Connecting You with the Truth
প্রিমিয়াম ওয়েব হোস্টিং + ফ্রি ডোমেইন
সাথে পাচ্ছেন ফ্রি SSL এবং আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ!
অফারটি নিন »

- Advertisement -

আবারো ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালাল উত্তর কোরিয়া


জাপান সাগরে আবারও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে উত্তর কোরিয়া। যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছেন, ক্ষেপণাস্ত্রটি বুধবার ছোড়া হয় উত্তর কোরিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় বন্দর শহর সিনপোর একটি ঘাঁটি থেকে।

প্রায় ১৮৯ কিলোমিটার উপরে ওঠার পর সেটি উৎক্ষেপণ স্থল থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে জাপান সাগরে গিয়ে পড়ে বলে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য।

এ ধরনের পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে উত্তর কোরিয়া পারমাণবিক অস্ত্রের সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টায় আছে বলে যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্র দেশগুলোর আশঙ্কা।

তবে তাদের হুঁশিয়ারি এবং জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই একের পর এক পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে বাকি পৃথিবী থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন এই দেশটি।

এবার এমন এক সময়ে উত্তর কোরিয়া ব্যালিস্টিক মিসাইলের পরীক্ষা চালালো, যখন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাতের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

বিবিসি লিখেছে, উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কর্মসূচি কীভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা যায়, সে বিষয়েও দুই নেতার বৈঠকে আলোচনা হওয়ার কথা।

উত্তর কোরিয়ার যে কোনো ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র বা পারমাণবিক পরীক্ষার ওপর জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু গতমাসেও দেশটি চারটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে, যেগুলো ১০০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে জাপানের জলসীমায় গিয়ে পড়ে।

দক্ষিণ কোরিয়ার একজন কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে রয়টার্স লিখেছে, “এবারের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার কারণ সম্ভবত যুক্তরাস্ট্র-চীন বৈঠক। সেই সঙ্গে তারা নিজেদের ক্ষেপণাস্ত্রের সক্ষমতাও পরখ করে নিতে চায়।”

যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক কমান্ড জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়া এবার যে পরীক্ষা চালিয়েছে, সেটি ছিল একটি মাঝারি পাল্লার কেএন-ফিফটিন ব্যালিস্টিক মিসাইল।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন বলেছেন, তার দেশ উত্তর কোরিয়া নিয়ে যথেষ্ট কথা বলেছে এবং আপাতত নতুন করে কিছু বলার নেই।

জাপান এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাকে ‘উসকানিমূলক’ আখ্যায়িত করেছে। আর দক্ষিণ কোরিয়া বলেছে, উত্তরের এ আচরণ শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি।
াকাআা্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালাল উত্তর কোরিয়া
জাপান সাগরে আবারও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে উত্তর কোরিয়া। যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছেন, ক্ষেপণাস্ত্রটি বুধবার ছোড়া হয় উত্তর কোরিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় বন্দর শহর সিনপোর একটি ঘাঁটি থেকে।

প্রায় ১৮৯ কিলোমিটার উপরে ওঠার পর সেটি উৎক্ষেপণ স্থল থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে জাপান সাগরে গিয়ে পড়ে বলে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য।

এ ধরনের পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে উত্তর কোরিয়া পারমাণবিক অস্ত্রের সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টায় আছে বলে যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্র দেশগুলোর আশঙ্কা।

তবে তাদের হুঁশিয়ারি এবং জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই একের পর এক পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে বাকি পৃথিবী থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন এই দেশটি।

এবার এমন এক সময়ে উত্তর কোরিয়া ব্যালিস্টিক মিসাইলের পরীক্ষা চালালো, যখন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাতের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

বিবিসি লিখেছে, উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কর্মসূচি কীভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা যায়, সে বিষয়েও দুই নেতার বৈঠকে আলোচনা হওয়ার কথা।

উত্তর কোরিয়ার যে কোনো ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র বা পারমাণবিক পরীক্ষার ওপর জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু গতমাসেও দেশটি চারটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে, যেগুলো ১০০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে জাপানের জলসীমায় গিয়ে পড়ে।

দক্ষিণ কোরিয়ার একজন কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে রয়টার্স লিখেছে, “এবারের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার কারণ সম্ভবত যুক্তরাস্ট্র-চীন বৈঠক। সেই সঙ্গে তারা নিজেদের ক্ষেপণাস্ত্রের সক্ষমতাও পরখ করে নিতে চায়।”

যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক কমান্ড জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়া এবার যে পরীক্ষা চালিয়েছে, সেটি ছিল একটি মাঝারি পাল্লার কেএন-ফিফটিন ব্যালিস্টিক মিসাইল।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন বলেছেন, তার দেশ উত্তর কোরিয়া নিয়ে যথেষ্ট কথা বলেছে এবং আপাতত নতুন করে কিছু বলার নেই।

জাপান এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাকে ‘উসকানিমূলক’ আখ্যায়িত করেছে। আর দক্ষিণ কোরিয়া বলেছে, উত্তরের এ আচরণ শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি।

Leave A Reply

Your email address will not be published.