Connecting You with the Truth
প্রিমিয়াম ওয়েব হোস্টিং + ফ্রি ডোমেইন
সাথে পাচ্ছেন ফ্রি SSL এবং আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ!
অফারটি নিন »

- Advertisement -

সিরাজদিখানে ৬ষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্রীকে ধর্ষণের ভিডিও প্রকাশ; গ্রেফতার ২

সিরাজদিখান(মুন্সিগঞ্জ)প্রতিনিধি: মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের শিয়ালদী গ্রামের ৬ষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীর ধর্ষনের নগ্ন ভিডিও ফুটেজ ধারণ করে মোবাইলে ছড়িয়ে দেওয়ার দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে সিরাজদিখান থানা পুলিশ। ধর্ষনের পর নগ্ন ভিডিও চিত্র ধারণের অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে মামলা দায়েরের পর গতকাল শুক্রবার ধর্ষনের শিকার ওই মেয়েটির শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য মুন্সিগঞ্জ সদর আধুনিক জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ধর্ষণের চিত্র ধারণের খবরে এলাকায় তোলপার সৃষ্টি হয়েছে। মেয়েটির পরিবারসহ স্থানীয় অনেকেই এ যঘন্য অপরাধীদের দৃস্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। এ অভিযোগে স্কুল ছাত্রীর পিতা মো. দেলোয়ার হোসে বাদী হয়ে মামলা করলে সিরাজদিখান থানার পুলিশ নয়ন (১৮) ও ইকবাল হোসেনকে (৩৫) গ্রেফতার করেছে।
অভিযোগ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তিনমাস পূর্বে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পশ্চিম ইছাপুরা গ্রামের আজিজ মোল্লার ছেলে ধর্ষক নয়নের সাথে স্কুল ছাত্রীর পরিচয় হয়। সেই সুবাদে ঘটনার দিন গত বুধবার দুপুরে মো. নয়ন ছাত্রীকে বেরানোর কথা বলে উপজেলার ইছাপুরা এলাকার খোরশেদুজ্জামানের বাগানে নিয়ে ইছাপুরা গ্রামের মৃত সামসুল হকের ছেলে মো. ইকবাল হোসেন, পশ্চিম ইছাপুরা গ্রামের ইব্রাহীমের ছেলে আলমগীর(৩৩), ইছাপুরা গ্রামের জামাল শেখের ছেলে মনিরের(২০) সহযোগীতিায় জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। সহযোগী আলমগীর ওই ছাত্রীর হাতে থাকা মোবাই ছিনিয়ে নিয়ে ধর্ষনের নগ্ন ভিডিও মোবাইলে ধারণ করে এবং ধর্ষনের ঘটনা কাউকে জানালে তা সবার মোবাইলে ও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়।
সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. ইয়ারদৌস হাসান দুই যুবককে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন বলেন, এ ঘটনায় থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ও পর্ণোগ্রাফি আইনে মামলা করেছেন। মেয়েটিকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য মুন্সিগঞ্জ সদর আধুনিক জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সেই সাথে অন্য আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে বলে জানান তিনি।
ইছাপুরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মতিন হাওলাদার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বিষয়টি জানার পর ইউপি সদস্যকে দিয়ে মেয়েটির অভিভাবককে থানায় পাঠিয়েছি।

Leave A Reply

Your email address will not be published.