হিলিতে জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ আহত ৯
রাসেল হাসান, হিলি প্রতিনিধি: হিলিতে জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে মাঠপাড়া গ্রাম ও পাশ্ববর্তী ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের লোক জনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে এতে উভয় গ্রামের ৯ জন আহত হন। আহতদের হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অবস্থা আংশকাজনক হওয়াই উন্নত চিকিৎসার জন্য বাধন ও জাকিরুলকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় হিলি সদরের মাঠপাড়া গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে। এদিকে হাকিমপুর পৌরসভার সদ্যবিদায়ি মেয়র সাখাওয়াত হোসেন ও নবনির্বাচিত মেয়র জামিল হোসেন আহতদের দেখতে হিলি হাসপাতালে গিয়েছিলেন।
আহতরা হলেন, উপজেলার মাঠপাড়া গ্রামের জাহিদুলের ছেলে বাধন (১৪), মৃত শাহমুদের ছেলে আশরাফ আলী (৫০), ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের বয়েজ আলীর ছেলে তাহের আলী (৫০), আজাহার আলীর ছেলে জাকিরুল ইসলাম (৫০),মিজানের ছেলে অহেদ (৫৫)। বাকীদের নাম পাওয়া যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে হিলির মাঠপাড়া গ্রামে কয়েকজন যুবক টাকা দিয়ে জুয়া খেলছিল, এসময় জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে মাঠপাড়া গ্রাম ও পাশ্ববর্তী ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের লোক জনের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। এ সময় পাশের তেতলার বিলে মাছ ধরারত ডাঙ্গাপাড়ার কয়েকজন মানুষ ওই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ওই ঘটনায় দু গ্রামের লোকজন লাঠি সোটা নিয়ে একে অপরের উপর হামলা করে, এতে ঘটনাস্থলেই ৯ জন আহত হয়। স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতী নিয়ন্ত্রনে আনেন। এনিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এদের মধ্যে অপরদুজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছে। বাকী ৫জন হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্য্রে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্য্রের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সুলতান মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মারামারির ঘটনায় ৯জন হাসপাতালে আসেন। এর মধ্যে আহত কিশোর বাধন ও জাকিরুলের অবস্থা আংশকাজনক হওয়াই তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। চারজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছে। বাকিরা হিলি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের অবস্থা আশংকামুক্ত রয়েছে। তাদের লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
হাকিমপুর থানার ওসি মোখলেছুর রহমানের সাথে এবিষয়ে কথা বলতে তার ব্যাবহৃত মোবাইলে বেশ কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি মোবাইল রিসিভ করেননি।