Connecting You with the Truth
প্রিমিয়াম ওয়েব হোস্টিং + ফ্রি ডোমেইন
সাথে পাচ্ছেন ফ্রি SSL এবং আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ!
অফারটি নিন »

- Advertisement -

এ অঞ্চলের সবচেয়ে বেশি অর্থনৈতিক উন্নয়ন হচ্ছে বাংলাদেশে : তোফায়েল

2015-04-24_6_643522

নিজস্ব প্রতিনিধি:  বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, এ অঞ্চলের সবচেয়ে বেশি অর্থনৈতিক উন্নয়ন হচ্ছে বাংলাদেশের। এমনকি সামাজিক খাতের বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়ন ভারতকেও ছাড়িয়ে গেছে। বিভিন্ন সমীক্ষায় বলা হয়েছে পৃথিবীর দ্রুত উন্নয়নশীল ১১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম।

আজ নয়াদিল্লীতে ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ‘কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি আয়োজিত দক্ষিণ এশিয়ার সেবা খাতের সযোগিতার সুযোগ’ শীর্ষক এক সেমিনারে বক্তৃতাকালে তোফায়েল আহম্মেদ এ কথা বলেন।
সেবা খাতের ওপর বিশ্ব প্রদর্শনী উপলক্ষে আযোজিত এই সেমিনারে আরো বক্তব্য রাখেন আইসিটি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ হোসেন পলক।
তোয়ায়েল আহমেদ আরো বলেন, এ অঞ্চলে বাংলাদেশের গড় আয়ু সবচেয়ে বেশি, শিশু মৃত্যু মাতৃমৃত্যু সবচেয়ে কম। নারী শিক্ষায় বাংলাদেশের সাফল্য এ অঞ্চলের যে কোনো দেশের তুলনায় বেশি।
তোফায়েল আহমেদ আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ দ্রুত উন্নতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। অর্থনীতির সকল সূচক ইতিবাচক দিকে এগিয়ে চলেছে। এ সময় তিনি বাংলাদেশের উন্নয়নের একটি সার্বিক চিত্র তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, ২০০৮ সালেন নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ভিশন-২১ তুলে ধরেন। শেখ হাসিনার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্যে জন্য বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশের তথ্য-প্রযুক্তি খাতের ব্যাপক উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, আমাদের অর্থনীতিতে এখন তথ্য খাতে ৫ ভাগ অবদান রাখছে। তিনি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি রফতানিতে বাংলাদশের ব্যাপক সাফল্য্য রয়েছে। ভবিষ্যতে তথ্যপ্রযুক্তি হবে বাংলাদেশের রফতানির এক নম্বর খাত।
তোফায়েল আহমেদ বাংলাদেশরে অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহযোগিতা চেয়ে বলেন, এ অঞ্চলে সবচেয়ে বড় দেশ হিসেবে ভারত এ অঞ্চলের উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি বলেন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারের জন্যে আমাদের ডব্লিউটিও চুক্তি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে হবে।
তোফায়েল আহমেদ তথ্যপ্রযুক্তি, স্বাস্থ্য, পর্যটন, এনার্জিসহ বিভিন্ন খাতের সহযোগিতার ক্ষেত্র চিহ্নিত করার আহবান জানান।
এ সময় ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশর হাইকমিশনার সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী উপস্থিত ছিলেন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.