মাদারীপুরে দুই স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ শেষে হত্যা, আটক ২
মাদারীপুর সদরের মোস্তফাপুর হাইস্কুলের অষ্টম শ্রেণির দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার এই ঘটনায় জড়িত শিপন (২০) নামে এক যুবককে পুলিশে দিয়েছে এলাকাবাসী। নিহত দুই ছাত্রীর নাম সুমাইয়া আক্তার (১৪) ও হ্যাপি আক্তার (১৪)। দুজনের বাড়ি মাদারীপুর সদর উপজেলার মস্তফাপুর গ্রামে এবং মস্তফাপুর বহুমুখী বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। বৃহস্পতিবার বিকালে মস্তাফাপুর গ্রামের বেল্লাল শিকদারের মেয়ে সুমাইয়া (১৪) এবং হাবিব খানের মেয়ে হ্যাপি (১৪) প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়। বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে ছয় যুবক তাদের অচেতন অবস্থায় মাদারীপুর সদর হাপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে আসে।
এসময় ওই যুবকরা চিকিৎসদের জানান, দুই কিশোরী বিষ পান করেছে। এর কিছুক্ষণ পরে হ্যাপি মারা গেলে ওরা পালিয়ে যায়। এরপর বিকেল পৌনে ৫টার দিকে সুমাইয়াও মারা যায়। এ সময় দু-যুবককে আটক করা হয়। ওই দুই কিশোরী মস্তফাপুর বহুমুখি উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী।
মাদারীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শফিকুল ইসলাম রাজিব জানান, বিকালে গুরুতর আহত অবস্থায় দুই কিশোরীকে হাপাতালে ভর্তি করা হয়। সুমাইয়া নামে এক কিশোরীর শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে শ্লীলতাহানির পর বিষপানের ঘটনা ঘটেছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।
মাদারীপুর সদর থানার ওসি জিয়াউল মোর্শেদ জানান, এঘটনায় জড়িত সন্দেহে মস্তফাপুর গ্রামের আক্তার দর্জি ছেলে রফিকুল ও কুদ্দস শিকদারের ছেলে শিপনকে আটক করা হয়েছে।