Connecting You with the Truth
প্রিমিয়াম ওয়েব হোস্টিং + ফ্রি ডোমেইন
সাথে পাচ্ছেন ফ্রি SSL এবং আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ!
অফারটি নিন »

- Advertisement -

আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তটি ‘ভুল’ ছিল: লতিফ সিদ্দিকী

latif

হজ নিয়ে মন্তব্যের কারণে মন্ত্রিত্ব ও দলীয় সদস্যপদ হারানো সংসদ সদস্য আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী দাবি করেছেন, আওয়ামী লীগ থেকে তাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তটি ‘ভুল’ ছিল।

সংসদ সদস্য পদ বাতিলের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না নিয়ে বিষয়টি স্পিকারের কাছে পাঠানোর জন্য নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করেছেন তিনি। নির্বাচন কমিশনের চিঠির জবাবে রোববার দুপুরে এক চিঠিতে এই অনুরোধ জানিয়েছেন সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী লতিফ।

জাতীয় সংসদের প্যাডে লতিফ সিদ্দিকীর স্বাক্ষরিত ওই চিঠি তার ব্যক্তিগত সহকারী প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিব উদ্দিন আহমেদের কার্যালয়ে জমা দিয়ে যান। চিঠিতে লতিফ বলেছেন, “আমার বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার কষ্টকল্পিত বানোয়াট ও ভিত্তিহীন যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা আলোচনার স্বার্থে যদি ধরেও নেওয়া হয় যে আমি ওই বক্তব্য দিয়েছি, তাহলেও আওয়ামী লীগ থেকে সদস্যপদ বাতিলের এখতিয়ার কেন্দ্রীয় সংসদের নেই।

“জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমি বক্তব্য দিয়েছি। আওয়ামী লীগের সদস্য হিসেবে বক্তব্য দিয়েছি বলে বিবেচনার সুযোগ নেই। আমাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত ভুল ব্যাখ্যার উপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে।”

গত বছরের সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে এক অনুষ্ঠানে হজ নিয়ে মন্তব্যের কারণে বিভিন্ন মহলের দাবির মুখে লতিফ সিদ্দিকীকে মন্ত্রিসভা থেকে সরানোর পাশাপাশি দল থেকেও বহিষ্কার করে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।

দেশে ফেরার পর ওই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মামলায় নয় মাস কারাগারে থাকাতে হয় টাঙ্গাইলের এই সাংসদকে। সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পান ৭৭ বছর বয়সী এই রাজনীতিক।

লতিফকে বহিষ্কারের আট মাস পর বিষয়টি জানিয়ে আওয়ামী লীগের পাঠানো চিঠি গত ৫ জুলাই স্পিকার শিরীন শারমিনের হাতে পৌঁছায়। এ অবস্থায় লতিফের সংসদ সদস্য পদ থাকবে কি না, তা মীমাংসার জন্য স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে চিঠি দেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

সংসদ সদস্য (বিরোধ নিষ্পত্তি) আইন অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন এরপর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এবং লতিফ সিদ্দিকীর বক্তব্য জানতে চেয়ে চিঠি দেয়। রোববার সেই চিঠিরই জবাব দিলেন লতিফ।

চিঠিতে লতিফ সিদ্দিকী দাবি করেছেন, সংবিধানের ৬৬ (৪) অনুচ্ছেদ অনুসারে বিতর্ক নিষ্পত্তির বিষয়টি তার ক্ষেত্রে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। এই যুক্তিতে ‘ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে’ শুনানিতে না গিয়ে স্পিকারকে চিঠি পাঠাতে অনুরোধ করেছেন লতিফ।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের লিখিত জবাবও রোববার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে বলে দলের উপ-সম্পাদক এবিএম রিয়াজুল কবির কাওসার জানিয়েছেন।

বাংলাদেশেরপত্র/এডি/এম

Leave A Reply

Your email address will not be published.