির প্রতিনিধি নবীন হাসান, ইউএনবির প্রতিনিধি জাকির, দীপ্ত টিভির প্রতিনিধি শামসুজ্জোহা, যমুনা টিভির প্রতিনিধি পার্থ, দৈনিক কালের ছবির মিলু, বাংলার আলোর প্রশান্ত কুমার, মোহনা টিভির বিধান চন্দ্র দাস, দৈনিক নবচেতনার নাহিদ রেজা, চ্যানেল এস প্রতিনিধি জয়ন্ত, ঠাকুরগাঁওয়ের খবর প্রতিনিধি ফরিদুল ইসলাম রঞ্জু, ভোরের ডাকের প্রতিনিধি তারেক রহমান, দৈনিক বাংলাদেশের আলোর প্রতিনিধি বিকাশ রায় চৌধুরী, দৈনিক লোকায়ন প্রতিনিধি হাসিনুর রহমান, হেযবুত তওহীদ ঠাকুরগাঁও জেলার সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা, সদর উপজেলা সভাপতি খলিলুর রহমান, জেলা আইন সম্পাদক মানিক হোসেন, আইটি বিষয়ক সম্পাদক কুদ্দুস মাহমুদসহ ঠাকুরগাঁয়ের বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং হেযবুত তওহীদের জেলা নেতৃবৃন্দ।

ঠাকুরগাঁও

ঠাকুরগাঁওয়ে ইএসডিও’র প্রধান কার্যালয়ে ‘গরুর গাড়ির’ শিল্পকর্ম

Avatar photo

Published

on

গরুর গাড়ি হলো দুই চাকাবিশিষ্ট গরু বা বলদে টানা একপ্রকার যান বিশেষ। এই যানে সাধারণত একটি মাত্র অক্ষের সাথে চাকা দুটি যুক্ত থাকে। সামনের দিকে একটি জোয়ালের সাথে দুটি গরু বা বলদ জুতে এই গাড়ি টানা হয়। সাধারণত চালক বসেন গাড়ির সামনের দিকে। গ্রাম বাংলার এক সময়ের যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম গরুর গাড়ি। নতুন প্রযুক্তির ফলে মানুষের জীবনযাত্রার উন্নয়ন ঘটছে, হারিয়ে যাচ্ছে অতীতের এই ঐতিহ্যবাহী গরুর গাড়ি, ধরতে গেলে বর্তমানে এটি বিলুপ্তির পথে।

তবে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ধরে রাখতে উন্নয়ন সংস্থা ইএসডিও নিয়েছে ব্যতিক্রমি উদ্যোগ। সংস্থার প্রধান কার্যালয়ের সামনে গরুর গাড়িতে মাল পরিবহনের একটি শিল্পকর্ম বানানো হয়েছে। এছাড়াও কার্যালয়ের দেয়ালে বাঙ্গালীর ইতিহাঁস-ঐতিহ্যের আরও হাজারও শিল্পকর্ম ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। একসময় কৃষি ফসল ও মানুষ বহনের জনপ্রিয় বাহন ছিল এটি। মালপত্র পরিবহনে গরুর গাড়ি ছিল একামাত্র পরিবহন। গরুর গাড়ির ইতিহাস সুপ্রাচীন। নব্যপ্রস্তর যুগের সময় থেকেই মানুষ এই যানটি ব্যবহারে করে আসছে। সিন্ধু অববাহিকা ও ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে গরুর গাড়ির প্রচলন শুরু হয় খ্রিস্টর জন্মের ১ হাজার ৬শ থেকে ১ হাজার ৫শ বছর আগে। সেখান থেকে ক্রমে ক্রমে ছড়িয়ে পড়ে।

বর্তমানে প্রত্যন্ত এলাকায় দু-একটি গাড়ি চোঁখে পড়লেও শহরাঞ্চলে একেবারেই দেখা যায় না। সে কারনে শহরের ছেলে মেয়েরা দূরের কথা, বর্তমানে গ্রামের ছেলে-মেয়েরাও গরুর গাড়ি শব্দটির সঙ্গে পরিচিত নয়। ২ যুগ আগেও গ্রামাঞ্চলে গরুর গাড়ি ছাড়া বিয়ে কল্পনা করা যেত না। বরপক্ষের লোকজন ১০ থেকে ১২টি গরুর গাড়ি সাজিয়ে বরযাত্রী যেত। সে সময় যেসব পরিবারে গরুর গাড়ি ছিল, তাদের কদর ছিল বেশি। গরুর গাড়ির চালককে বলা হয় গাড়িয়াল। সেই চালককে উদ্দেশ্য করে রচিত হয়েছে “ওকি গাড়িয়াল ভাই” কিংবা ‘আস্তে বোলাও গাড়ি. আরেক নজর দেখিয়া ন্যাও, মুই দয়ার বাপের বাড়িরে গাড়িয়াল” এরকম যুগান্তকারী সব ভাওয়াইয়া গান।

সাংস্কৃতিক কর্মী অনুপম মনি বলেন, শহরের গোবিন্দরস্থ ইএসডিও’র প্রধান কার্যালয়ে গরুর গাড়ির শিল্পকর্মটি প্রশংসার দাবিদার। কারণ বর্তমানে নানা ধরনের মোটরযানের কারনে অপেক্ষাকৃত ধীর গতির এই যানটির ব্যবহার অনেক কমে এসেছে। তাই এখন আর তেমন চোখে পড়ে না। এখন মানুষ ট্রাক, পাওয়ার টিলার, লরি, নসিমন-করিমনসহ বিভিন্ন মালগাড়ি ব্যবহার করছে। ফলে গ্রামাঞ্চলেও আর চোখে পরে না গরুর গাড়ি। যুগের পরিবর্তনে আমাদের এই প্রিয় গরুরগাড়ি প্রচলণ আজ হারিয়ে যাচ্ছে কালের অতল গর্ভে। এ জাতীয় শিল্পকর্মের মাধ্যমে বর্তমান তরুন প্রজন্ম এই যানটির কথা স্মরনে রাখবে বলে মনে করি।

ইএসডিও’র নির্বাহী পরিচালক ড. মুহম্মদ শহীদ উজ জামান বলেন, ঠাকুরগাঁও হলো একটি কৃষি নির্ভর জেলা। আমরা চাইছি কৃষির সাথে গরুর একটা গভীর সম্পর্ক, গরুর গাড়ি এবং গরুর। এটা আমরা প্রতিনিধিত্ব করার চেষ্টা করছি ঠাকুরগাঁও জেলাকে। এটার একটা মাত্র দিক দেখলে হবে না। এটার সাথে অফিসের দেয়ালের কারুকার্য দেখতে হবে। সেখানে উপরে যা দেখা যাচ্ছে সেটা হচ্ছে আদিবাসী। আদিবাসী সংস্কৃতি। কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি বোঝাতে গরুর গাড়ি। কৃষির সাথে গড়–র গাড়ির পাশাপাশি অন্যান্য যে সংস্কৃতি সেটা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। গরু থাকে কোথায়, যেখানে কৃষি থাকে। আমাদের ঠাকুরগাঁও জেলা কৃষিভিত্তিক জেলা। অতএব এখানে কৃষির প্রতিনিধিত্ব করা হয়েছে। এর সাথে গরুর গাড়িকে বাহন হিসেবে আমরা সব স্থানেই ব্যবহার করি। তাই এই শিল্পকর্মটির সাহায্যে মূলত আমাদের জেলাকে কৃষিভিত্তিক জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষুদ্র প্রচেষ্টামাত্র।

Continue Reading

ঠাকুরগাঁও

দুই বাংলার সীমান্তে হয়নি মিলনমেলা, হতাশা নিয়ে ফিরলেন দুইপাড়ের স্বজনরা

Avatar photo

Published

on

রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) সংবাদদাতা:
ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার মাকড়হাট ক্যাম্পের ৩৪৬ পিলার সংলগ্ন টেংরিয়া গোবিন্দপুর গ্রামের কুলিক নদীর পারে ঐতিহ্যবাহী পাথরকালি মেলা উপলক্ষে ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে যুগ যুগ ধরে দুই বাংলার হাজারো মানুষ স্বজনদের সঙ্গে মিলিত হয়ে কুশল বিনিময় করে আসছে।

সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দুই দেশের মানুষকে আলাদা করে রেখেছে । কিন্তু দুটি ভিন্ন ভৌগোলিক সীমারেখা আলাদা করতে পারেনি মানুষের মনের টান । এ টানেই মানুষ ছুটে যায় কাঁটাতারের বেড়ার কাছে, সুযোগ পেলেই মিশে যায় একে অন্যের সঙ্গে । পেতে চায় মায়া-মমতা, স্বজনদের সান্নিধ্য।

এখানে কয়েক যুগ ধরেই পাথরকালি মেলার আয়োজন করছে হিন্দুধর্মাবলম্বীরা । কালীপুজার পরে ওই এলাকায় বসে এই পাথরকালি মেলা । মেলাকে ঘিরে একদিনের জন্য সীমান্ত উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় । দুই বাংলার মানুষ আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ করে । তারা মেলায় ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন জিনিসপত্র কেনে।

জানা যায়, হরিপুর উপজেলার অধিকাংশ এলাকা পাকিস্তান-ভারত বিভক্তির আগে ভারতের দক্ষিন দিনাজপুর জেলার অধীনে ছিলো। দেশ বিভক্তির কারণে আত্মীয় স্বজনেরা দুই দেশে ছড়িয়ে পড়ে । সারা বছর তারা দেখা-সাক্ষাৎ করতে পারেনা। তাই অপেক্ষায় থাকে কালীপুজার পরের শুক্রবার পাথরকালি মেলার এই দিনের জন্য। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় মুঠোফোনে চলছিলো আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ।

এ মিলনমেলাতে দুই দেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বী ছাড়াও শত শত মুসলমান দুই বাংলার আত্মীয়-স্বজন একে অপরকে একনজর দেখার জন্য ভারতীয় কাঁটাতারের বেড়ার দুই পাশে এবারও ভিড় জমান। এ সময় সেখানে তৈরি হয় এক আবেগঘন পরিবেশ। প্রিয়জনকে কাছে পাওয়ার প্রত্যাশায় কাঁটাতারের এপার-ওপারে কান্নায় ভেঙে পড়েন অনেকে।

দেখা গেছে সকালে হাসিমুখে দেখা করতে এসে বিকালে বিদায় বেলায় কাঁদতে হয় তাদের, আত্মীয়স্বজনদের সাথে দেখা হওয়ার পরেও এবং দেখা না হওয়ার জন্যেও ।

গতকাল সকালেই জমুরকালী (পাথর কালী) জিউ পূজা উপলক্ষে প্রতি বছরের মত এবারও পূজার আয়োজন করেছিল পূজা উদযাপন কমিটি। তবে এবার আগেরমত পূঁজা উপলক্ষে দুই বাংলার সীমান্তে লাখো মানুষের সমাগমে তৈরি হয় মিলনমেলা। তবে কাঁটাতারের বেড়ার ফাঁকে কথা বলা আর দেখা না করার আক্ষেপ অধরা রয়ে গেল একবছর ধরে অপেক্ষারত ওপারে থাকা তাদের আত্মীয়স্বজনদের সাথে। এবার সীমান্তের কাঁটাতারের কাছে কোন মানুষজনকে ভীড় জমাতে দেয়নি ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীবাহিনী।

হরিপুর উপজেলা প্রশাসনের সূত্রে জানা যায়, পাথরকালী জিউ পূজা উপলক্ষে প্রতিবছর এইদিনে গোবিন্দপুর কুলিক নদীরপাড়ে কাঁটাতারের কাছে দুই সীমান্তে ইংরেজি মাস ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহের শুক্রবার দিনে লাখো মানুষের সমাগমে ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশ-ভারত মিলনমেলা হয়ে থাকে । এবারও মিলনমেলা’র আয়োজন করা হলেও ভারতীয় প্রসাশনিক জটিলতার কারনে দেখা সাক্ষাৎ করতে দেওয়া হয়নি। এতে কাঁটাতারের ওপারে থাকা আত্মীয়স্বজনরা মিলিত হতে পারনেনি।

দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলা থেকে আসা নাজমা বেগম বলেন, ভারতে ভাই-ভাবি বসবাস করেন। তাই তাদের সঙ্গে দেখা করতে এই কাঁটাতারের বেড়ার কাছে এসেছি। এখনো দেখা হয়নি, তারা এলে দেখা হবে। করোনাভাইরাসের কারণে দুই বছর দেখা হয়নি। এবার কালীপূজার পরে পাথরকালি মেলায় কাঁটাতারের বেড়ার কাছে এসেছি তাদের সঙ্গে দেখা করতে।

নীলফামারীর জলঢাকা থেকে ভারতে বসবাস করা ছেলেকে দেখতে এসেছিলেন বৃদ্ধা মধুবালা। তিনি কেঁদে কেঁদে জানালেন, টাকার অভাবে ভারতে যেতে পারি না, তাই খবর পেয়ে এলাম ছেলেকে দেখতে; না দেখেই ফিরে যাচ্ছি। প্রতি বছর যেন আমাদের মতো অভাবী মানুষদের জন্য সীমান্তে মিলনমেলার আয়োজন করা হয়।
লালমনিরহাট থেকে আসা শ্রী সুদর্শন বলেন, ভারতে আমার ভাগ্নি থাকেন। তাদের সঙ্গে দুই বছর পর দেখা করতে এসেছে। ভারতে নির্বাচনের অজুহাতে এবার দেখা করতে দেয়া হয়নি। প্রতি বছর যেন দেখা করার সুযোগ করে দেওয়া হয়।

রংপরের পীরগঞ্জ থেকে আসা বাকলী রাণী (৫৭), চন্দ চাঁদ রায় (৬০) আমল (৪৭) সহ বিভিন্ন এলাকার অনেকে বলেন, সকাল থেকে আমরা আত্মীয়স্বজনদের সাথে দেখা করার জন্য অপেক্ষায় রয়েছি। দুপুর গড়িয়ে বেলা শেষের দিকে তারপরেও দেথা করতে পারছিনা। করোনা ভাইরাসের কারণে সব বন্ধ। আত্মীয়রা ওপারে অপেক্ষায় রয়েছে কাঁটাতারের কাছে আসতে পারছেনা। এবার পূজা সম্পন্ন করেই বাড়ি যাব। আগামী বছর দেখা করার অপেক্ষায় রইলাম।

পূজা কমিটির সভাপতি মধুবাবু বলেন, গত দুই বছর করোনা ভাইরাসের কারণে মিলনমেলা করা সম্ভব হয়নি শুধু প্জূা পালন করা হয়েছে। এবার মিলনমেলার আয়োজন করা হলেও স্বজনদের দেখা সাক্ষাত করা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে ভাতুঁড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান সরকার বলেন, করোনার কারণে গত দুই বছর ধরে মিলনমেলা হয়নি। দুই বাংলার এই সম্পর্ক যেন যুগ যুগ অটুট থাকে। সেজন্য প্রতিবছর এইদিনে এটি আয়োজন করা হয়।

হরিপুরের গোবিন্দপুর ও চাপাসার ক্যাম্পে কর্মরত সীমান্ত বাহিনীরা জানান, এবার মিলনমেলায় কাঁটাতারের ফাঁক দিয়ে দেখা করে কথা বলার সুযোগ বন্ধ করে দিয়েছে ভারতীয় কতৃপক্ষ। এবং কাঁটাতারের কাছে কোন বাংলাদেশীরা যেন না যায় সে বিষয়ে আমাদের অনুরোধ করেছেন তারা।

Continue Reading

Highlights

ঠাকুরগাঁওয়ে বাসের ধাক্কায় দুই এনজিও কর্মীর মৃত্যু

Avatar photo

Published

on

নিউজ ডেস্ক:
ঠাকুরগাঁওয়ে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই এনজিও কর্মী নিহত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় সদর উপজেলার বেগুনবাড়ী ইউনিয়নের ২৯ মাইল কদমতলি এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন-দিনাজপুর বীরগঞ্জ নিজপাড়া এলাকার সাহাদাত (২৫) ও সঞ্জয় (২৮)।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন ইনচার্জ সারোয়ার হোসেন জানান, সকালে মোটরসাইকেলে ঠাকুরগাঁও থেকে দিনাজপুরের দিকে যাচ্ছিলেন সাহাদাত ও সঞ্জয়। পথে ২৯ মাইল কদমতলি এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।

Continue Reading