Connecting You with the Truth
ওয়েব ডিজাইন
গ্রাফিক্স
এসইও
ফেসবুক বুস্ট
📞 01757-856855
অর্ডার করুন »

কৌতুক অভিনেতা টেলি সামাদ অার নেই

কিংবদন্তি অভিনেতা টেলি সামাদ পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন। আজ শনিবার, ৬ এপ্রিল দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
তার মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন তার কন্যা সোহেলা সামাদ কাকলী।
এদিকে শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান জাগো নিউজকে জানান, ‘দীর্ঘদিন ধরেই নানা অসুখে ভুগছিলেন বরেণ্য এই অভিনেতা। সম্প্রতি শরীর বেশি খারাপ হলে তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ তার মৃত্যু হয়েছে। তার মৃত্যু আমাদের শোকে স্তব্দ করে দিয়েছে। চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র ছিলেন টেলি সামাদ।’
তার বিদেহি আত্মার জন্য দোয়া কামনা করে জায়েদ খান আরও জানান, অভিনেতা টেলি সামাদ স্কয়ার হাসপাতালে ডাক্তার প্রতীক দেওয়ানের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
প্রসঙ্গত, ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা টেলি সামাদকে এর আগে ২০১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রে বাইপাস সার্জারি করা হয়। এ ছাড়া গত বছরের ২০ অক্টোবর তার বাঁ পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলিতেও জরুরি অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল।
সর্বশেষ গেল বছরের ৪ ডিসেম্বর অসুস্থ হয়ে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন টেলি সামাদ। তখন ডাক্তার বলেছিলেন, টেলি সামাদের খাদ্য নালীতে সমস্যা রয়েছে। শুধু তাই নয়, তার বুকে ইনফেকশন ছিল, ডায়াবেটিস ছিল। রক্তের প্লাটিলেটও কমে যাচ্ছিলো বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।
সেখানে ১৬ দিন চিকিৎসা নেওয়া পর বাসায় ফিরে আবার অসুস্থ হয়ে পড়েন চলচ্চিত্রের এক সময়কার দাপুটে অভিনেতা। সেজন্য তাকে গত ১৯ ডিসেম্বর রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। সে যাত্রাতেও সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেন তিনি।
কিন্তু হঠাৎ করেই কয়েকদিন আগে আবারও অসুস্থ হয়ে পড়েন টেলি সামাদ। পরে তাকে স্কয়ার হাসপাতালে আনা হয়। এখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় জীবনের অবসান হলো তার।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার তূখোড় ছাত্র টেলি সামাদের ছিল অভিনয়ের নেশা। সেই নেশার টানেই ১৯৭৩ সালে ‘কার বউ’ সিনেমা দিয়ে চলচ্চিত্রে পা রাখেন। চার দশকে পাঁচ শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি।
তার অভিনীত সর্বশেষ ছবি ‘জিরো ডিগ্রি’ মুক্তি পায় ২০১৫ সালে। শেষ জীবনে চলচ্চিত্র থেকে দূরে ছিলেন তিনি। সারাদিন বাসাতেই থাকেন। টিভি দেখতেন, ছবি আঁকতেন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.