Connecting You with the Truth
ওয়েব ডিজাইন
গ্রাফিক্স
এসইও
ফেসবুক বুস্ট
📞 01757-856855
অর্ডার করুন »

ভোট দিতে হবে ওপেন’ না হলে উন্নয়ন বন্ধ

রুবেল হোসেন, লক্ষীপুর: লক্ষীপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের দায়িত্বশীল কয়েক নেতা ওপেন ভোট দেওয়ার জন্যভোটারদের চাপ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি সোমবার নির্বাচনের রিটানিং অফিসার ও জেলা প্রশাসককে (ডিসি) অবগত করেছেন প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থীরা। আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ শামছুল ইসলামকে আনারস প্রতিকে ওপেন ভোট দিতে কঠোরভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে রায়পুর সোমবার দুপুরে পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। সেখানে উপস্থিত ভোটারদের জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম ফারুক পিংকু বলেন, আওয়ামীলীগের চেয়ারম্যান প্রার্থীকে ওপেন ভোট দিতে হবে। সভার প্রধান অতিথি কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হারুনুর রশিদও গোলাম ফারুক পিংকুর বক্তব্যের উদ্বৃতি দিয়ে ওপেন ভোট দেওয়ার আহবান জানায়। তিনি বলেন, যে কেন্দ্রে একটি ভোট কম পড়বে, ওই এলাকার ইউপি চেয়ারম্যান, আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ দায়িত্বশীলদের জবাবদিহী করতে হবে। ওই এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
আওয়ামী লীগের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছেন, দলের মতবিনিময় সভা শেষে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন ৬ নম্বর ওয়ার্ডের (পৌরসভা, কেরোয়া, বামনী, ইত্তর হামছাদী ইউনিয়ন) সদস্য প্রার্থী জামশেদ কবির বাক্কি বিল্লাহর জলসা ঘরে ওই ওয়ার্ডের ভোটারদের সাথে পৃথক মতবিনিময় করেন। সেখানে বাক্কি বিল্লাহকে ওপেন ভোট দিতে বলেন নয়ন। যে ভোটাররা ওপেন ভোট দিতে রাজি হবে না, তাদের নাম লিখে রাখা হবে বলে উপস্থিত ভোটারদের সাফ জানিয়েছেন তিনি।
৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থী মোঃ হারুনের রশীদ বলেন, আওয়ামী লীগ নেতা নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন সদস্য প্রার্থী জামশেদ কবির বাক্কি বিল্লাহকে ওপেন ভোট দিতে বলেছেন। সদস্য প্রার্থীর পক্ষে ভোটারদের শপথ করানো, টাকা বিতরণ করা হচ্ছে। বিষয়টি জেলা প্রশাসককে (ডিসি) জানানো হয়েছে।
৪ নম্বর ওয়ার্ডের (দক্ষিন চর আবাবিল, উত্তর চর আবাবিল, রায়পুর ও চরপাতা ইউনিয়ন) সদস্য প্রার্থী মঞ্জুর হোসেন সুমন বলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের কয়েক নেতা ২০ হাজার টাকা করে ভোটারদের ধরিয়ে দিয়ে শপথ করাচ্ছে। তারা ভোটারদেও ভয়-ভীতিও দেখাচ্ছে।
চেয়ারম্যান প্রার্থী ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এম আলাউদ্দিন বলেন, ভোট হচ্ছে আমানত, এটি গোপনীয় বিষয়। প্রকাশ্যে ভোট দিতে হলে প্রশাসনের প্রয়োজন কী ? বিষয়টি আমি রিটানিং অফিসারকে জানিয়েছি।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মামনুর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ শামছুল ইসলাম, লক্ষীপুর পৌরসভার মেয়র আবু তাহের, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন ও রায়পুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন হাওলাদার ও পৌরসভার মেয়র ইসমাইল খোকন প্রমূখ। বিডিপত্র/আমিরুল

Leave A Reply

Your email address will not be published.