Connecting You with the Truth
প্রিমিয়াম ওয়েব হোস্টিং + ফ্রি ডোমেইন
সাথে পাচ্ছেন ফ্রি SSL এবং আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ!
অফারটি নিন »

- Advertisement -

ছাত্রলীগের দু-গ্রুপের দফায় দফায় সংঘর্ষে রণক্ষেত্র বেরোবি

begum_rokeya_university_dhaka_report_20685বেরোবি সংবাদদাতা: রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের দু-গ্রুপের মধ্যে কয়েক দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হাকিম রাসেলসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে রাসেলের অবস্থা গুরুত্বর হওয়ায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরী বিভাগের ১৬ নং ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার দুপুর ১ টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এই প্রতিবেদন লেখাকালীন সংঘর্ষ চলছিল। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি মেহেদি হাসান শিশির ও সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মাহমুদ গ্রুপের কর্মীদের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে বেরোবি শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সভাপতির অনুসারী আজিজুল হাকিম রাসেলের উপর হামলা করে সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের ১২-১৫ জন কর্মী। সেখানেই বেশ আহত হন রাসেল। এঘটনার কিছুক্ষণ পর ছাত্রলীগ সভাপতি শিশিরের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রসহ বঙ্গবন্ধু হলের সামনে অবস্থান নেয় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক করে।
এঘটনার প্রায় একঘন্টা পর সাধারণ সম্পাদক মাহমুদের নেতৃত্বে অস্ত্রসহ ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে ছাত্রলীগ কর্মীরা। তারা মুখোমুখি অবস্থান নিলে পুলিশ সেখানে বেশ কয়েক রাউন্ড টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এসময় বেশ কিছু অস্ত্রধারী হলের ভিতরে প্রবেশ করে ৪০- ৫০ টি কক্ষে ভাংচুর চালায়। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে ছাদে অবস্থান নেয়। দুই গ্রুপকে ছত্রভঙ্গ করে পুলিশ মাঝে অবস্থান নেয়।
জানতে চাইলে বেরোবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদি হাসান শিশির বলেন,‘যাদেরকে মারা হয়েছিল তারা ছাত্র শিবিরের। তাদেরকে হল থেকে বের করে দিতে গিয়ে এ ঘটনার সুত্রপাত হয়।’
বেরোবি ছাত্রলীগ সেক্রেটারী মোস্তফা মাহমুদ হাসান বলেন, হল চালুর পর থেকে ডাইনিংয়ে ফ্রি খাচ্ছে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা। আমরা তার প্রতিবাদ করলে তারা এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটায়। তিনি এ সংঘর্ষের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে দায়ী করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এস আই শফিককে ব্যাবহার করে সভাপতি শিশিরকে এ ঘটনা ঘটাতে উস্কে দিয়েছে।
বঙ্গবন্ধু হলের সহকারী প্রভোস্ট আপেল মাহমুদ বলেন,‘আমরা বিষয়টা দেখছি। নিরাপত্তার জন্য যথেষ্ঠ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর শাহীনুর রহমান বলেন, কিছু ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক। আর যেকোন অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা জোড়দার করা হয়েছে।
জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ডাইনিং থেকে প্রতিনিয়ত ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আলী রাজের কক্ষে খাবার দিয়ে যাওয়া হতো। এ বিষয়টি নিয়ে সেক্রেটারী মোস্তফা মাহমুদ হাসানের অনুসারী আরিফ মোরশেদের সাথে সভাপতি গ্রুপের রাসেলের মধ্যে গতরাতে কথা কাটাকাটি হয়। শনিবার সকাল ১০টার দিকে ছাত্রলীগ নেতা আরিফ মোরশেদ ও হাকিমের মধ্যে হাতাহাতির জের ধরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.