Connecting You with the Truth
প্রিমিয়াম ওয়েব হোস্টিং + ফ্রি ডোমেইন
সাথে পাচ্ছেন ফ্রি SSL এবং আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ!
অফারটি নিন »

- Advertisement -

একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানালেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী  

downloadস্টাফ রিপোর্টার:

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ রাত ১২টা ১ মিনিটের পর শহীদ মিনারের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তারা। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পর জাতীয় সংসদের পক্ষে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। একই সঙ্গে এবার ভাষা শহীদদের ফুল দিয়ে বিনম্র শ্রদ্ধা জানান সফররত পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার সঙ্গে ওপার বাংলার শিল্পী, সাংস্কৃতিক কর্মী ও রাজনীতিবিদরাও উপস্থিত ছিলেন। এরপর একে একে মন্ত্রিসভার সদস্যরা ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এরপর জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদ শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর পর্যায়ক্রমে সামরিক-বেসামরিক উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও বিদেশি সংস্থার প্রধানরাও শ্রদ্ধা জানান। পরে একে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগ, আওয়ামী প্রজন্ম লীগ, সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, বাংলা একাডেমি, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাসহ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন শহীদ মিনারের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। তবে অন্যান্য বার ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শহীদ মিনারে গেলেও এবার যাচ্ছেন না বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। এদিকে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে শুক্রবার দিনগত রাত ১০টার পর থেকেই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের আশপাশের এলাকায় জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।আসেন বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতা-কর্মীরাও। সরেজমিনে দেখা যায়, ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজার হাজার মানুষ সমবেত হয়েছেন শহীদ মিনারের আশপাশে। শহীদ মিনারের বেদিতে ফুল দেওয়ার জন্য দীর্ঘ লাইনে তারা অপেক্ষা করতে থাকেন। ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারির এই দিনে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সালাম, জব্বার, শফিক, বরকত ও রফিকসহ নাম না জানা শহীদের রক্তের বিনিময়ে বাঙালি জাতি পায় মাতৃভাষার মর্যাদা। পরে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ঐতিহাসিক মহান একুশের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণার পর থেকে প্রতিবছর আন্তর্জাতিক পর্যায়েও দিবসটি পালিত হচ্ছে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.