Connect with us

Highlights

পাবনায় হামলা ও খুন: জড়িতদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে হেযবুত তওহীদের মানববন্ধন

Avatar photo

Published

on

নিজস্ব সংবাদদাতা:
পাবনায় অরাজনৈতিক আন্দোলন হেযবুত তওহীদের কার্যালয়ে আন্দোলনের সদস্যদের উপর আকস্মিক হামলা ও একজনকে হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে ঢাকা মহানগর হেযবুত তওহীদ। বুধবার সকালে এই বর্বোরচিত হামলা ও হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।

এরআগে ২৩ আগস্ট (মঙ্গলবার) রাতে অরাজনৈতিক আন্দোলন হেযবুত তওহীদের পাবনা কার্যালয়ে আন্দোলনের সদস্যদের উপর আকস্মিক হামলা চালিয়েছে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী। এ ঘটনায় সন্ত্রাসীদের অস্ত্রের আঘাতে নিহত হন হেযবুত তওহীদের একজন কর্মী, আহত হন আরো দশজন। রাত সাড়ে আটটার সময় হামলার ঘটনাটি ঘটে।

মানববন্ধনে মূল বক্তব্য দেন হেযবুত তওহীদের কেন্দ্রীয় কমিটির গণমাধ্যম সম্পাদক এস এম সামসুল হুদা। আরো বক্তব্য দেন গুলশান শাখা সভাপতি গোলাম রব্বানি, যাত্রাবাড়ি শাখা সভাপতি ওয়ালিউল্লাহ খান, মিরপুর শাখা সভাপতি আব্দুল হক বাবুুল, মতিঝিল শাখা সভাপতি মেসবাহ উল ইসলাম প্রমুখ। তারা নেক্করজনক এ হামলায় জড়িত সবাইকে গ্রেফতারের জোর দাবি জানান।

বক্তারা জানান, পাবনা শহরের চরঘোষপুর ৮ নং ওয়ার্ডের ভাটামোড় অবস্থিত কার্যালয়ে জেলা সভাপতি সেলিম শেখ আন্দোলনের ১৫/১৬ জন সদস্যকে নিয়ে সাংগঠনিক বৈঠক করছিলেন। হঠাৎ করে ‘হেযবুত তওহীদের আস্তানা ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও, খ্রিষ্টানের আস্তানা ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও’ শ্লোগান দিতে দিতে কার্যালয়ে ঢুকে পড়ে একদল সশস্ত্র হামলাকারী। তাদের হাতে ছিল ধারালো চাপাতি, হাঁসুয়া, রাম দা, লাঠিসোটা, জিআই পাইপ, লোহার রড ইত্যাদি দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র। কোনো কথা না বলে তারা বৈঠকে উপস্থিত সবার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে থাকে। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে দশজন সদস্য মারাত্মকভাবে আহত হন যাদের একজন পরবর্তীতে মারা যান। রাতেই দুজনকে জরুরি চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে মো. সুজন (৩৩) রাত আড়াইটায় মারা যান এবং গুরুতর আহত আমিনুল ইসলাম (২৭) সেখানে আইসিইউ-তে রয়েছেন, যার অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক। পাবনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন আলামিন শেখ (২৭) ও সেলিম শেখ (৪১)সহ অন্য ছয়জন।

হেযবুত তওহীদের পাবনা জেলা কার্যালয়ে প্রবেশকারী হামলাকারীদের সংখ্যা প্রায় ৪০/৫০ জনের মত ছিল। তবে কার্যালয়ের বাইরেও আরো অনেক সন্ত্রাসী অবস্থান করছিল। হেযবুত তওহীদের সদস্যরা তৎক্ষণাৎ পাবনা সদর থানায় ফোন করে পুলিশের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। কিন্তু ঘটনাস্থলে পুলিশের টিম পৌঁছাতে প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা লেগে যায়। পুলিশ পৌঁছালে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। জেলা সভাপতি সেলিম শেখ বাদি হয়ে চিহ্নিত ১৪ জন এবং অজ্ঞাতনামা আরো ১০/১৫ জনের বিরুদ্ধে রাতেই মামলা দায়ের করেন।

মামলার আসামীরা হলো- ওই এলাকার মৃত হারেজ শেখের ছেলে মো. আলাল (৪৮), মো. আল আমিন (২২), আলাল শেখের ছেলে মো. এনামুল শেখ (২০), মৃত ইমারত মোল্লার ছেলে মো. ইমরান মোল্লা (১৯), মো. রাসেল ওরফে ভোলা শেখের ছেলে মো. বাপ্পি (১৮), মো. আছব শেখের মো. মারুফ শেখ (২৫), মৃত আফা শেখের ছেলে মো. রাসেল ওরফে ভোলা শেখ (৩৫), মো. বাদশা শেখের ছেলে মো. হোসাইন (৩০), মো. আনছের শেখের ছেলে মো. বকুল শেখ (৩০), মো. জালাল শেখের ছেলে মো. শান্ত (২২), মো. জুলমত শেখের ছেলে মো. আজিম শেখ (৩২), মোঃ উম্মত শেখের ছেলে মো. সুমন শেখ (৩২), মো. ফজুল মণ্ডলের মো. শিমুল মন্ডল (৩৫), মৃত রওশন মণ্ডলেরর মো. রাফিক ডাক্তার (৪৫)।

মানববন্ধনে হেযবুত তওহীদ কেন্দ্রীয় কমিটির গণমাধ্যম সম্পাদক এসএম সামসুল হুদা বলেন, ‘হেযবুত তওহীদ যেহেতু জঙ্গিবাদ, সাম্প্রদায়িকতা, ধর্মব্যবসার বিরুদ্ধে সোচ্চার। তাই বেশকিছুদিন থেকেই আমরা উগ্রবাদী সন্ত্রাসীদের একটি হামলার ষড়যন্ত্রের আভাস পেয়েছিলাম। তারা বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘদিন থেকে হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আসছিল এবং অপপ্রচারমূলক মিথ্যা বক্তব্যসংবলিত হ্যান্ডবিল এলাকায় বিতরণ করা হচ্ছিল। এর প্রেক্ষিতে গত মাসেই আমরা পাবনা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছিলাম। সাধারণ ডায়েরি নং-৩৯৭, তারিখ: ০৬/০৭/২০২২। প্রশাসন সাধারণ ডায়েরিটিকে আমলে নিয়ে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। নিলে আজকের এই ঘটনা ঘটত না।’

তিনি এই সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে আরো বলেন, ‘যারা যারা এ হামলা চালিয়েছে এবং যারা পেছন থেকে ইন্ধন যুগিয়েছে তাদের রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মীয় সামাজিক পরিচয় যাই হোক না কেন তারা সন্ত্রাসী। কাজেই তাদেরকে বিচারের মুখোমুখী করতে হবে।’

Highlights

কর্মচারী ‘নয়ন সিন্ডিকেটের’ দাপটে তটস্থ রমেক হাসপাতাল

Avatar photo

Published

on

রংপুর মেডিকেল কলেজ (রকেম) হাসপাতালে সেবা নিতে আসা রোগী ও রোগীর স্বজনদের হয়রানি নতুন কিছু নয়। বিষয়টি সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে স্বাভাবিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এবারে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগী, রোগীর স্বজন, চাকুরি প্রত্যাশীদের হয়রানি, কথায় কথায় হাসপাতালের নিরীহ কর্মচারীদের নানাভাবে হয়রানি, হাসপাতাল প্রশাসনকে দাপটের সাথে দাবিয়ে রাখাসহ নানা অভিযোগ উঠেছে ‘নয়ন সিন্ডিকেট’র বিরুদ্ধে।

জানা যায়, নয়ন সিন্ডিকেটের প্রধান নয়ন হাসপাতাল থেকে বরখাস্ত হলেও ‘কর্মচারি ইউনিয়নের সাইনবোর্ড’ এর সাধারণ সম্পাদক এর পদ ব্যবহার করে সব পর্যায়ের কর্মকাণ্ডকে জিম্মি করে রেখেছে। তার বিস্তর অপরাধের কাহিনী এখন ভুক্তভোগীসহ চিকিৎসাসেবীদেরও মুখে মুখে। এদের দৌরাত্মের নিকট অসহায়ত্ব প্রকাশ করেছেন স্বয়ং হাসপাতালের বিদায়ী পরিচালক ডা. শরিফুল হাসানও। এক সাক্ষাতকারে এই নয়ন সিন্ডিকেটের কাছে আত্মসমর্পণ করে বিদায় নিতে বাধ্য হয়েছেন বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

সূত্র জানায়, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৪০টি ওয়ার্ড রয়েছে। যার প্রতিটি ওয়ার্ডে বহিরাগত লোকবল নিয়োগ দিয়ে তাদের কাছে ওষুধের দালালিসহ সরকারি বরাদ্দকৃত ওষুধ ও সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি চুরি করার মোটা কমিশন হাতিয়ে নেয় নয়ন সিন্ডিকেট। এমন কি নয়নের সিন্ডিকেটের সদস্যরা হাসপাতালের নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে অবৈধভাবে বহিরাগত মাদকসেবীদের দিয়ে বিভিন্ন ওয়ার্ডের ডিউটি করান। যেসব মাদকসেবীদের দিয়ে অবৈধভাবে ডিউটি করান দিন শেষে তাদের হাজিরা না দিয়ে উল্টো তাদের কাছ থেকে নেয়া হয় সারাদিনের কু-কর্মের ভাগ বাটোয়ারার হিস্যা।

সেবাগ্রহীতা, স্বজন ও সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা যায়, নয়ন ও তার গ্রুপের লোকেরা একক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে সেবা নিতে আসা রোগীর স্বজদের সামান্য বিষয় নিয়ে লাঞ্ছিত, রোগী ও চিকিৎসাসেবীদের সাথে দুর্ব্যবহার, ওষুধ-সরঞ্জামাদি চুরি, চাঁদাবাজিসহ নানা অভিযোগ তার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে। এছাড়ও হাসপাতাল প্রশাসনকে দাপটের সাথে দাবিয়ে রাখাসহ এমন কোনো অপরাধ নেই যা নয়ন সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সংঘঠিত হয় না। বরখাস্ত হওয়া সত্ত্বেও হাসপাতালের কর্মচারি ইউনিয়নের সাইনবোর্ড এর খুঁটির নামে হাসপাতালের সব পর্যায়ের কর্মকাণ্ডকে জিম্মি করে রাখছে তার সিন্ডিকেট। প্রতিনিয়ত এই সিন্ডিকেটের নানামুখি অনৈতিক কর্মকাণ্ডে অসহায় ও উদ্বিগ্ন রমেক কর্তৃপক্ষও। এদের হয়রানি ও অত্যাচারের ভয়ে ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়না বলেও জানান অনেক ভুক্তভোগী।

আরও জানা যায়, নয়ন চাঞ্চল্যকর হত্যা ও অস্ত্র মামলার আসামি। হাসপাতালেও অভ্যন্তরে হত্যা, হত্যার উদ্দেশে মারপিট, গুরুত্বর জখম, চুরি, চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্মের হোতা ও হুকুমদাতার অপরাধে আসামী নয়নের বিরুদ্ধে রংপুর মেট্রোপলিনের কোতয়ালী থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এছাড়াও নানাবিধ ন্যাক্কারজনক অপরাধ অব্যাহতভাবে সংঘটিত করে আসছে এরা। নয়ন সিন্ডিকেটের এমন অপকর্ম রোধে দক্ষ প্রশাসনিক দায়িত্বের কোনো পরিচালক রংপুর মেডিকেল হাসপাতালে বেশিদিন টিকতে পারেন না বলে একটি কথা এখন কর্মচারীদের মুখে মুখে প্রচলিত হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, সম্প্রতি বদলি হওয়া রমেক হাসপাতালের পরিচালক ডা. শরিফুল হাসান সরকারের নির্দেশে হাসপাতালে আউর্সোর্সিংয়ের মাধ্যমে কিছুসংখ্যক জনবল নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন। বিদায়ী ওই পরিচালককে সেই নিয়োগ নয়ন সিন্ডিকেট মনোনীত ঠিকাদারকে দিতে চাপ প্রয়োগ করেন যা বিধিবহির্ভূত হওয়ায় হাসপাতাল প্রশাসন তা মানেন নি। পরে তাদের মনগড়া ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে জনবল নিয়োগ বানিজ্যের সুযোগ করে না দেয়ায় সেই সূত্রপাত ধরে তৎকালীন পরিচালকের বিষয়ে নানা মিথ্যা অপবাদ তুলে অযৌক্তিক আন্দোলনের ধোয়া তুললে পরিচালক বদলি হন।

কথা বলতে চাইলে বিদায়ী পরিচালক ডা. শরিফুল হাসান টেলিফোনে জানান, ‘যুদ্ধে আমি পরাজিত সৈনিক। অনেক চেষ্টা করেও রমেক হাসপাতালের দীর্ঘদিন থেকে গড়ে ওঠা দুর্নীতিবাজ অপশক্তি নয়ন সিন্ডিকেটের কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ করে বিদায় নিতে বাধ্য হয়েছি। যতদিন এই সিন্ডিকেটের হাত থেকে হাপাতালকে মুক্ত করা না হবে, ততোদিন উত্তরাঞ্চলের মানুষ স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্ছিত হতেই থাকবে।’

এদিকে প্রশ্ন উঠেছে বরাদ্দ ছাড়াই সাময়িক বরখাস্ত হওয়া নয়ন একজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী হয়ে কর্মকর্তাদের জন্য বরাদ্দ রমেক ক্যাম্পাসের ১০নং কোয়ার্টারে থাকেন কিভাবে? এছাড়াও শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র (এসি) সহ গৃহস্থালি নানা রকম ইলেক্ট্রিক সরঞ্জাম ব্যবহার করে সরকারি বিদ্যুৎ অপচয় করছেন নির্বিঘ্নে। বিষয়টি নিয়ে হাসপাতালে কর্মচারীদের মধ্যেও কানাঘোষা চলছে কিছুদিন ধরে।
এ বিষয়ে রমেক হাপাতালের কর্মচারি ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নয়ন এর সাক্ষাতকার নিতে চাইলেও তাদের দেখা মেলেনি। পরে টেলিফোনে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সাংবাদিকের পরিচয় পেয়ে অসুস্থতার কথা বলে ফোন কেটে দেন নয়ন। কর্মচারি ইউনিয়নের সভাপতি শাহিনের সাথে রোববার (২৮ মে’ ২৩) তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেনি।

হাসপাতালের বর্তমান পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইউনুস আলী জানান, দীর্ঘদিন থেকে জিইয়ে রাখা অযুত সমস্যাগুলো সমাধানে কাজ করছেন তিনি। তিনি আরও বলেন, সময় ও সবার সহযোগিতা পেলে হাসপাতালের উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করবেন বলে তিনি আশাবাদী। তবে সংঘবদ্ধ নয়ন সিন্ডিকেটের ব্যাপারে বলেন, আমি সদ্য যোগ দিয়েছি। এখনও ভালো করে বুঝে উঠতে পারিনি। যথাযথ অভিযোগ পেলে দায়িদের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Continue Reading

Highlights

শেরপুরে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন

Avatar photo

Published

on

শেরপুর প্রতিনিধি: শেরপুর সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহমানের স্ত্রী কর্তৃক আদালতে দায়ের করা যৌতুক মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন হয়েছে। ২৭ মে শনিবার দুপুরে সদর উপজেলার পোড়ার দোকান‘থই থই কফি পার্ক’ এ ওই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহমান লিখিত ও মৌখিক বক্তব্যে জানায়, আমি একজন নিরিহ ও সহজ সরল মানুষ। জনগন আমাকে উপজেলা নির্বাচনে বিপুল ভোটে ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেন। উপজেলা চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম হজব্রত পালনের জন্য সৌদি যাবার প্রাক্কালে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নির্বাচনের জন্য গত ১৫ মে সদর উপজেলার ১৪ ইউনিয়নের মধ্যে ১১ ইউপি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে সংরক্ষিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সাবিহা জামান শাপলা এবং আমার মধ্যে ভোট অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে মাত্র ৩ ভোট পেয়ে আমার সাথে পরাজিত হয়। এতে সে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই দিনই আমাকে এবং উপস্থিত ইউপি চেয়ারম্যানদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং আমাকে নানা ভাবে হয়রানী করার হুমকি দেন।

এসময় শাপলা আমাকে হুমকি দিয়ে জানায়, আমি একজন সাংবাদিক নেতাও, তাই আমাকে পরাজিত করার ফল পেতে হবে। এর পর ওই ভাইস চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক শাপলা আমার পেছনে লেগে আছে। আমার স্ত্রী তানজিলা আক্তারের সাথে কিছু দিন যাবৎ বনিবনা হচ্ছিলো না। সেই সুযোগে ভাইস চেয়ারম্যান শাপলা আমার স্ত্রীকে ফুসলিয়ে আমার বিরুদ্ধে ২৪ মে আদালতে একটি যৌতুক মামলা দায়ের করে। এরপর শাপলা আমার স্ত্রীর কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ নিয়ে স্থানীয় কিছু সাংবাদিকদের দিয়ে ভিত্তিহীন ও মানহানিকর সংবাদ পরিবেশন করেন। সমাজে এতে আমার মানসম্মান ক্ষুন্ন হয়েছে। ভাইস চেয়ারম্যান সাবিহা জামান শাপলা নিজে একাধারে জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও এমপিও ভুক্ত একটি মাদরাসার শিক্ষক হয়ে সকল স্থান থেকে বেতন-ভাতা উত্তোলন করে অনিয়ম ও দুর্নিতির আশ্রয় নিয়েছেন। এছাড়া তিনি জামায়াত পরিবারের সদস্য হয়ে আওয়ামীলীগে নাম লিখিয়ে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে যাচ্ছে। তার মরহুম পিতা সুরুজ্জামান একজন তালিকাভুক্ত রাজাকার ছিলেন।

এসময় তিনি আরও বলেন, এযাবৎ কালে আমার বিরুদ্ধে কোন অপরাধ কার্মকান্ড ও দুর্নীতির অভিযোগ নেই। স্থানীয় জনগনের সর্বদা পাশে থাকার কারণে এলাকায় আমি গরিবের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছি। অতএব আমার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা সত্য প্রমান করতে পারবে না। আমার স্ত্রী একজন অর্থলোভি এবং ব্লেকমেইলার। সে আমাদের অন্তরঙ্গ সম্পর্কের ভিডিও ভাইরাল করার চেষ্টা করে আমাকে হেয় করার চেষ্টা করেছে। তাই আমার বিরুদ্ধে প্রকাশিত মিথ্যে সংবাদের প্রতিবাদ জানাই।

অভিযুক্ত ভাইস চেয়ারম্যান শাবিহা জামান শাপলা সাংবাদিকদের জানায়, আমি ভাইস চেয়ারম্যান মিজানের স্ত্রীর বিষয়ে ইতিপূর্বে বেশ কয়েকবার শালিস-দরবার করেছি। সেকারণে তিনি ন্যায় বিচারের জন্য তার ¯^ামীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে আমার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে প্রতিকার চেয়ে। সেজন্য আমি নারী নেত্রী হিসেবে তাকে সহযোগীতা করেছি। এছাড়া আমার বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগ অসত্য, ভিত্তহীন।

এদিকে ভাইস চেয়ারম্যান মিজানুর রহমানের স্ত্রী তানজিনা আক্তার জানায়, আমি কারো প্ররোচনায় মামলা করিনি। এছাড়া আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগও মিথ্যে। ছবি সংযুক্ত

Continue Reading

Highlights

বিবিসি বাংলার চোখে আজকের বাংলাদেশী পত্রিকার খবর

Avatar photo

Published

on

মোখায় ক্ষয়ক্ষতির হিসাব, হিন্দু নারীর অধিকার নিয়ে হাইকোর্টের রুল, নাটকীয় জয়ে সিরিজ বাংলাদেশের

আজ সমকালের প্রথম পাতাজুড়ে প্রধার খবর “বড় বাঁচা বাঁচল উপকূল”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, চোখ রাঙিয়েছে কয়েক দিন। ক্ষণে ক্ষণে বদলিয়েছে গতি। ঘূর্ণিঝড়টির প্রবল ক্ষমতা দেখে বিশ্বের সব আবহাওয়া সংস্থার পূর্বাভাসে বড় ঝুঁকির তালিকায় ছিল বাংলাদেশ।

কেউ কেউ একে সুপারসাইক্লোনও বলেছেন। আবহাওয়া অধিদপ্তর কক্সবাজার নৌবন্দরকে দেখিয়ে যেতে বলেছিল ১০ নম্বর মহা-বিপৎসংকেত।

এমন আভাসে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে উপকূলে। মোকার মূল কেন্দ্র সেন্টমার্টিন থেকে চোখ ফিরিয়ে নেয় মিয়ানমারের দিকে। বাংলাদেশকে বাঁয়ে রেখে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে মিয়ানমারে।

ঘূর্ণিঝড় মোখাকে ঘিরে যুগান্তরের প্রথম পাতার খবর, “চার কারণে মোখার আঘাত মিয়ানমারে”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশ-বিদেশের বিভিন্ন মডেলে মোখার গতিপথ দেখানো হয়েছিল সেন্টমার্টিনের হয়ে বাংলাদেশ-মিয়ানমারের সীমানা নির্ধারক নদী নাফ।

মূলত চার কারণে সেন্টমার্টিনেরও অন্তত ১০০ কিলোমিটার দক্ষিণ দিক দিয়ে মিয়ানমারে চলে যায়।

কারণগুলো হচ্ছে-পশ্চিমা বায়ুপ্রবাহ, সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা, ভূপৃষ্ঠ থেকে ঊর্ধ্বমুখী (আকাশ) বায়ুর চাপ এবং ‘সাইক্লোন হিট পটেনশিয়াল’। এগুলো বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক ছিল।

এ নিয়ে নয়াদিগন্তের ভিন্ন ধরণের শিরোনাম, “ভাটার টানেই রক্ষা”। আবহাওয়াবিদ মোস্তফা কামালকে উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘূর্ণিঝড় মোখার কেন্দ্র যখন টেকনাফের সেন্টমার্টিন ও মিয়ানমারের মংডু জেলা অতিক্রম করছিল ঠিক তখনই বঙ্গোপসাগরে ভাটার টান শুরু হয়।

মোখার ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে ইত্তেফাকের প্রধান শিরোনাম “মোখার আঘাতে কক্সবাজারে ১০ হাজার ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ’মোখা’র প্রভাবে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে কক্সবাজারের বিচ্ছিন্ন দ্বীপ সেন্টমার্টিন এবং উপকূলীয় টেকনাফ এলাকার।

সরকারি হিসাবেই কক্সবাজারে বিধ্বস্ত হয়েছে ১০ হাজারের বেশি ঘর-বাড়ি। উপড়ে গেছে কয়েক হাজার গাছপালা। সেন্টমার্টিনে ৮০ শতাংশ কাঁচা ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এসময় সাগরের জলোচ্ছ্বাসে তলিয়ে যায় সেন্টমার্টিনের একাংশ। সেখানে ঘরবাড়ি, গাছপালা, বিদ্যুতের খুঁটিসহ বিভিন্ন অবকাঠামো উপড়ে পড়ে।

নিউ এইজের প্রথম পাতার খবর, “Load-shedding across Bangladesh sets record at 2,925MW”। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১৩ই মে রাত ১২টায় ২,৯২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি রেকর্ড করেছে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অফ বাংলাদেশ, যা লোডশেডিংয়ের নতুন রেকর্ড।

দেশটির মোট বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৬৪ শতাংশ আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রয়েছে।

দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতার খবর, “আইএমএফের ইতিবাচক প্রস্তাব গ্রহণের নির্দেশ”। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলসহ (আইএমএফ) বিভিন্ন ঋণদানকারী সংস্থার দেওয়া সংস্কার প্রস্তাবের যেগুলো বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক, যাচাই-বাছাই করে সেগুলো গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আগামী অর্থবছরেই এসব সংস্কারের সবটা গ্রহণ না করে, পর্যায়ক্রমে পরের তিন অর্থবছরে গ্রহণ করতে বলেছেন তিনি।

কালের কণ্ঠের পেছনের পাতার খবর, “কালো টাকা সাদা করার সুবিধা স্থায়ী হতে পারে”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, নির্বাচনের আগে সব পক্ষকে খুশি রাখতে চায় সরকার।

এ জন্য প্রতিবছরের মতো এবারও অপ্রদর্শিত অর্থ সাদা করার ধারা বহাল রেখে অর্থ মন্ত্রণালয়কে প্রস্তাব করা হতে পারে। বেশি সম্পদ থাকলে নিয়মিত করের বাইরে সারচার্জ দিতে হয়।

আগামী বাজেটে ধনীদের সম্পদে সারচার্জ বাড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

দ্য ডেইলি স্টারের প্রথম পাতার খবর, “Don’t increase tax burden on ordinary people”। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসন্ন অর্থবছরে রাজস্ব আদায় ১৬ শতাংশ বাড়ানোর লক্ষ্য অর্জন করতে গিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর করের বোঝা না বাড়াতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

বণিক বার্তার প্রথম শিরোনাম “অননুমোদিত পরিবহন চলাচলে এশিয়ায় শীর্ষে খুলনা ও ঢাকা”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, খুলনা শহরে যত যানবাহন চলে তার ৫৮ শতাংশেরই কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেই। আর ঢাকায় অননুমোদিত পরিবহনের পরিমাণ ৫৪ শতাংশ।

প্রথম আলোর পেছনের পাতার খবর, “৭ প্রজাতির উদ্ভিদ বিলুপ্ত”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দোলনচাঁপা ফুলের গাছ হয়তো অনেকেই দেখে থাকবেন।

কিন্তু ফিতেচাঁপা নামে যে দেশে এক প্রজাতির ফুলগাছ ছিল তা খুব বেশি মানুষের জানা নেই। কারণ উদ্ভিদের ওই প্রজাতিকে বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে বন বিভাগ। মানে এটি গত একশ বছরের মধ্যে দেশের আর কোথাও দেখা যায়নি।

বিলুপ্তির তালিকায় যুক্ত হয়েছে আরও ছয় প্রজাতি, আর মহাবিপন্ন অবস্থায় রয়েছে পাঁচ প্রজাতির উদ্ভিদ।

অন্যান্য খবর
সমকালের পেছনের পাতার খবর, “বিএনপিতে আবারও গ্রেপ্তার আতঙ্ক”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, রাজধানীসহ সারাদেশে ফের গ্রেপ্তার আতঙ্কে বিএনপির নেতাকর্মীরা। প্রায় প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন স্থানে নতুন মামলায় আসামি করা হচ্ছে তাঁদের, একই সঙ্গে গ্রেপ্তার হচ্ছেন তারা।

কোথাও কোথাও পুরোনো মামলায় আটকের ঘটনা ঘটছে।

যুগান্তরের প্রথম পাতার খবর, “একটির বেশি স্বর্ণ বার আনলে বাজেয়াপ্ত”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, প্রবাসীকর্মী বা বিদেশফেরত যাত্রীরা একটির বেশি স্বর্ণের বার (১৫০ গ্রাম) দেশে নিয়ে এলে সেটি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হবে।

মূলত বৈধভাবে স্বর্ণ আমদানি উৎসাহিত করতে এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে আগামী বাজেটে ব্যাগেজ রুলে এ সংশোধন আনা হচ্ছে।

বর্তমান ব্যাগেজ রুল অনুযায়ী, একজন ব্যক্তি বিদেশ থেকে আসার সময় ১০০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণালংকার আনতে পারেন, এজন্য শুল্ক-কর দিতে হয় না।

বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ড ওয়ানডে সিরিজ নিয়ে ইত্তেফাকের খবর “নাটকীয় জয়ে সিরিজ বাংলাদেশের”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, মুস্তাফিজ, হাসান মাহমুদ, নাজমুল হোসেন শান্তর বোলিং জাদুতে তৃতীয় ম্যাচেও নাটকীয় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ।

হাতের মুঠো গলে প্রায় বেরিয়ে যাওয়া ম্যাচ জিতেছে পাঁচ রানে। বাংরাদেশের ২৭৪ রানের জবাবে আয়ারল্যান্ড ৯ উইকেট হারিয়ে করতে পেরেছে ২৬৯ রান। দারুন এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজটাও বাংলাদেশ জিতে নিয়েছে ২-০ ব্যবধানে।

নিউ এইজের প্রথম পাতার খবর, “Why Hindu women rights won’t be ensured: HC”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, হিন্দু নারীদের অধিকার হরন সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে কেন কোন নির্দেশ দেওয়া হবে না সে বিষয়ে সরকারকে চার সপ্তাহের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে বলেছে হাইকোর্ট।

হিন্দু নারীরা বিবাহবিচ্ছেদ, বিবাহ নিবন্ধন, সন্তানের অভিভাবকত্ব, দত্তক নেয়া, সম্পত্তিতে সমান উত্তরাধিকার এবং হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন ২০১২ বাতিলের অধিকার দাবি করে।

হিন্দু বিবাহ আইনে বিয়ে রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক নয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, ধর্ম সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

বাজারদর নিয়ে বণিক বার্তার পেছনের পাতার খবর, “এক মাসে পেঁয়াজের দাম দ্বিগুণ, ফের আমদানির কথা ভাবছে সরকার”। খবরে বলা হয়েছে, উৎপাদন মৌসুমে কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে গত মার্চের মাঝামাঝি থেকে বন্ধ রয়েছে পেঁয়াজ আমদানি।

শুরুর দিকে দাম নিয়ন্ত্রণে থাকলেও এক মাসের ব্যবধানে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। ফলে আবারো পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়ার কথা ভাবছে সরকার। চাহিদার চেয়ে দেশে উৎপাদন বেশি হলেও অব্যবস্থাপনার কারণে ভোক্তারা এর সুফল পাচ্ছেন না বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্যমতে, বর্তমানে দেশের বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকায়। এক মাস আগে বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৩০-৪০ টাকায়।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে ঘিরে নয়াদিগন্তের খবর, “আমরা অনেক এগিয়ে : এরদোগান”। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তুর্কি প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ান বলেছেন, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি তার প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে অনেক এগিয়ে রয়েছেন।

তবে প্রথম রাউন্ডেই তার বিজয় নিশ্চিত হওয়ার ব্যাপারে তিনি এখনো দ্বিধায় রয়েছেন। নির্বাচনের আগে বিশ্লেষকেরা বলছিলেন যে এরদোগান তার পুরো ক্যারিয়ারে এবারই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন। তারা এখন বলছেন, এরদোগান অনেক ব্যবধানে এগিয়ে থাকলেও দ্বিতীয় রাউন্ডের ভোট অনিবার্য।

Continue Reading