৫০০ মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন উদ্বোধন করলেন জয়

নিজস্ব প্রতিনিধি : আজ রবিববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)’র মিলনায়তনে সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ বিভাগের উদ্যোগে দেশে প্রথমবারের মতো সরকারি তথ্য, সেবা ও সৃজনশীল ধারণার উপর উন্নয়নকৃত ৫০০ মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন উদ্বোধন করা হয়। এসয়ম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আ্যাপের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয়।
অনুষ্ঠানে সজীব ওয়াজেদ বলেন, ‘সরকার চাইলে টেন্ডার দিয়ে বিদেশি কোম্পানির কাছ থেকে অ্যাপ তৈরি করে নিতে পারত। কিন্তু তাতে দেশের কোনো উন্নতি হবে না বা তরুণ সম্প্রদায়ের মেধার বিকাশ হবে না। এ জন্য তরুণ মেধাবীদের কাজে লাগিয়ে তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে এগিয়ে নিতে অ্যাপ তৈরির কাজ শুরু করেছে বর্তমান সরকার।’
বাংলাদেশ মধ্য আয়ের দেশের পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার যতদিন থাকবে দেশ এগিয়ে যাবে। এদেশের তরুণরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
তিনি আরও বলেন, দেশের ৭টি বিভাগে ৭ টি ভোকেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হবে এবং তা এ সরকারের আমলেই সম্পন্ন হবে। এতে দেশের বেকার তরুণরা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সাবলম্বি হবে। রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল অডিটরিয়ামে জাতীয় পর্যায়ে মোবাইল অ্যাপস প্রশিক্ষক ও সৃজনশীল অ্যাপস উন্নয়ন কর্মসুচির আওতায় উন্নয়নকৃত পাঁচশ অ্যাপসের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
জয় বলেন, ‘বেকার সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে এ সরকার কাজ করে যাচ্ছে। তারই অংশ হিসেবে প্রতিটি বিভাগে এই ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’
তিনি জানান, দেশের সাড়ে ৪ হাজার ইউনিয়নে ফাইবার অপটিক্যাল কেবল সংযুক্ত করা হবে। তবে এর মধ্যে আড়াই হাজার ইউনিয়নে প্রাইভেট পাবলিক পার্টনারশিপের মাধ্যমে এই কেবল কানেকশন দেয়া হবে। দেশে ৬টি সাবমেরিন কেবলের ব্যাকাপ আছে উল্লেখ করে জয় বলেন, ‘এর মূল লাইন কাটা পড়লেও কোন সমস্যা হবে না।’
তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, জাতীয় পর্যায়ে মোবাইল অ্যাপস প্রশিক্ষক ও সৃজনশীল অ্যাপস উন্নয়ন কর্মসুচির প্রকল্প পরিচালক জি. ফখরুদ্দীন আহমেদ চৌধুরী, বিটিআরসির চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোস প্রমুখ।
বাংলাদেশেরপত্র/এডি/এ