ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) দেয়া বিবৃতিতে ট্রট বলেন, ‘এটি ছিল একটি কঠিন সিদ্ধান্ত। কিন্তু আমি মনে করিনা ইংল্যান্ড দলের হয়ে যে পর্যায়ে খেলা দরকার সেরকম অবস্থায় আমি খেলতে পারছি। আমাকে ফের দলে ফিরিয়ে এনে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার সুযোগ দেয়ায় সম্মানিত বোধ করছি। পাশাপাশি প্রত্যাশা মাফিক খেলা খেলতে না পারায় হতাশও হয়েছি।
এ মতাবস্থায় আমাকে ইংল্যান্ড দলে খেলার সুযোগ দাতাদের আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সেই সঙ্গে ধন্যবাদ জানাচ্ছি অগনিত সমর্থকদের, যাদের সমর্থনের কারণে আমি ফের জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছিলাম।’
৩৪ বছর বয়সি ট্রট আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেও তার কাউন্টি ক্লাব ওয়ারউইকশায়ারের হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলা চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি এখন ওয়ারউইকশায়ারের হয়ে খেলা চালিয়ে যাওয়ার অপেক্ষায় আছি।’
২০১৩-১৪ অ্যাশেজ মৌসুমে ব্রিসবেন টেস্টে মিচেল জনসনের বাউন্সি বলে দুই ইনিংসে আউট হলে মানসিক ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন ট্রট। যাকে দলীয় কর্মকর্তারা ‘পরিস্থিতি জনিতত সমস্যা’ বলে অভিহিত করেছিলেন। ১৬ মাস পর ঘারোয়া ক্রিকেটে ভালো খেলার পুরস্কার হিসেবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের জন্য গঠিত দলে ফের ডাক পান তিনি।
এদিকে ট্রটের প্রতি বিদায়ে তাকে সম্ভাষণ জানিয়ে ইংলিশ অধিনায়ক এ্যালিস্টার কুক বলেছেন, ‘ট্রটের সতীর্থ হিসেবে তার ক্যারিয়ারের ৫২ টেস্টের সবকটিতে আমি অংশ নিতে পেরে নিজে সম্মানবোধ করছি। ক্যারিয়ারে তিনি যা অর্জন করেছেন, তা এক কথায় অসামান্য। তার আমলে দলের সাফল্যগুলোকে কোনভাবেই ভাগ্যের সহায়তা বলে চালিয়ে দেয়া যাবে না। তার স্বকীয় ক্রিকেটিং দক্ষতার ফলে আমরা বেশ কিছু বিশেষ সাফল্য অর্জন করেছি। মাঠে ও মাঠের বাইরে ট্রট আমাদের অন্তরের মধ্যে রক্ষিত থাকবেন।
২০০৯ সালে ক্যারিয়ার শুরু করা ট্রট সর্বমোট ৫২টি টেস্ট খেলেছেন। যেখানে ৪৪.০৮ গড়ে নয়টি সেঞ্চুরি ও ১৯ হাফ-সেঞ্চুরিতে ৩৮৩৫ রান সংগ্রহ করেছেন। পাশাপাশি ৬৮ ওয়ানডে ম্যাচ খেলে ৫১.২৫ গড়ে চারটি সেঞ্চুরি ও ২২ হাফ-সেঞ্চুরি সহ ২৮১৯ রান করেছেন তিনি।