Connecting You with the Truth
ওয়েব ডিজাইন
গ্রাফিক্স
এসইও
ফেসবুক বুস্ট
📞 01757-856855
অর্ডার করুন »

ঈদের ছুটিতে মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি নৌ রুটের ঘরমুখো মানুষের ঢল

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ ঈদের ছুটির তৃতীয় দিনেও আজ মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি নৌ রুটের ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে । রবিবার সকাল থেকে শিমুলিয়া ঘাটের লঞ্চ, সিবোট কিংবা ফেরিতে উত্তাল পদ্মা পাড়ি দিয়ে গ্রামের বাড়িতে ছুটছেন শহরের কর্মব্যস্ত লাখ মানুষ। প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে সব মানুষই এখন বাড়ির পথে। বাস, লঞ্চ, নৌকা কিংবা অন্য যে কোনো উপায়েই হোক বাড়ি পৌঁছানোই এখন একমাত্র লক্ষ্য ঘরমুখো এসব মানুষের। আজ ভোর রাত থেকেই ফেরিঘাট এলাকায় পারাপারের অপেক্ষায় থাকতে দেখাগেছে ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় ৫ শতাধিক যানবাহন। ফেরি পারাপারের আসায় ৩ থেকে ৪ ঘন্টা অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে অসংখ্য মানুষকে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করে বসে থেকেও ফেরি পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন, যানবাহন চালক ও যানযটে আটকে পরা ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।
অপর দিকে বেলা বাড়ার সাথে সাথে আরো বাড়ছে ঈদে বাড়ি ফেরা ঘরমুখো মানুষের চাপ সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে ছোট বড় সকল ধরনের যানবাহন ও যা সামাল দিতে রীতিমত হিমশিম খেতে হচ্ছে ঘাট কর্তৃপক্ষকে ।
যাত্রীবাহী পরিবহনের দ্রুত পারাপারের জন্য বন্ধ রয়েছে পন্যবাহী সকল প্রকার যানবাহন পারাপার। ফলে দীর্ঘ ৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে সৃষ্টি হয়েছে দীর্ঘ যানযট। এদিকে দিনের পর দিন ঘাট এলাকায় যানযটে অটকা পরে ফেরি পারাপার না হতে পারায় নষ্ট হচ্ছে কাঁচা মাল সহ বিভিন্ন মূল্যবান জিনিসপত্র, এ নিয়েও যেনো ভোগান্তির শেষ নেই ভুক্তভোগী ট্রাক চালক দের ।
এ সময় যাত্রীবাহী বাসের তেমন কোন চাপ না থাকলেও প্রাইভেট ও মিনিবাসের অতিরিক্ত চাপ লক্ষ্য করা গেছে। যা পারাপারে হিমশিম খেতে হচ্ছে ফেরি কর্তৃপক্ষকে তবে সব ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলায় তৎপর রয়েছে বলে জানান ফেরি কৃর্তৃপক্ষ।
এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাট ব্যবস্থাপক খালিদ নেওয়াজ জানান, আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে বিআইডব্লিউটিসি ১৮টি ফেরি দিয়ে গাড়ি ও যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে। পন্যবাহী সকল প্রকার যানবাহন পারাপার বন্ধ
রেখে শুধু মাত্র যাত্রীবাহী যানবাহন পার করা হচ্ছে। যাতে যাত্রীদের কোন ভোগান্তির শিকার হতে না হয়। তবে আজ ভোর রাত থেকে যাত্রীবাহী ছোট গাড়ীর চাপ খুব বেড়েছে,আবহাওয়া যদি স্বাভাবিক থাকে আশা করছি বিকেলের মধ্যে গাড়ির চাপ কমে আসবে এবং যাত্রীবাহী সকল যানবাহন পারাপার করতে সক্ষম হবে বলে জানান তিনি।

 

Leave A Reply

Your email address will not be published.