Connecting You with the Truth
প্রিমিয়াম ওয়েব হোস্টিং + ফ্রি ডোমেইন
সাথে পাচ্ছেন ফ্রি SSL এবং আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ!
অফারটি নিন »

- Advertisement -

জনদূর্ভোগ চরমে শৈলকুপায় জিকে প্রকল্পের প্রধান সেচখালে ভয়াবহ ভাঙন

Paubo GK Pic-218-06-2015
মনিরুজ্জামান সুমন,ঝিনাইদহ : ঝিনাইদহে শৈলকুপার সারুটিয়া ইউনিয়নে গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ খাল ভেঙ্গে জনদূর্ভোগ চরমে উঠেছে। এ প্রকল্পের পরিচালক ওয়াহিদুজ্জামানের স্বয়ং উপস্থিতি থাকলেও কর্মকর্তাদের যোগসাজসী অবহেলার কারনে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জনগুরুত্বপূর্ণ প্রধান খালটি পানির চাপে ভেঙ্গে গেছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ নিজ পছন্দের ঠিকাদারসহ সবাই অধিক লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে দিনভর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রত্যক্ষদর্শির ভূমিকা পালন করে হুমকিতে ফেলে দেয় চরবাখরবা গ্রামের প্রধান খালের অংশটি। এ সময় ক্ষতিগ্রস্থ স্থানের পাশেই জিকে’র আওতাধীন শতাধিক শ্রমিক দিনভর মাটির কাজ করছিল।

প্রত্যক্ষদর্শি ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, পাউবো অধিন্যাস্থ গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ খালের বৃহৎ অংশ শৈলকুপার সারুটিয়া ইউনিয়নের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। খালের পাকা এ সড়ক দিয়ে লাঙ্গলবাঁধ থেকে কুষ্টিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদিন শত শত যানবাহনে লোকজন চলাফেরা করে। গত কয়েকদিন যাবত চরবাখরবা গ্রামের মধ্যে প্রধান খালে ফাটল দেখা দেয়। একই স্থানে অপর ধারে জিকে আওতাধীন প্রকল্পে কাজ করছে শত শত শ্রমিক।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ক্ষতিগ্রস্থ জায়গা দিয়ে পানি বের হতে থাকে। গ্রামের আজাদ হোসেন জানান, স্থানীয়রা কর্মকর্তাদের ডেকে বার বার তাগিদ দিলেও মেরামতের উদ্যেগ নেয়নি বরং তারা যোগসাজসী বৃদ্ধি পাকিয়ে ভবিষ্যত লাভবানের অসৎ উদ্দেশ্যে চুপচাপ দাড়িয়ে থাকে, দুপুর সময় মুহুর্তে ধ্বসে যায় খালের নিচের অংশ, উপরে কোনহালে টিকে আছে পাকা রাস্তা। হুহু করে পানি প্রবেশ করে তলিয়ে গেছে এলাকার বহু বাড়ন্ত ক্ষেতখামার। নিজস্ব শ্রমিক থাকা সত্বেও তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা না নিয়ে জিকে’র পিডিসহ কর্মকর্তাগণ পুরো ঘটনার স্বয়ং স্বাক্ষী হিসাবে বিতর্কিত হওয়ায় জনরোষে পড়ে দ্রুত সটকে পড়ে।

চরবাখরবা গ্রামের রফিকুল ইসলাম জানান, দিনভর তাগিদ দিলেও অবহেলার কারনেই খাল ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে, তিনি বলেন কয়েকদিন আগে এ ফাটল বন্ধ করার জন্য একাধিকবার এখানে প্রকল্প হাতানো হয়েছে নামমাত্র কাজ করায় এধরনের জনদূর্ভোগে পড়লো বহু মানুষ। খোদ পাউবোর প্রকল্প পরিচালক উপস্থিত থেকে অবহেলার কারণ অনুসন্ধানে জানা যায়, বেশি করে ভাঙলে পুন:রায় বড় বাজেটে প্রকল্প হাঁকানো যাবে বলে মন্তব্য করেছেন এলাকাবসী।

এ ব্যাপারে প্রকল্প পরিচালক ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, কয়েকদিন ধরেই ভাঙ্গন রোধের চেষ্টা চালানো হচ্ছিল কিন্তু মূল ফাটলের উৎপত্তিস্থল না পাওয়ায় সম্ভব হয়নি, হঠাৎ বৃহস্পতিবার দুপুরে পাকা রাস্তার নিচ দিয়ে রাস্তাটি ভয়াবহ আকারে ধ্বসে যায়, জরুরী ভিত্তিতে মেরামতের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.