রামগঞ্জে ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের সংঘর্ষে আহত ৮
লক্ষীপুর প্রতিনিধি : আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে লক্ষীপুরের রামগঞ্জে ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়েছে। বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুরে পৌরসভা কার্যালয়ের সামনের সড়কে এ ঘটনা ঘটে। এসময় ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় গ্রুপের ৮ নেতাকর্মী আহত হয়েছে। এনিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। ফের যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংষর্ষের আশংকা করছেন স্থানীয় লোকজন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্রে জানায়, ঘটনার সময় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কামরুল হাসান ফয়সাল মাল ও পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহবায়ক নোমান ভূঁইয়ার বাঁধানুবাধ হয়। এক পর্যায়ে দু’পক্ষের নেতাকর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা নোমান ভূঁইয়া, পেয়ার আলী, শাওন, ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল, মোজাম্মেল হক ও রাশেদ ভূঁইয়া আহত হয়। আহতদের মধ্যে পেয়ার আলীসহ ৩জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্থানীয় ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।
ছাত্রলীগ নেতা কামরুল হাসান ফয়সাল মাল বলেন, ছাত্রলীগ নেতাকে গালমন্দ করায় নিজেদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল। পরে নোমান ও তার সহযোগীরা আমাদের নেতাকর্মীদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে।
স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা নোমান ভূঁইয়া বলেন, বিনা উস্কানিতে ফয়সাল মালের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী আমাদের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছে।এতে আমাদের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়। বিষয়টি দলের সিনিয়র নেতাদের জানিয়েছি।
জানতে চাইলে রামগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোতা মিয়া বলেন,অভ্যন্তরীন কোন্দলের কারণে দু’গ্রুপের নেতাকর্মীরা জড়ো হলে তাদেরকে সরিয়ে দেওয়া হয়। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ সতর্ক রয়েছে।
এদিকে,পূর্বশত্রুতার জের ধরে জেলা ছাত্রলীগের উপ-গনশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আকরাম হোসেনকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করেছে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। বুধবার দুপুরে শহরের ওয়েলকাম চাইনিজ রেস্টুরেন্টের এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। আকরাম সদর উপজেলার দালাল বাজার এলাকার বেলাল হোসেনের ছেলে।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন ভূঁইয়া জানান, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় প্রদক্ষেপ নেওয়া হবে।