সিটি নির্বাচন: দু’একদিনের মধ্যেই সেনা মোতায়েনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত
ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সেনা মোতায়েন হবে কি না পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সে বিষয়ে আগামী দু’একদিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত হবে।রোববার সকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভিন্ন বাহিনীর সাথে বৈঠক শেষে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ। তবে এখনো পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে উল্লেখ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, পরিস্থিতি অস্বাভাবিক করার চেষ্টা করা হলে তাদের কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।
যেকোনো নির্বাচনের আগেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভিন্ন বাহিনীর সাথে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আনুষ্ঠানিক বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন। রোববার সকাল ১১টায় ডিসিসি ও সিইসি নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নির্বাচন কমিশনারের সাথে বিভিন্ন বাহিনীর সাথে বৈঠক। বৈঠকে পুলিশ, বিজিবি, র্যাব, আনসারসহ বিভিন্ন বাহিনীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনাররাও।
প্রায় তিন ঘণ্টার বৈঠক শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জানান, সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এখনো পর্যন্ত নির্বাচনী পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানান তিনি।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ বলেন, আমরা আজ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করে তাদের মতামত শুনেছি। তারা বলেছেন পরিস্থিতি এখন পর্যন্ত শান্ত রয়েছে। আমরা সতর্কতার সাথে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। আর নির্বাচনের দিন কেন্দ্রে কতজন থাকবে, টহল দিবে কতজন সেগুলো আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরে আমাদের কাছে দিবে।
সেনা মোতায়েন করা হবে কিনা তা কমিশনে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানান তিনি। তবে তিনি আরো বলেন, সেনা মোতায়েন সিদ্ধান্ত এখনো না হলেও বিদ্যমান বাহিনীগুলোকেই আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে কঠোর হতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ বলেন, আমরা তিন নির্বাচনে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যাতে ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে যেতে-আসতে পারেন।
ভোটকেন্দ্রে কেউ বল প্রয়োগ করলে দ্বিগুণ বল প্রয়োগ করে তা প্রতিহত করবে কমিশন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। আর আচরণবিধি লঙ্ঘনের ব্যাপারে ঢালাও অভিযোগ না করে সুনির্দিষ্টভাবে অভিযোগ জানাতে প্রার্থীদেরকে অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।