রৌমারীতে চার দিনের টানা ভারী বর্ষনে ৪০টি গ্রাম পানিবন্দি ও ব্রহ্মপুত্র নদীতে ব্যাপক ভাঙ্গনে প্রায় ২৩০টি বাড়ী নদী গর্ভে বিলিন
রৌমারী , কুড়িগ্রাম:
কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারীতে গত চার দিনের টানা ভারী বর্ষনে ও ভারতীয় পাহাড়ি ঢলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এ বন্যায় আমন ধানের বীজতলা,কাউন,চিনা,তীল,শাকশবজী ও পাট সহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। প্রবল বর্ষন ও স্রোতে ফসলীজমি বাড়িঘরে নদী-ভাঙ্গেনের দেখা দিয়েছে। অপরদিকে নি¤œাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় মানুষজন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্য্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। নদী পাড়াপাড়ের মারাত্মক ভাবে ব্যাহত সৃষ্টি হয়েছে। বন্যা কবলিত এলাকাগুলো হচ্ছে ঘুঘুমারী, খেরোয়ারচর, খেদাইমারী, বলদমারা, বাইসপাড়া, গোয়ালেরচর, ফুলোয়ারচর, পালেরচর, কুটিরচর, কাশিয়ারচর, চরবাঘমারা, দুবলাবাড়ি, ধনারচর পশ্চিম পাড়া সীমান্ত এলাকায় রয়েছে লাঠিয়ালডাংগা, চুলিয়ারচর, বারবান্দা, ইজলামারী, ভুন্দরচর, ফুলবাড়ি, নুতনবন্দর, চান্দারচর, নওদাপাড়া, ব্যাপারীপাড়া, খাটিয়ামারী, রতনপুর, মন্ডলপাড়া, চতলাকান্দা, শৌলমারী, বেহুলারচর, কলমেরচর বাইটকারী, বাগুয়ারচর, খনজনমারা সহ প্রায় ৪০টি গ্রামের প্রায় ৭০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়েছে।
পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে ব্রহ্মপুত্র নদীতে ব্যাপক ভাঙ্গনে প্রায় ২৩০টি বাড়ী নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায। ব্রহ্মপুত্র নদীতে ব্যাপক ভাঙ্গন সৃষ্টি হয়েছে। ভাঙ্গন কবলিত এলাকাগুলো হচ্ছে চরশৌলমারী ইউনিয়নের ঘুঘুমারী, খেরোয়ারচর, খেদাইমারী, বন্দবেড় ইউনিয়নের বলদমারা, বাইসপাড়া,গোয়ালেরচর , ফুলোয়ারচর, পালেরচর, কুটিরচর, যাদুরচর ইউনিয়নের তিনতেলীরচর,কাশিয়ারচর,চরবাঘমারা,ধনারচর পশ্চিম পাড়া,
এ বিষয় উপজেলা কৃষি অফিসার আজিজল হকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রাথমিক ভাবে কোন তথ্য দিতে পারেনি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল হান্নান বলেন, চরশৌলমারী,বন্দবেড় ও যাদুরচর ইউনিয়নের ব্যাপক ভাঙ্গন সৃষ্টি হয়েছে। আমি ভাঙ্গন পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রৌমারী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান,মজিবুর রহমান বঙ্গবাসী বলেন, আমি চরশৌলমারী,বন্দবেড় ও যাদুরচর ইউনিয়নের ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেছি ভাঙ্গন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

