ডিপ ফ্রিজে দ্বিগুণ দ্রব্য রাখার কৌশল!
রকমারি ডেস্ক:
ডিপ ফ্রিজে জায়গা কম নিয়ে সমস্যায় ভোগেন প্রায় সকল গৃহিণীই। প্রয়োজনের চাইতে অনেকের কাছেই ডিপ ফ্রিজটাকে ছোট মনে হয়। একসাথে বেশি বাজার করে তো রাখাই যায় না, সিজনের সময় এটা-ওটা কিংবা কোরবানির সময় মাংস রাখতেও বিশাল যন্ত্রণা হয়। চলুন, জেনে নিন এমন ৭টি কৌশল যা জায়গা বাঁচাবে ডিপ ফ্রিজে। এখন যা রাখছেন তাঁর প্রায় দ্বিগুণ পণ্য রাখতে পারবেন।
১) প্রথমেই বলে নিই, ডিপ ফ্রিজে কখনো মাছ বা মাংস আস্ত রাখবেন না। সবজি হয়ে শুরু করে মাছ-মাংস, সবই কুটে-বেছে রাখুন। চিংড়ি ধরনের মাছ তো অবশ্যই কুটে রাখবেন। দেখবেন অনেক খানি জায়গা সাশ্রয় হচ্ছে।
২) কীভাবে রাখেন মাছ-মাংস, নিশ্চয়ই পলিথিন ব্যাগে? পলিথিন ব্যাগে রাখুন বা জিপ লক ব্যাগে, আগে ভালো করে পানি ধরিয়ে নেবেন। নাহলে এই বাড়তি পানি ফ্রিজে জায়গা দখল করে নেয়। তারপর পলিথিন বা ব্যাগে ভরে ভালো করে বাতাস বের করে তবেই ফ্রিজে রাখবেন।
৩) পলিথিনে বা ব্যাগে ভরে খাবার ডিপ ফ্রিজে রাখবেন, খুব ভালো কথা। তবে একটা বুদ্ধি শিখে নিন, কখনই তালগোল পাকিয়ে খাবার রাখবেন না। বরং পলিথিনে বা ব্যাগে মাছ-মাংস রাখার পর প্যাকেটটা টেবিল বা ট্রে-তে রেখে সমতল করে নিন। সবচাইতে ভালো হয় চৌকো শেপ করতে পারলে। তালগোল পাকিয়ে না রেখে সমতল বা চৌকো আকারে রাখলে ফ্রিজে প্রচুর জায়গা বাঁচে এবং পরে বের করতেও সুবিধা হয়। অন্যদিকে তালগোল পাকিয়ে রাখলে অযথাই জায়গা নষ্ট।
৪) ডিপ ফ্রিজে বোতলে ভরে কিছু রাখবেন না। স্যুপ, দুধ, ষ্টক ইত্যাদি জিনিস বকে ভরে ফ্রিজে রাখুন। জায়গা বাঁচবে।
৫) আরেকটা কাজ করবেন, গোল বক্সের বদলে চারকোনা বক্স ব্যবহার করুন। অনেক জায়গা সাশ্রয় হবে।
৬) কাবাব বা এই জাতীয় কোন খাবার ফ্রিজে রাখার সময় বক্সে ভরে জায়গা নষ্ট করার কোন দরকার নেই। একটা ট্রে-তে কাবাব ছড়িয়ে ফ্রিজে রাখুন। ২/৩ ঘণ্টা পর জমে শক্ত হয়ে গেলে পলিথিন ব্যাগে ভরে রেখে দিন। এবার আর লেগে যাওয়ার ভয় নেই, অন্যদিকে বাঁচবে জায়গা।
৭) ফ্রিজ নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন। যদি ধনেপাতা বা পুদিনা পাতা জাতীয় কিছু ফ্রিজে রাখতে চান, তবে সেগুলো পেস্ট করে আইস বক্সে জমিয়ে আইস ক্রিব বানিয়ে ফেলুন। তারপর ব্যাগে ভরে রেখে দিন। আদা-রসুনও একইভাবে রাখতে পারেন। অনেকটা জায়গা বাঁচবে।