Connecting You with the Truth
ওয়েব ডিজাইন
গ্রাফিক্স
এসইও
ফেসবুক বুস্ট
📞 01757-856855
অর্ডার করুন »

ভাঙন অব্যাহত; গঙ্গাচড়ায় তিস্তার পানি বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই চিলাখাল সপ্রাবি বিলিনের পথে

Gangachara tista vanggon pic  13 06 2015 13-6-15

কামরুজ্জামান লিটন, গঙ্গাচড়া, রংপুর: 

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় তিস্তার ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। কয়েক দিন থেকে প্রবল বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তার পানি বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই করছে। চিলাখাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বিলিনের পথে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, ৫২ দশমিক ৩৮ সেন্টিমিটার দিয়ে তিস্তার পানি প্রবাহিত হচ্ছে। আর ২ সেন্টিমিটার হলেই পানি বিপদসীমা দিয়ে প্রবাহিত হবে। তিস্তার পানি বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই অবস্থায় প্রবাহিত হওয়ায় উপজেলার কোলকান্দ ইউনিয়নের চিলাখাল, সাউদপাড়া ও আলমবিদিতর ইউনিয়নের পাইকান হাজিপাড়া, পীরপাড়া এলাকায় তিস্তার ভাঙন থামছেনা। প্রতিদিনের ভাঙনে বিলীন হচ্ছে শত শত গাছপালা, আবাদী জমি। ভেসে যাচ্ছে পশুপাখি। গতকাল তিস্তার ভাঙনে চিলাখাল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দু’টি পাকা টয়লেট ও নলকুপ সহ বৈদ্যুতিক খুটি বিলীন হয়েছে। হুমকিতে রয়েছে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মূলবাঁধ। ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটছে এলাকাবাসির। উপজেলা চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত ভাবে দেওয়া ৫’শ বালুর বস্তা ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের বরাদ্দকৃত জিও ব্যাগ, সেন্থেটিক ব্যাগ ও বাশেঁর পাইলিং দিয়ে এলাকাবাসি,স্কুলের শিক্ষার্থী ভাঙন রোধের চেষ্টা করছেন। এছাড়া গত তিন দিনের ভাঙনে ২০ পরিবারের ঘরবাড়ি বিলীন হয়ে যায়। নতুন করে ভাঙনের মুখে পড়েছে সাউদ পাড়া, পীরপাড়া ও হাজিপাড়ার আনোয়ারুল, যাদু মিয়া, হাফেজ, আবু সাঈদ, কাশেম, নুর জামাল, নওশা, সুলতান, ছাত্তার, জাহাঙ্গির ও হাতেম আলীর বাড়িঘর। ভাঙন কবলিত এলাকা গতকাল পরিদর্শন করেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবলু, নিলফামারী কিশোরগঞ্জ পওর উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী আব্দুল খালেক, উপ সহকারী প্রকৌশলী শহিদুর রহমান। উপ সহকারী প্রকৌশলী শহিদুর রহমান জানান, সার্বক্ষণিক ভাঙন কবলিত এলাকায় তদারকি করা হচ্ছে। ইতি মধ্যে জিও ব্যাগ, সেন্থেটিক ব্যাগ ও বাশেঁর পাইলিং দিয়ে ভাঙন রোধে কাজ শুরু হয়েছে। এ ব্যপারে উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবলু বলেন, তিস্তার ভাঙনে উপজেলা পরিষদ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.