পশ্চিমাঞ্চলে লালমনিরহাট-সান্তাহার রুটের রেলযাত্রীদের সীমাহীন দুর্ভোগ

Gaibandha-Train--Pic-01-(12লালমনিরহাট প্রতিনিধি: জনবল সংকটসহ নানা কারণে বিভিন্ন সময় বেশ কটি ট্রেন বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর এখন নতুন করে সৃষ্টি হওয়া সমস্যার দরুন স্টেশন বন্ধ হয়ে যাওয়া বা ক্লোজডাউন হয়েছে। এখন এ রুটে চলাচলকারী হাতে গোনা কয়েকটি সাধারণ ও মেইল ট্রেনকে আন্তঃনগর ট্রেনগুলোকে সময়মত চলার স্বার্থে প্রয়োজনের তাগিদে চালু কোন স্টেশনে আটকে রাখায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এর যাত্রীদের।
পশ্চিমাঞ্চল রেলের লালমনিরহাট বিভাগের সান্তাহার-লালমনিরহাট রেলরুটের ৩১টি স্টেশনের মধ্যে বর্তমানে ১৬টি স্টেশনই বন্ধ হয়ে আছে। এর মধ্যে গত দু’তিন মাসের মধ্যেই জনবল সংকটের কারণে বন্ধ হয়ে গেছে ১১টি স্টেশন। একক লাইন থাকার কারণে পূর্ব থেকেই বন্ধ হয়ে আছে ৫টি স্টেশনের অপারেশনাল কার্যক্রম। এর মধ্যে কিছু স্টেশনে টিকেট বিক্রিসহ কিছু কার্যক্রম চললেও কয়েকটি স্টেশন একবারেই তালাবদ্ধ অবস্থায় পড়ে আছে। প্রতি মাসেই স্টেশন মাস্টার, পোর্টার, পয়েন্টসম্যানসহ বেশ কয়েকজন কর্মচারী অবসর গ্রহণ করলেও নতুন নিয়োগ না দেয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
জানা গেছে, গত দু’তিন মাসের মধ্যে পশ্চিমাঞ্চল রেলের সান্তাহার-লালমনিরহাট রুটে জনবল সংকটের কারণে ১১টি স্টেশনের অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। রেলের ভাষায় ক্লোজডাউন স্টেশনগুলো হলো- মহেন্দ্রনগর, অন্নদানগর, চৌধুরানী, নলডাঙ্গা, ত্রিমোহিনী, বাদিয়াখালী, মহিমাগঞ্জ, ভেলুরপাড়া, কাহালু, আলতাফনগর ও নশরৎপুর। এসব স্টেশনে এখন আর কোন ট্রেনের খবর হয় না, ঘন্টাও বাজে না। একক লাইনের কারণে পূর্ব থেকেই বন্ধ স্টেশনগুলো হলো হাসানগঞ্জ, কুপতলা, শালমারা, সৈয়দ আহম্মদ কলেজ ও পাঁচপীর মাজার। রেলকর্মী সংকটের কারণে এসব স্টেশনে কোন ট্রেন ক্রসিং করা সম্ভব হয় না। এ রুটের সূচনা স্টেশন লালমনিরহাট এবং শেষ স্টেশন সান্তাহার ছাড়া চালু স্টেশনগুলো হলো তিস্তা, কাউনিয়া, পীরগাছা, বামনডাঙ্গা, কামারপাড়া, গাইবান্ধা, বোনারপাড়া, সোনাতলা, সুখানপুকুর, গাবতলী, বগুড়া, তালোড়া ও আমদীঘি। প্রতিটি স্টেশনে ৩ জন স্টেশন মাস্টার, ২ জন পোর্টার, ৪ জন পয়েন্টসম্যান ও ১ জন ঝাড়ুদারসহ মোট ১০ জন করে কর্মী থাকার কথা থাকলেও এসব স্টেশনে মাত্র ২, ৩ বা ৪ জন করে কর্মী নিয়োজিত আছেন। এ ব্যাপারে লালমনিরহাটের ডিভিশনাল ট্রাফিক সুপারিনটেন্ডেন্ট মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ক্লোজডাউন স্টেশনগুলোতে অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালু আছে। খুব দ্রুতই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে এ সমস্যার সমাধান করা হচ্ছে। দুর্ভোগ যেন পিছু ছাড়ছেই না পশ্চিমাঞ্চল রেলের লালমনিরহাট-সান্তাহার রুটের রেলযাত্রীদের। জনবল সংকটসহ নানা কারণে বিভিন্ন সময় বেশ কটি ট্রেন বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর এখন নতুন করে সৃষ্টি হওয়া সমস্যার নাম স্টেশন বন্ধ হয়ে যাওয়া বা ক্লোজডাউন। এখন এ রুটে চলাচলকারী হাতে গোনা কয়েকটি সাধারণ ও মেইল ট্রেনকে আন্তঃনগর ট্রেনগুলোকে সময়মত চলার স্বার্থে প্রয়োজনের অনেক আগেই চালু কোন স্টেশনে আটকে রাখায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এর যাত্রীদের।
পশ্চিমাঞ্চল রেলের লালমনিরহাট বিভাগের সান্তাহার-লালমনিরহাট রেলরুটের ৩১টি স্টেশনের মধ্যে বর্তমানে ১৬টি স্টেশনই বন্ধ হয়ে আছে। এর মধ্যে গত দু’তিন মাসের মধ্যেই জনবল সংকটের কারণে বন্ধ হয়ে গেছে ১১টি স্টেশন। একক লাইন থাকার কারণে পূর্ব থেকেই বন্ধ হয়ে আছে ৫টি স্টেশনের অপারেশনাল কার্যক্রম। এর মধ্যে কিছু স্টেশনে টিকেট বিক্রিসহ কিছু কার্যক্রম চললেও কয়েকটি স্টেশন একবারেই তালাবদ্ধ অবস্থায় পড়ে আছে। প্রতি মাসেই স্টেশন মাস্টার, পোর্টার, পয়েন্টসম্যানসহ বেশ কয়েকজন কর্মচারী অবসর গ্রহণ করলেও নতুন নিয়োগ না দেয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
জানা গেছে, গত দু’তিন মাসের মধ্যে পশ্চিমাঞ্চল রেলের সান্তাহার-লালমনিরহাট রুটে জনবল সংকটের কারণে ১১টি স্টেশনের অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। রেলের ভাষায় ক্লোজডাউন স্টেশনগুলো হলো- মহেন্দ্রনগর, অন্নদানগর, চৌধুরানী, নলডাঙ্গা, ত্রিমোহিনী, বাদিয়াখালী, মহিমাগঞ্জ, ভেলুরপাড়া, কাহালু, আলতাফনগর ও নশরৎপুর। এসব স্টেশনে এখন আর কোন ট্রেনের খবর হয় না, ঘন্টাও বাজে না। একক লাইনের কারণে পূর্ব থেকেই বন্ধ স্টেশনগুলো হলো হাসানগঞ্জ, কুপতলা, শালমারা, সৈয়দ আহম্মদ কলেজ ও পাঁচপীর মাজার। রেলকর্মী সংকটের কারণে এসব স্টেশনে কোন ট্রেন ক্রসিং করা সম্ভব হয় না। এ রুটের সূচনা স্টেশন লালমনিরহাট এবং শেষ স্টেশন সান্তাহার ছাড়া চালু স্টেশনগুলো হলো তিস্তা, কাউনিয়া, পীরগাছা, বামনডাঙ্গা, কামারপাড়া, গাইবান্ধা, বোনারপাড়া, সোনাতলা, সুখানপুকুর, গাবতলী, বগুড়া, তালোড়া ও আমদীঘি। প্রতিটি স্টেশনে ৩ জন স্টেশন মাস্টার, ২ জন পোর্টার, ৪ জন পয়েন্টসম্যান ও ১ জন ঝাড়ুদারসহ মোট ১০ জন করে কর্মী থাকার কথা থাকলেও এসব স্টেশনে মাত্র ২, ৩ বা ৪ জন করে কর্মী নিয়োজিত আছেন। এ ব্যাপারে লালমনিরহাটের ডিভিশনাল ট্রাফিক সুপারিনটেন্ডেন্ট মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ক্লোজডাউন স্টেশনগুলোতে অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালু আছে। খুব দ্রুতই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে এ সমস্যার সমাধান করা হচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here