Connecting You with the Truth
প্রিমিয়াম ওয়েব হোস্টিং + ফ্রি ডোমেইন
সাথে পাচ্ছেন ফ্রি SSL এবং আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ!
অফারটি নিন »

- Advertisement -

সংসদ উপনেতা ও সাংসদের ছোয়ায় সালথার সেই ৫ গ্রামের মানুষের স্বস্তি ফিরে এসেছে

saltha unnayon picআবু নাসের হুসাইন, সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: জাতীয় সংসদের উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী এমপি ও তার জৈষ্টপুত্র বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা আয়মন আকবার চৌধুরী বাবলুর ছোয়ায় ফরিদপুরের সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের অবহেলিত সেই ৫টি গ্রামের মানুষের স্বস্তি ফিরে এসেছে। জানা যায়, স্বাধীনতার ৪৪ বছর পর আজ জয়ঝাপ, আগুলদিয়া, মোড়হাট, খর্দ্দফুকরা ও রঘুয়ারকান্দী গ্রামের মানুষের মাঝে আনন্দ ফুটে উঠেছে। গত বছর “সালথায় অবহেলিত ৫ গ্রামের মানুষ” শিরোনামে একাধিক জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকায় এই সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে। অবশেষে সংসদ উপনেতা ও তার ছেলে আয়মন আকবার চৌধুরী বাবলুর প্রচেষ্টায় অবহেলিত মানুষের সপ্ন পূরণ হয়েছে। বালিয়া বাজার থেকে জয়ঝাপ গ্রামের মাঝখান দিয়ে মোড়হাট গ্রাম হয়ে কাউলিকান্দা পাকা সড়ক পর্যন্ত প্রায় ৭ কিলোমিটার কাচা রাস্তা পাকার কাজ প্রায় শেষের দিকে। অপরদিকে জয়ঝাপ খালপাড় থেকে রঘুয়ারকান্দী গ্রামের সামনে দিয়ে ভাওয়াল মাদ্রাসা পাকা সড়ক পর্যন্ত রাস্তার কাজ অব্যহত। এই ৫ গ্রামের রাস্তার পিচ ঢালাইয়ের কাজ আগামী এক মাসের মধ্যে সম্পর্ণ হবে বলে উপজেলা প্রকৌশলী অফিস জানিয়েছেন। এ ছাড়াও ৫টি গ্রামের মানুষের বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াতের জন্য দিয়াপাড়া- জয়ঝাপ গ্রামের মাঝে খালের উপর ও মোড়হাট- ভাওয়াল মাদ্রাসার মাঝে কুমার নদীর উপর প্রায় আড়াই কোটি টাকা ব্যায়ে ২টি ব্রীজ নির্মান করা হয়েছে। যার কারনে এই ৫ গ্রামের অসুস্থ্য রোগী দ্রুত হাসপাতালে যেতে পারছে। জয়ঝাপ গ্রামের বাসিন্দা ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু জাফর মোল্যা এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মানিক মাতুব্বার এ প্রতিনিধিকে বলেন, স্বাধীনতার পরে অনেকেই এমপি মন্ত্রী হয়েছে। কিন্তু কেউ কোন দিন এই এলাকায় উন্নয়ন করেনি। এর আগে আমাদের সাজেদা আপা বনমন্ত্রী হয়ে হালটের উপর দিয়ে বেশ কিছু কাচা রাস্তা কেটেছে ও স্কুল মাদ্রসার উন্নয়ন করেছে। এবার সাজেদা আপা উপনেতা হয়ে তার ছেলে আয়মন আকবার চৌধুরী বাবলু মামাকে সাথে নিয়ে সব রাস্তা গুলো পাকা করেছে। তারা যে উন্নয়ন করেছে, তা কোনদিন ভূলার নয়। অবহেলিত ৫টি গ্রাম আজ নগরে পরিনত হয়েছে। দলমত নির্বিশেষে এই ৫ গ্রামের মানুষ আপা ও মামার কাছে চিরদিন ঋনী হয়ে থাকবে। পাশাপাশি উপজেলার প্রতিটি এলাকায় উন্নয়নের ধারা অব্যহত রয়েছে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.