দুর্যোগ মোকাবিলায় নৌবাহিনীকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

0
62

PMb_banglanews24_627680842চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:
ভৌগোলিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও যেকোনো দুর্যোগ মোকাবেলায় অগ্রণী ভূমিকা পালনের জন্য সদ্য কমিশনপ্রাপ্ত নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ও সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পাশাপাশি নৌবাহিনীর সুনাম ও ঐতিহ্য ক্ষুণœ হয় এমন কিছু না করতেও নতুন কমিশনপ্রাপ্ত অফিসারদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
গত কাল সকালে চট্টগ্রামের বাংলাদেশ নৌবাহিনী একাডেমিতে মিডশিপম্যান-২০১৩-এর একটি ব্যাচ এবং ডিরেক্ট এন্ট্রি অফিসার্স (ডিইও) ২০১৪-এর বি-ব্যাচের শীতকালীন কুচকাওয়াজের ভাষণে নৌবাহিনীর নবীন কর্মকর্তাদের প্রতি বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে একটি খোলা জিপে কুচকাওয়াজ পরিদর্শন এবং সালাম গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেননৌবাহিনী প্রধান ভাইস এডমিরাল এম ফরিদ হাবিব ও বাংলাদেশ নৌবাহিনী একাডেমির কমান্ড্যান্ট কমোডর নাজমুল হাসান। অনুষ্ঠানে মন্ত্রী, উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য, তিন বাহিনী প্রধানগণ, কূটনীতিক, পদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তা এবং মিডশিপম্যানদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ক্যাডেটদের জাতির ভবিষ্যত নেতা উল্লেখ করে বলেন, তারা দেশের স্বার্থকে ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে স্থান দেবেন। তিনি বলেন, নৌবাহিনীর সুনাম ও ঐতিহ্য ক্ষুণœ হয় এমন কোনো কাজ আপনারা করবেন না। এছাড়া নৈতিক গুণাবলী ধারণ সহ মানবিক হওয়ার পাশাপাশি নিজেদের দক্ষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্যও ক্যাডেটদের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনাদের মনে রাখতে হবে, আপনারা জাতিকে সেবা দিতে যাচ্ছেন। তাই আপনাদের পেশাগত দায়িত্ব ও কর্তব্যের স্বার্থে একজন দক্ষ অফিসার হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। নৌবাহিনীর উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের বর্ণনা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার ফোর্স গোল-২০৩০-এর আওতায় এ বাহিনীকে ত্রিমাত্রিক একটি কার্যকর বাহিনীতে পরিণত করতে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, আমাদের সরকারের মেয়াদে খুব অল্প সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে ১৬টি জাহাজ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। দুটি হেলিকপ্টার ও দুটি সামুদ্রিক টহল বিমান যুক্ত করার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনী নতুন যুগে প্রবেশ করেছে। শেখ হাসিনা আরও বলেন, দুটি সাবমেরিন নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া ইতোমধ্যেই চূড়ান্ত হয়েছে। ২০১৬ সালের মধ্যে সাবমেরিনগুলো নৌবাহিনীতে যুক্ত হবে বলে আমরা আশা করছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধ জাহাজ নির্মাণে বাংলাদেশ স্বনির্ভরতা অর্জন করেছে। খুলনা শিপইয়ার্ড ও নারায়ণগঞ্জ ডক ইয়ার্ডে অত্যাধুনিক যুদ্ধজাহাজ নির্মিত হচ্ছে। নৌবাহিনীর দক্ষ ব্যবস্থাপনায় এগুলোতে প্রকৌশল কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here