ফুলবাড়ীর ৫০ শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক ও সেবিকা সংকট
ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসক ও সেবিকা(নার্স) দীর্ঘদিন ধরে সংকট চলছে ফলে খুরিয়ে খুরিয়ে চলছে চিকিৎসা সেবা। এ উপজেলার ৬ টি ইউনিয়নের মানুষ জন চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দাবি করেন সচেতন মহলেরা।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিসংখান বিভাগ সুত্রে জানা যায়, ৫০ শয্যা কাগজে কলমে থাকলেও ৩১ শয্যায় কার্যক্রম চলছে তাই এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তারের শূন্য পদ আছে ৯ জন বর্তমানে ডাক্তার কর্মরত আছে ৩ জন । সেবিকা(নার্স) শূন্য পদ ১৪ টি কর্মরত আছে ৭ জন । ৭ জনের মধ্যে ২ জন ডিপুটিশনে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে । বর্তমানে ৩ জন ডাক্তার ও ৫ জন সেবিকা দিয়ে খুরিয়ে খুরিয়ে চলছে এখানকা চিকিৎসা সেবা। ফলে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। যে খানে একজন চিকিৎসকের বিপরীতে তিনজন সেবিকা(নার্স) থাকতে হয় । সেখানে চিকিৎসকের ও সেবিকার এই অনুপাতটি একেবারে উল্টো। এই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুইটি অ্যামম্বুলেন্সের মধ্যে একটি পুরাতন একটি নতুন। এক্স-রে মেশিন দুইটি একটা চালু অন্যটি বিকল, ই সি জি মেশিন চারটি দুই চালু দুই টি বিকল হয়ে আছে। গতকাল সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় রোগী তুলনামুলক ভাবে ভর্তি আছে।
এ ব্যাপারে ওয়ার্ডের ইনচার্জ সেবিকা ডলি পারভীন জানান, আমরা দীর্ঘদিন ধরে এখানে চাকুরী করছি। যে খানে সেবিকার ১৪ জন থাকার কথা সেখানে মাত্র ৫জন দিয়ে রোগীর সেবা করা কি করে সম্ভম। বর্তমানে আমি একা ডিউটি করছি পুরুষ ওয়ার্ড ও মহিলা ওয়ার্ড একাই সামলাতে কঠিন হয়ে পড়ে এবং কিছু অফিসিয়াল খাতা পত্র এগুলো আবার ঠিকঠাক করতে হয় । যদি ডিউটিতে ৩ জন সেবিকা থাকত তাহলে রোগীদের সেবা করা সঠিক ভাবে পালন করা যেত।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শহিদুল্লাহ (লিংকন) প্রতিবেদককে জানান,দীর্ঘ ৮-১০ বছরের তুলনায় বর্তমানের আমাদের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্রে ভালই আছে । বর্তমানে ৩ জন ডাক্তার ও ৫ জন সেবিকা(নার্স) আছেন । তারা সব সময় ভালই করেই রোগীর সেবা করছেন। আমি ও নিজে থেকেই সব সময় খোঁজ খবর রাখি যাতে করে কোন রোগী চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত না হয়।