Connect with us

আন্তর্জাতিক

৩০ বসর পর নির্দোষ প্রমাণ

Avatar photo

Published

on

JP-CAROLINA2-blog427ঘটনার সূত্রপাত ১৯৮৩ সাল। ১১ বছরের এক বালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে  দুই ভাই হেনরি লি ম্যাককুলাম ও লিওন ব্রাউনকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলিনার একটি আদালত। পরে ব্রাউনের শাস্তি কমিয়ে আজীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়।

ওই ঘটনার ত্রিশ বছর পর অবশেষে মঙ্গলবার প্রমাণ হয় ওই দুই ভাই নির্দোষ। ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই।

অবশ্য আটকাবস্থায় বরাবরই নির্দোষ দাবি করে আসছিলেন দুই ভাই। তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা ডিএনএ নমুনাও পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় দেখা যায় ডিএনএ নমুনার সঙ্গে দুই ভাইয়ের ডিএনএ’র কোনো মিল নেই। বরং সাদৃশ্য পাওয়া যায় একই ধরনের অপরাধে কারাগারে আটক থাকা অপর এক ব্যক্তির ডিএনএ’র সঙ্গে।

মঙ্গলবার অবশেষে ওই দুই ভাইকে মুক্তি দেয়ার আদেশ দেয় নর্থ ক্যারোলিনার একটি আদালত।এর মাঝে কেটে গেছে দীর্ঘ ৩০ বছর। বর্তমানে ম্যাককুলামের বয়স ৫০ আর ব্রাউনের বয়স ৪৬। 

১৯৮৩ সালে নর্থ ক্যারোলিনার রেড স্প্রিংসে ১১ বছর বয়সী সাবরিনা বুয়ির নগ্ন মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।  খুনের আগে ধর্ষণও করা হয় তাকে। ম্যাককুলাম আর ব্রাউনের দুর্ভাগ্যের সূত্রপাতও তখন থেকেই।

ঘটনার সঙ্গে তাদের জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ না থাকা সত্ত্বেও কয়েক সপ্তাহ পর পুলিশ গ্রেফতার করে ১৯ বছর বয়সী ম্যাককুলাম ও ১৫ বছর বয়সী ব্রাউনকে।

জিজ্ঞাসাবাদে ম্যাককুলাম নাকি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন এমনটাই দাবি করে পুলিশ। পরে পুলিশি চাপে লিখিত একটি স্বীকারোক্তিতে সই করেন তার ছোট ভাই ব্রাউন।

কিন্তু মামলাটি আদালতে তোলা হলে দুজনেই তাদের স্বীকারোক্তি অস্বীকার করে তা জোর করে আদায় করা হয়েছে বলে দাবি করেন। কিন্তু তাদের কথায় কান না দিয়ে আদালত তাদের দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেয়। পরে ব্রাউনের সাজা কমানো হলেও ম্যাককুলামের সাজা বহাল থাকে। অবশেষে ২০১০ সালে নর্থ ক্যারোলিনার নিরপরাধ তদন্ত কমিশন এই  ঘটনার সঙ্গে দুই ভাই জড়িত নয় বলে প্রমাণ পায়।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Highlights

পুলিশের গুলিতে মারা গেলেন ভারতের মন্ত্রী

Avatar photo

Published

on

পুলিশের গুলিতে মারা গেলেন ভারতের মন্ত্রী

ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ওড়িশার স্বাস্থ্যমন্ত্রী নব কিশোর দাস পুলিশের গুলিতে মারা গেছেন। রোববার রাজ্যটির ঝাড়সুগুদা জেলার ব্রজরাজনগরের গান্ধী চকে গুলি করেন গোপাল দাস নামের এক পুলিশ কর্মকর্তা।

গুলিতে গুরুতর আহত অবস্থায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী নব কিশোরকে চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ভুবনেশ্বরের অ্যাপোলো হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই মারা যান মন্ত্রী।

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে অ্যাপোলো হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মন্ত্রীকে আইসিওতে রেখে হৃদযন্ত্র সচল করতে চিকিৎসা দেওয়া হয়; কিন্তু সব চেষ্টা সত্ত্বেও তার জ্ঞান ফেরেনি এবং তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত ওই পুলিশ কর্মকর্তা সহকারী সাব-ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার ছিলেন। ওড়িশার স্বাস্থ্যমন্ত্রী নব কিশোর একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাওয়ার পথে তাকে গুলি করেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা। গুলিটি তার বুকে লাগে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, স্বাস্থ্যমন্ত্রী নব কিশোর দাস তার গাড়ি থেকে বেরিয়ে আসার সময় তাকে গুলি করা হয়। হামলার পেছনের উদ্দেশ্য এখনো স্পষ্ট নয়।

উল্লেখ্য, রোববার দুপুরে ওড়িশার শাসক দল বিজিডির একটি নতুন দলীয় কার্যালয়ের উদ্বোধনে গিয়েছিলেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী নব দাস। গাড়ি থেকে নেমে দলীয় কার্যালয়ের দিকে এগোতেই হঠাৎ তার ওপরে গুলিবর্ষণের এ ঘটনা ঘটে।

মন্ত্রীকে গুলি করা ওই পুলিশ কর্মকর্তা গান্ধী চক পোস্টে ডিউটিতে ছিলেন। মন্ত্রী আসার খবর পেতেই তিনি ওই দলীয় কার্যালয়ের কাছে যান। মন্ত্রী গাড়ি থেকে নামতেই তিনি নিজের সার্ভিস রিভলভার দিয়ে পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি চালান।

এদিকে অভিযুক্ত গোপাল দাস মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। এছাড়া তার উচ্চরক্তচাপজনিত সমস্যা আছে। মন্ত্রীকে গুলি করার ক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তার অসুস্থতার সঙ্গে কোনো সংশ্লিষ্টতা আছে কিনা সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Continue Reading

Highlights

ফিলিস্তিনিদের উপর ইসরায়েলের হামলার পর পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হওয়ার আশঙ্কা

Avatar photo

Published

on

অধিকৃত পশ্চিম তীরে জেনিন শরনার্থী শিবিরে ইসরায়েলের এবারের হামলার ঘটনাটিই প্রায় দু দশকের মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক প্রাণঘাতী হামলা। ইসরায়েলি সৈন্যরা একটি ভবনে গুলি, গ্রেনেড ও টিয়ার শেল ব্যবহার করে অভিযান চালানোর ঘটনায় নয় ফিলিস্তিনি মারা গেছে।

দেশটির সেনাবাহিনী বলেছে তাদের সৈন্যরা একজন ইসলামি জিহাদী জঙ্গীদের ধরতে গিয়েছিলো যারা বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা করছিলো। তবে এখানে ঐতিহাসিক কিছু বিষয় রয়েছে। গত বছর পর্যন্ত সেখানে ইসরায়েলের অভিযান বাড়ছিলো এবং নতুন প্রজন্মের সশস্ত্র ফিলিস্তিনিদের সাথে প্রায়শই তাদের সংঘর্ষ হচ্ছিলো।

অনেকেই ২০০২ সালের এপ্রিলের পরিস্থিতির সাথে তুলনা করে এটি দ্বিতীয় ‘ইন্তিফাদা’ বা ফিলিস্তিনি আন্দোলন হিসেবে বর্ণনা করছিলো। ওই সময় ইসরায়েল একটি পূর্ণ সামরিক অভিযান চালিয়েছিলো যা জেনিনের যুদ্ধ হিসেবে পরিচিত। ওই সময় অন্তত ৫২ জন ফিলিস্তিনি আর ২৩ জন ইসরায়েলি সৈন্য মারা গিয়েছিলো।

এর জের ধরে ফিলিস্তিনিরা ইসরায়েলে অনেক বার আত্মঘাতি বোমা হামলা চালিয়েছিলো। জেনিন শিবিরেরের বড় অংশই তখন ধ্বংসের মাত্রার দিক থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলো। পরে ফিলিস্তিনিরাও নিজেদের সংগঠিত করার চেষ্টা শুরু করে।

গত বসন্তে ইসরায়েল ব্রেক দ্যা ওয়েভ নামে অপারেশন শুরু করে। এটি করা হয়েছিলো ব্যাপক ভাবে ফিলিস্তিনিদের বন্দুক ও ছুড়ি ব্যবহার করে হামলার ঘটনা বেড়ে যাওয়ায়। এর মধ্যে কিছু ঘটনা ঘটিয়েছে কথিত ইসলামিক স্টেট সমর্থকরা। বেশ কিছু ফিলিস্তিনি বন্দুকধারী মারাও যায় যার মধ্যে রাদ হাজেমও ছিলেন যিনি তেল আবিবের একটি বারে তিনজনকে গুলি করে হত্যা করেছিলেন।

ফলে জেনিন আবারো আলোচনায় আসে। ইসরায়েলের তল্লাশি, গ্রেফতার ও অভিযান বেড়ে যায়। ইসরায়েলের ডিফেন্স ফোর্স বলছে যে তারা আরও হামলা ঠেকাতে পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে পুরো পশ্চিম তীরে মৃত্যুর ঘটনা আরও বেশি। গত বছর সেখানে অন্তত দেড়শ ফিলিস্তিনি মারা গেছে। যাদের অনেকেই শুধু সামরিক গাড়ী লক্ষ্য করে পাথর ছুঁড়েছে। কেউ কেউ হয়তো শুধু পথচারীই ছিলো।

ইসরায়েলকে সবসময়ই জাতিসংঘ ও অন্য কিছু মানবাধিকার সংস্থা অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগের জন্য অভিযুক্ত করে আসছে।ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সেখানকার শহরগুলোতে সীমিত শাসনক্ষমতেই রয়েছে। তারা ইতোমধ্যেই জেনিন ও নাবলুসের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে।

মাহমুদ আব্বাসের নেতৃত্বাধীন এই কর্তৃপক্ষ নব্বইয়ে অসলো শান্তি প্রক্রিয়ায় জড়িত থাকলেও এখন পরিস্থিতি ভিন্ন। মিস্টার আব্বাসের দল ফাতাহ পার্টির প্রবল প্রতিপক্ষ হামাস। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ এখন ইসরায়েলের সাথে নিরাপত্তা বিষয়টি সমন্বয় করছে যার অর্থ হলো তারাই কিছু মিলিশিয়ার তথ্য আদান প্রদান করছে।

যদিও প্রেসিডেন্ট আব্বাস বলছেন জেনিনে হামলার কারণে নিরাপত্তা সমন্বয় তারা বন্ধ করে দেবেন। তবে ২০২১ সালেই জেনিন শরনার্থী শিবির ও নাবলুসে কর্তৃত্ব হারিয়েছে। মে মাসে গাযায় হামাস ও ইসরায়েলের লড়াইয়ের সময় থেকেই ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ সেখানে অজনপ্রিয় হয়ে পড়ে।

আবার ইসরায়েলের একটি জেল থেকে ছয় বন্দী টানেল খুড়ে বেরিয়ে গয়ে পড়ে ধরা পড়েছিলো। এর সবাই জেনিনের।মূলত জেনিন ও নাবলুসের নতুন প্রজন্মের যোদ্ধারা মাহমুদ আব্বাসের কর্তৃপক্ষকে প্রত্যাখ্যান করছে। তারা সশস্ত্র হচ্ছে এবং প্রতিষ্ঠিত গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ হারাচ্চে। তারা নিজেদের জেনিন ব্যাটালিয়ন বলছে আর নাবলুসে তাদের পরিচিতি লায়নস ডেন হিসেবে।

জর্ডান থেকে চোরাচালান হয়ে আসা কিন্তু ইসরায়েরের ডিফেন্স ফোর্স ঘাঁটি থেকে চুরি বা বিক্রি হওয়া অস্ত্র তারা ব্যবহার করছে। আর এদের অনেকেই অনেক কম বয়সী যারা ২০০২ সালের ঘটনা মনেও করতে পারে না। ইসরায়েলের সেনাদের সাথে কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে এমন একজন সাংবাদিক বলছেন, “এটা সম্পূর্ণ ভিন্ন অবস্থা। এসব লোকেরা লড়াই করতে চায়।তারা প্রাণ দিতে আগ্রহী”।

ইসরায়েলের সেনাবাহিনী বলছে তারা বেসামরিক নাগরিক ও সৈন্যদের ওপর হামলা প্রতিরোধ করছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট বলছেন ইসলামি জিহাদীদের টেরর স্কোয়াড ইসরায়েলে হামলা করতে চাইছে। কিন্তু এখন পরিস্থিতি আরও অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এর মধ্যেই সোমবার ইসরায়েল গেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন।

Continue Reading

Highlights

ইউক্রেনে ট্যাংক পাঠানো নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে যে হুঁশিয়ারি দিল রাশিয়া

Avatar photo

Published

on

যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনে আব্রামস যুদ্ধ ট্যাংক পাঠালে তা পুড়িয়ে দেওয়া হবে। এছাড়া প্রস্তাবিত চালান বাতিল করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে রাশিয়া।

মঙ্গলবার ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ এ হুঁশিয়ারি দেন। খবর আলজাজিরার।

দিমিত্রি পেসকভ বলেন, আব্রামস ট্যাংক চালানের বিষয়টি নিশ্চিত করা না হলে, তা শুধু অর্থের অপচয় ছাড়া কিছু হবে না।

তিনি বলেন, আমি নিশ্চিত যে অনেক বিশেষজ্ঞ এ ধারণাটির অযৌক্তিকতা মনে করেন। পরিকল্পনাটি প্রযুক্তির দিক থেকে বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।

ক্রেমলিনের মুখপাত্র বলেন, সর্বোপরি যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে এ ট্যাংকগুলো দিলে দেশটির সেনাবাহিনীতে যে সম্ভাবনা যুক্ত করবে তা তাদের বেশ শক্তিশালী করবে। তবে এই ট্যাংক অন্য সব ট্যাংকের মতো জ্বালিয়ে দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, ওয়াশিংটন তার আগের অবস্থানকে উল্টে ৩০টি আব্রামস যুদ্ধ ট্যাংক পাঠাবে।

Continue Reading