Connecting You with the Truth

বেনাপোলে সিএন্ডএফ স্টাফদের কর্মবিরতি প্রতিবাদ সভা

benapole-cf-staff-associationকামাল হোসেন, বেনাপোল: বেনাপোল কাস্টমস হাউজের এক সিএন্ডএফ এজেন্টের স্টাফের কাস্টমস সরকার পারমিট কার্ড বাতিল করার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সকালে এক ঘন্টার কর্মবিরতিসহ কাস্টমস হাউজের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বেনাপোল সিএন্ডএফ স্টাফ এ্যাসোসিয়েশন।
সিএন্ডএফ স্টাফ এসোসিয়েশন সূত্রে জানা গেছে, গত ১ আগস্ট সিএন্ডএফ এজেন্ট নিরা এন্টারপ্রাইজ আমদানিকৃত পণ্য ছাড় করানোর জন্য একটি বিল অফ এন্ট্রি দাখিল করে বেনাপোল কাস্টমস হাউজে। ফাইলটি দীর্ঘ এক মাসের উপর ঘুরানোর কারনে নিরা এন্টারপ্রাইজের ম্যানেজার সাইফুল ইসলাম রিপন বুধবার সকাল ১১টার দিকে এর কারন জানতে চায় শুল্কায়ন গ্রæপে ৪ এর সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তা আমিরুল ইসলামের নিকট। তিনি কোন কারন জানাতে অপরাগতা প্রকাশ করলে সিএন্ডএফ কর্মচারী রিপন বৈধ আমদানিকৃত ফাইল স্বাক্ষর করে পণ্য ছাড় করানোর জন্য অনুরোধ করেন। তখন কাস্টমস এর সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম তাকে পরে দেখব বলে জানালে এ নিয়ে কথাকাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ধাক্কাধাক্কি হয়। এর পর সিএন্ডএফ স্টাফ রিপনের সরকার পারমিট বাতিল করে ও সংশ্লিস্ট সিএন্ডএফ এজেন্টের বিন লক করে দেন কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। এদিকে ওই দিন কাউকে কিছু না জানিয়ে হামলার অজুহাত তুলে বিকেল ৪টার দিকে বেনাপোল কাস্টমস হাউজের শুল্কায়ন গ্রæপের কর্মকর্তারা হঠাৎ করে সকল কাজ বন্ধ করে দেন। পরে কমিশনারের হস্তক্ষেপে এক ঘন্টা পর কাজ শুরু হয়।
কথায় কথায় সরকারি কর্মকর্তা হয়ে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার ও রিপনের সরকার কার্ড পুন:বহালের দাবিতে বৃহস্পতিবার সকালে সিএন্ডএফ স্টাফরা কাস্টমস হাউজে এক ঘন্টা কর্মবিরতি পালন করেন। পরে কাস্টমস গেটের সামনে বিশাল এক প্রতিবাদ সভা করেন। প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন সিএন্ডএফ কর্মচারী স্টাফ ইউনিয়নের সভাপতি মুজিবর রহমান, সাধারন সম্পাদক নাসির উদ্দিন, সহসভাপতি আমিরুল ইসলাম, বন্দর সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সাকিল প্রমুখ।
বক্তারা কাস্টমস হাউজের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বলেন তারা এখানে সরকারের রাজস্ব আহরন করতে আসেনি। তারা এসেছে তাদের নিজেদের পকেট ভারী করতে। প্রতিটি পেপারে তারা টেবিল প্রতি একটা ঘুষের টাকা নেয় তারপর বিভিন্ন কারন দেখিয়ে তারা আরো বেশী টাকা দাবি করে। এতে সিএন্ডএফ স্টাফরা কাস্টমস হাউজে আমদানিকৃত পণ্য ছাড়াতে নাজেহাল হচ্ছেন। অনতি বিলম্বে তার কাস্টমস সরকার কার্ড এর বাতিল প্রত্যাহার এবং হয়রানি বন্ধ না হলে ঈদের পর বৃহৎ আন্দোলনের কর্মসুচি দেওয়া হবে বলে তারা ঘোষনা দেন।

Comments
Loading...