Connecting You with the Truth
ওয়েব ডিজাইন
গ্রাফিক্স
এসইও
ফেসবুক বুস্ট
📞 01757-856855
অর্ডার করুন »

বেনাপোলে ঈদকে সামনে রেখে সক্রিয় হচ্ছে চামড়া পাচার চক্র

Benapole LEATHER PACHER --pic==

বেনাপোল প্রতিনিধি: আসন্ন ঈদুল আযহাকে কেন্দ্র করে শার্শার ও বেনাপোল বিভিন্ন সীমান্তে সক্রিয় হয়ে উঠেছে চোরাচালান ও চামড়া পাচার চক্র।কোরবানি ঈদে গরু ছাগলের চামড়া ভারতে পাচার করতে আগে থেকেই বিভিন্ন সীমান্ত পথে শুরু হয়েছে পাচার চোরাচালান চক্রের চিহ্তি ব্যক্তিদের আনাগোনা।কোরবানী ঈদে বিপুল পরিমান গরু ছাগলের চামড়া শার্শার ও বেনাপোল বিভিন্ন সীমান্ত পথে ভারতে পাচার হয়ে যায়।সীমাস্তের বিভিন্ন গ্রামে লক্ষ্য করা যায় পাচারকারী চক্রের অবাধ বিচরণ।

ইতিমধ্যেই সীমান্তবর্তী বিভিন্ন গ্রামে চামড়া পাচার চক্রের সদস্যদের বিচরণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে এই পথে চোরাচালান হওয়া পণ্যের সিংহভাগ প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে, আবার কখনো অবৈধ চুক্তিতে সীমান্ত পেরিয়ে দেশের অভ্যস্তরে প্রবেশ করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।এদিকে, সীমাস্তে নিরাপত্তা বাড়ানো হলেও ঈদকে সামনে রেখে সংঘবদ্ধ চোরাচালানীরা ভারতীয় বিভিন্ন পণ্য সামগ্রী ও মাদক সংগ্রহে উঠেপড়ে লেগেছে। বেনাপোল সীমাস্তের চোরাচালান রুট গুলোর মধ্যে অন্যতম রুদ্রপুর,অগ্রভুলোট,গোগা,পুটখালী,দৈলতপুর,গাতিপাড়,শালকোনা ও শিকারপুর।অবৈধ পণ্য চালান প্রবেশ বন্ধ করতে হলে সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষের আস্তরিকতার পাশাপাশি তদারকিও প্রয়োজন।

কিন্তু আর্থিক উৎকোচের বিনিময়ে কোনো তদারকি করা হচ্ছেনা বলেও অভিযোগ স্থানীয়দের।এছাড়া ঈদকে সামনে রেখে সীমান্তে এখন চোরাচালানীদের অবাধ বিচরণও লক্ষ্য করা যাচ্ছে।মাদক দ্রব্য, গোলা বারুদ, ফেন্সিডিল, ইয়াবা, হেরোইন ভারত থেকে আসছে প্রতিদিন।এসব অবৈধ মালামালের কয়েকটি চালান প্রশাসনের হাতে আটক হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পাচারকারীরা তাদের অবৈধ মালামাল সংশি¬ষ্ট প্রশাসনের কতিপয় অসাধু ও দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে অবাধে চালাচ্ছে পাচার চক্ররা। ফলে বেশির ভাগ পাচার হয়ে আসে এসব অবৈধ মালামালের বড় বড় চালান।তবে চামড়া পাচারকারী চক্রের সদস্যরা প্রতিবছর কোরবানী ঈদের সময়েই আসে বলেও জানা যায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সীমাস্তের একাধিক সুত্র মতে, চামড়া পাচারকারীরা ঈদের ২০/২৫ আগে থেকে শার্শার ও বেনাপোল বিভিন্ন সীমান্তের গ্রামে এসে গ্রামবাসীদের সাথে সক্ষ্যতা গড়ে তোলে এবং পাচারকারী চক্রের সদস্যরা কোটি কোটি টাকা নিয়ে সীমান্তের বিভিন্ন গ্রামে আশ্রায় নেয়। তারপর স্হনীয় বিভিন্ন ব্যক্তির মাধ্যমে শার্শা,বেনাপোল, নাভারণ সহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে গরু ছাগলের চামড়া সংগ্রহ করে প্রথমে মজুদ করে সীমান্তের আশ্রয় নেয় স্হনীয় ব্যক্তিদের বাড়িতে।

বাংলাদেশেরপত্র.কম/এডি/আর

Leave A Reply

Your email address will not be published.