Connecting You with the Truth
ওয়েব ডিজাইন
গ্রাফিক্স
এসইও
ফেসবুক বুস্ট
📞 01757-856855
অর্ডার করুন »

রামগতির বিবিরহাট রশিদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে অনিয়ম আর দ্বন্ধে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত

রুবেল হোসেন, লক্ষীপুর প্রতিনিধি: লক্ষীপুরের রামগতি উপজেলার বিবিরহাট রশিদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটির দ্বন্ধ চরম আঁকার ধারন করছে। প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অনিয়মের ঘটনায় সম্প্রতি জেলা প্রশাসকসহ (ডিসি) প্রশাসনিক বিভিন্ন কার্যালয়ে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ করা হয়েছে। এনিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।
স্থানীয়রা জানায়, ১৯৬০ সালে ১.৮৪ একর জমি নিয়ে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করা হয়। প্রতিষ্ঠানটিতে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ২০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত। মোট ১৮ জন শিক্ষক বিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালন করছেন। একাধিকবার বিদ্যালয়টি উপজেলার শ্রেষ্ঠ হিসেবে নির্বাচিত হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনজন শিক্ষক জানায়, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি শরাফ উদ্দিন আজাদ সোহেল নানাভাবে তাদেরকে হয়রানি করছেন। তিনি কোন কারন ছাড়াই বেতন-ভাতা আটকে রাখার চেষ্টা, প্রতিনিয়ত অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। পরিচালনা কমিটির সদস্যদের সাথেও তিনি কারনে-অকারনে মারমুখি আচরণ করেন। এসবের প্রতিকার চেয়ে ১৩ জুন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির ১২ সদস্যদেও মধ্যে ৯ জন সভাপতির বিরুদ্ধে লিখিত অনাস্থা দেয়। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের অবগত চিঠি দিয়ে করা হয়।
বিদ্যালয়ের ছাত্র ফারুক হোসেন ও নাজমা আক্তার জানায়, বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটির দ্বন্ধের কারনে তাদের পড়ালেখা ব্যাহত হচ্ছে।এ অবস্থা চলতে থাকলে ভবিষ্যতে ফলাফল বিপর্যয় ঘটবে। শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে তারা।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি শরাফ উদ্দিন আজাদ সোহেল জানান, অনুপস্থিতির কারনে প্রধান শিক্ষকের বেতন-ভাতা বন্ধ রাখতে ব্যাংক ব্যবস্থাপককে চিঠি দেওয়ায় তারা আমার পেছনে ওঠেপড়ে লেগেছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিক তুহিনা আক্তার জানান, সভাপতি শরাফ উদ্দিন আজাদ সোহেল বিদ্যালয়ে এসে সবার সাথে মনগড়া আচরণ করে। তার ইচ্ছেমতো প্রাতিষ্ঠানে বিভিন্ন অনিয়ম, বিধিবহির্ভূত কাজ কাজ না করলে হয়রানি করা হয়। তিনি অবৈধ সুবিধা না পেয়ে বিভিন্নভাবে আমাকে হয়রানি করার হুমকি দিচ্ছে। বিষয়টি আমি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানিয়েছি।
এ ব্যাপারে রামগতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) অজিৎ দেব জানা, বিদ্যালয়ের অভিযোগ তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.