রৌমারীতে জুয়েলের খুনিদের গ্রেফতারের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন

শাহাদত হোসেন, রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রাম জেলাধীন রৌমারী উপজেলায় জুয়েলের খুনিদের গ্রেফতারের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুর ১২টার সময় রৌমারী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও এলাকাবাসী উদ্বোগে প্রায় ১ হাজার লোক একত্রিত হয়ে রৌমারী থানা মোড় থেকে মিছিল বের করে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলার পরিষদের সামনে ডিসি রাস্তায় মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানব বন্ধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তবে রৌমারী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও আ.লীগ নেতা মো. মজিবুর রহমান বঙ্গবাসী বলেন, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ও সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জুয়েলের খুনিদের পুলিশ আড়াই মাসেও গ্রেফতার করতে পারেন নাই। আগামী ১০দিনের মধ্যে খুনিদের গ্রেফতার করতে না পারলে রৌমারীবাসী আরো কঠোর কর্মসূচী পালন করতে বাধ্য হবে। উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. আব্দুল কাদের বলেন খুনিদের গ্রেফতারের দাবীতে প্রতিনিয়ত বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করলেও রহস্যজনক কারণে পুলিশ খুনিদের গ্রেফতার করছেন না। আগামী ১০দিনের মধ্যে খুনিদের গ্রেফতার না করতে পারলে পুলিশ প্রশাসনকে শাড়ি পড়ে রৌমারীর মাটি থেকে বিদায় নিতে হবে।
এছাড়া আরো বক্তব্য রাখেন রৌমারী সিজি জামান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবু হোরায়েরা, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম,কুড়িগ্রাম জেলা মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের সভাপতি মো.আবু হানিফ মাস্টার,সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ মো. আ: খালেক, প্রভাষক ফেরদৌস আহাম্মেদ,মুক্তিযোদ্ধা সামসুল আলম, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা ডিপুটি কমান্ডার মো: সাহার আলী,ইউপি সদস্য আজিজুল হক প্রমূখ।
উল্লেখ সেচ্ছাসেবকলীগে অফিস স্থাপনের জের ধরে ২০ মার্চ রাত ১টার সময় খনজনমারা গ্রাম থেকে বাড়ী ফেরার পথে তাকে এ্যালোপাতারি কুপিয়ে ধানক্ষেতে ফেলে যায় খুনিরা। মাথা থেকে পা পর্যন্ত অন্তত ৪০টি ছুরিকাঘাত। প্রতিটা নিশ্বাসের সাথে সাথে ফিমকি দিয়ে বেরিয়ে আসছে রক্ত। কিন্তু তখনও জ্ঞান হারাননি জুয়েল আহমেদ। পড়ে আশপাশের মানুষ এসে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে রৌমারী হাসপাতাল, রংপুর মেডিক্যাল কলেজ এবং অবশেষে শেষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রায় ২৩ ঘন্টা মৃত্যুর সাথে পাঞ্জালরে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন জুয়েল। জুয়েল মহিলা কলেজপাড়া গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা মো. আজিজুর রহমানের বড় ছেলে।