প্রশ্নপত্র ফাঁসের টাকা লেনদেনের রহস্য উদঘাটন
প্রশ্নপত্র ফাঁস
বর্তমান সময়ে জাতির জন্য একটি বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর এই কাজে টাকা লেনদেন করা হচ্ছে অবৈধ বিকাশ একাউন্টের মাধ্যমে। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ডেমরা থেকে অবৈধ বিকাশ এ্যাকাউন্ট প্রস্তুত করার অভিযোগে তিন এজেন্টকে আটক করেছে ডিএমপির গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগ (ডিবি)।
ডিবি জানিয়েছে, বৈধ এজেন্ট হয়েও তারা ভুয়া নামে বিকাশ এ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নপত্র ফাঁসের টাকা লেনদেন করতেন। বিভিন্ন ব্যক্তির নাম, ছবি ও ভুয়া পরিচত্রপত্র ব্যবহার করে এ্যাকাউন্ট খুলতেন ওই তিনজন।
রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে মঙ্গলবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ডিবির যুগ্ম-কমিশনার মো. মনিরুল ইসলাম।
আটকরা হলেন— আবুল কালাম আজাদ, মোফাজ্জল হোসেন ফারুক ও হিরা চৌধুরী।
গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার শেখ নাজমুল আলমের সার্বিক নির্দেশনায় অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. শাহজাহানের তত্ত্বাবধানে সাইবার ক্রাইম টিমের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. নাজমুল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়।
মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘আটকদের কাছ থেকে অবৈধভাবে সংরক্ষিত ৩০০ মোবাইল সিম, ৯০০ ছবি ও ৮৫০ ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র উদ্ধার করা হয়। আগে ডিবির কাছে গ্রেফতার রায়হান চৌধুরী ওরফে ড্যান ব্রাউন প্রশ্নপত্র বিনিময় করে এ সব অবৈধ বিকাশ এ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এ্যাকাউন্টের মাধ্যমে টাকা গ্রহণ করত। যাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অনুসন্ধানে সঠিক তথ্য না পাওয়া যায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ পর্যন্ত অবৈধভাবে কী পরিমাণ টাকা লেনদেন তারা করেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে রায়হান চৌধুরী ওরফে ড্যান ব্রাউনকে তারা ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকা তুলে দিয়েছে।’
এ ঘটনায় আদালতে গ্রেফতার রায়হান চৌধুরী ওরফে ড্যান ব্রাউন (১৯) স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দী, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন এবং পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) আইনে ডেমরা থানায় দায়ের করা মামলার সূত্র ধরে এ তিন এজেন্টকে আটক করা হয়।
বাংলাদেশেরপত্র/এডি/পি