Connecting You with the Truth
ওয়েব ডিজাইন
গ্রাফিক্স
এসইও
ফেসবুক বুস্ট
📞 01757-856855
অর্ডার করুন »

আরব আমিরাতকে হারিয়ে জিম্বাবুয়ের জয়

206255.3স্পোর্টসডেস্ক:  আরব আমিরাত স্কোরবোর্ডে ২৮৫ রান তুলে ফেলায় হকচকিয়ে যেতে পারে জিম্বাবুয়ে। কিন্তু ব্যাটিংয়ে নেমে সেই হকচকানো ভাব সামলে নিজেদের টেস্ট খেলুড়ে আভিজাত্যের প্রকাশটাই ঘটিয়ে দেখাল তারা। আরব আমিরাতকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল কেবল ভালো ব্যাটিং করলেই চলে না, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে জিততে হলে বলটাও হতে হবে সে মোতাবেকই। যদিও ১৯ বছর পর বিশ্বকাপ খেলতে আসা আরব আমিরাত ৬ উইকেট ফেলে দিয়ে জিম্বাবুয়েকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিল, কিন্তু নিজেদের সংগ্রহকে শেষ অবধি রক্ষা করতে পারেনি। ১২ বল বাকি থাকতেই জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ২৮৬ রান তুলে নেন ডেভ হোয়াটমোরের শিষ্যরা।  জিম্বাবুয়ের এই সফল রান তাড়ায় সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন বেশ কয়েকজনই। সিকান্দার রাজা (৪৬) প্রথমে রেগিস চাকাভাকে (৩৫) সঙ্গী করে রান তাড়ার ভিতটা গড়ে দিয়ে যান। সেই ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে ব্রেন্ডন টেলরের ৪৭, ক্রেইগ আরভিনের ৪২ রানের সঙ্গে শন উইলিয়ামসের ৭৬ দারুণ এই জয় নিশ্চিত করে জিম্বাবুয়ের।  আমিরাতের ২৮৫ রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা সতর্কতার সঙ্গেই করেছিল জিম্বাবুয়ে। সিকান্দার রাজা ও রেগিস চাকাভার উদ্বোধনী জুটিতে রান আসে ৫৭। এর পরপরই কিছুটা খেই হারিয়ে ফেলে জিম্বাবুয়ে। খুব দ্রুতই ফিরে যান রাজা ও হ্যামিল্টন মাসাকাদজা। মোহাম্মদ তৌকিরের বলে কৃষ্ণ চন্দ্রনের হাতে ধরা পড়েন রাজা। মাসাকাদজাকে এলবিডব্লিউ করেন আমজাদ জাভেদ। চাকাভা শিকার হন হিট উইকেটের দুর্ভাগ্যের। তৌকিরের বল খেলতে গিয়ে উইকেটের ওপর পড়ে যান তিনি। কিছুটা বিপদের মুখে দাঁড়িয়ে দলকে পথ দেখান ব্রেন্ডন টেলর, ৪৭ রানের একটি ইনিংস খেলে। কিন্তু টেলর নাসির আজিজের বলে এলবির শিকার হলে আবারও বিপদে পড়ে জিম্বাবুয়ে। কিন্তু শন উইলিয়ামস ও ক্রেইগ আরভিন মিলে সব বিপদ কাটিয়ে দলকে নিয়ে যান জয়ের দিকেই। ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে এই দুজন তোলেন ৮৩ রান। আরভিন ৪২ রানে ফিরে গেলেও এলটন চিগুম্বুরা শন উইলিয়ামসনের সঙ্গে দাঁড়িয়ে দলকে এনে দেন কাঙ্ক্ষিত জয়টি।  আমিরাতের সেরা বোলার ছিলেন মোহাম্মদ তৌকির। তিনি ২ উইকেট নিয়েছেন ৫১ রানে। এ ছাড়া মোহাম্মদ নাভিদ, আমজাদ জাভেদ, নাসির আজিজ ও কৃষ্ণ চন্দ্রন নিয়েছেন একটি করে উইকেট।

Leave A Reply

Your email address will not be published.