Connecting You with the Truth
প্রিমিয়াম ওয়েব হোস্টিং + ফ্রি ডোমেইন
সাথে পাচ্ছেন ফ্রি SSL এবং আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ!
অফারটি নিন »

- Advertisement -

মাশরাফির শেষ ম্যাচে অবিস্মরণীয় জয়

বাংলাদেশ ক্রিকেটের বরপুত্র মাশরাফি বিন মর্তুজার টি-২০ ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচে শ্রীলংকার বিরুদ্ধে অবিস্মরণীয় জয় পেয়েছে টাইগাররা।

বাংলাদেশের করা ১৭৬ রানের জবাবে খেলতে নেমে ১৮ ওভারে ১৩১ রানে অলআউট হয় স্বাগতিকরা।

টাইগারদের ৪৫ রানের এ জয়ের ফলে সিরিজ ১-১ ম্যাচে ড্র হল। এর আগে টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজও ড্র হয়।

বৃহস্পতিবার কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে নিজের ক্যারিয়ারের শেষ টি-২০ ম্যাচে টস জেতেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের অন্যতম সফল অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা।

দলীয় সর্বোচ্চ ৩৮রান ও তিন উইকেট শিকার করে ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন সাকিব আল হাসান। আর ম্যান অব দ্য সিরিজ হয়েছেন আজকের ম্যাচে হ্যাটট্রিকধারী শ্রীলংকান বোলার লাথিস মালিঙ্গা।

এর আগে টি-২০ সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচে স্বাগতিকদের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৭৬ রান সংগ্রহ করে মাশরাফি বাহিনী।

তামিমের ইনজুরির কারণে একাদশে সুযোগ পাওয়া ইমরুল কায়েস উদ্বোধনী জুটিতে সৌম্য সরকারকে নিয়ে করেন ৭১ রান। মাত্র ৬.৩ ওভারেই উদ্বোধনী জুটি থেকে এ রান আসে।

এ ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেছেন শ্রীলংকার পেসার লাসিথ মালিঙ্গা। ইনিংসের ১৯তম ওভারে প্রথমে মুশফিক ও মাশরাফিকে সরাসরি বোল্ড করেন। পরের বলেই মিরাজকে এলবিডব্লউয়ের ফাঁদে ফেলে হ্যাটট্রিক নিশ্চিত করেন।

এ ম্যাচে তামিমের অনুপস্থিতিকে বুঝতে দেননি ইমরুল কায়েস ও সৌম্য সরকার।

উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ১৭ বলে ৩৪ করা সৌম্যকে ফেরান আসেলা গুনারত্নে। ২টি ছয় ও ৪টি চারের মারে সাজানো তার ইনিংস।

পরের ওভারেই রান আউট হয়ে ফিরে যান ইমরুল কায়েস। ২৫ বলে ৩৬ রান করেন তিনি। তার ইনিংসটি ছিল একটি ছক্কা ও চারটি চারে সাজানো।

পরে তৃতীয় উইকেট জুটিতে সাকিব-সাব্বির ৪৬ রান করে বাংলাদেশকে বড় ইনিংসের স্বপ্ন দেখান। সাকিব ৩৮ ও সাব্বির ২৯ রান করে সাজঘরে ফেরেন।

দলীয় ১৫২ রানে মোসাদ্দেক ব্যক্তিগত ১৭ রানে আউট হন। শেষ দিকে মুশফিক ৬ বলে ১৫ রানের ঝড়ো ইনিংস উপহার দেন।

১৭৭ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে শুরুতেই সাকিব-মোস্তাফিজ তাণ্ডবে চরম বিপর্যয়ে পড়ে শ্রীলংকা। দলীয় ৪০ রানে টপ অর্ডারের ৫ উইকেট হারিয়েই পরাজয়ের শংকায় পড়ে স্বাগতিকরা।

তবে থিসারা পেরেরা ও কাপোগেদারা এসে দলের হাল ধরেন। ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে ৫৮ রান করে এ দুই ব্যাটসম্যান টাইগারদের দুঃস্বপ্ন হয়ে দাঁড়ান। ইনিংসের ১৩তম ওভারে দলীয় ৯৮ রানের মাথায় সাকিবের শিকার হয়ে থিসারা পেরেরা (২৭) বিদায় নিলে ম্যাচ বাংলাদেশের দিকে হেলে পড়ে।

১৬তম ওভারে দলীয় ১১৯ রানে টাইগার অধিনায়ক মাশরাফি গত ম্যাচে শেষ দিকে ঝড় তোলা প্রসন্নকে (১১) সরাসরি বোল্ড করে টাইগারদের সমর্থকদের জানান দেন আজকের দিনটি আসলে বাংলাদেশেরই!

১৭তম ওভারে দলীয় ১২৩ রানে ম্যাচের একমাত্র হাফসেঞ্চুরিয়ান কাপোগেদারাকে (৫০) সাজঘরে ফেরান মোস্তাফিজ। একই ওভারে দলীয় ১২৪ রানে মালিঙ্গাকে (০) বোকা বানিয়ে বোল্ড করেন টাইগারদের বাংলাদেশ ক্রিকেটের বিস্ময় বালক মোস্তাফিজ।

মোস্তাফিজ তিন ওভারে ২১ রানে চার উইকেট নিয়ে লংকান ইনিংসের ধস নামান।

এছাড়াও সাকিব চার ওভারে ২৪ রানে লংকানদের মূল্যবান তিনটি উইকেট শিকার করেন। মাহমুদউল্লাহ, সাইফুদ্দিন ও অধিনায়ক মাশরাফি একটি করে উইকেট ভাগাভাগি করে নেন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.